স্পোর্টস ডেস্ক : ২০২৭ আইপিএলে কি খেলতে পারবেন অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটাররা? পাওয়া গেল বড় আপডেট। অস্ট্রেলিয়ার ব্যস্ত আন্তর্জাতিক সূচির মধ্যে আইপিএলকে জায়গা দেওয়া খুবই কষ্টের হবে। জানালেন দলের হেড কোচ অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড। তবে একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে কামিন্স, স্টার্ক, হেডদের পরের আইপিএলে নাও দেখা যেতে পারে।
আগামী ১২ মাসে অস্ট্রেলিয়াকে ২০টি টেস্ট এবং ১৪টি সাদা বলের ম্যাচ খেলতে হবে। ভারতের বিরুদ্ধে পাঁচ টেস্টের সিরিজ এবং বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের মাঝে আইপিএলের সম্ভাব্য সূচি পড়ছে। এরপর রয়েছে ইংল্যান্ডের মাটিতে অ্যাশেজ।
ম্যাকডোনাল্ড বলেন, 'আইপিএল আমাদের অনেক ক্রিকেটারের ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট পরিকল্পনার অংশ। বিশ্বের একনম্বর টি-২০ লিগে আমাদের সেরা ক্রিকেটারদের খেলার সুযোগ দেওয়া পারফরম্যান্সের দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। তবে সবকিছুর মধ্যে ভারসাম্য রাখতে হবে।' বর্তমানে প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজলউড, ক্যামেরন গ্রিন এবং ট্র্যাভিস হেড আইপিএলে খেলেন।
জশ ইংলিসও রয়েছেন লখনউ সুপার জায়ান্টস দলে। তবে ২০২৩ সালের অভিজ্ঞতা এবার অস্ট্রেলিয়ার সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে। সেবার কামিন্স, স্টার্ক এবং হেড আইপিএলে না খেলে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল এবং অ্যাশেজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন।
ম্যাকডোনাল্ডের মতে, টানা টেস্ট ক্রিকেটের ধকল সামলাতে অস্ট্রেলিয়ার পেসারদের শরীরকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম দেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'আমাদের পেসাররা যাতে শরীরকে প্রস্তুত করার সুযোগ পায় এবং ২০-২১ টা গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নিজেদের সেরাটা দিতে পারে, সেদিকেই আমাদের নজর থাকবে।' অস্ট্রেলিয়ার কোচ আরও জানান, ক্রিকেটারদের সঙ্গে মেডিক্যাল টিম এবং কোচিং স্টাফের নিয়মিত আলোচনার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে ম্যাকডোনাল্ডের কাছে আইপিএল এখনই ‘না’ নয়। বরং প্রত্যেক ক্রিকেটারের পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়ার পক্ষপাতী তিনি।
ম্যাকডোনাল্ড বলেন, 'প্যাট কামিন্স নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে চতুর্থ টেস্টে কেমন অবস্থায় থাকবে, সেটা আমরা এখনই জানি না। দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের শেষে মিচেল স্টার্কের পরিস্থিতিও জানা নেই। তাই পুরো তথ্য হাতে আসার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।'ভারত সফরের শেষে আইপিএল নিয়ে ফের আলোচনা হবে বলেও জানিয়েছেন ম্যাকডোনাল্ড। বিশেষ করে ভারতে পেসাররা কতটা বল করেছেন, তার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করবে। পাশাপাশি দীর্ঘ সফরের কারণে ট্র্যাভিস হেডদের মানসিক চাপের বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।