স্পোর্টস ডেস্ক : বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না ফিফার। এবার বেঁকে বসেছে বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্বে থাকা আমেরিকার শহরগুলি। তাদের দাবি, ম্যাচ আয়োজনের জন্য ফিফার তরফে আর্থিক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রতিযোগিতা শেষ হওয়ার পর দু’সপ্তাহ কেটে গেলেও অর্থ দেওয়ার নামগন্ধ নেই ফিফার। বিষয়টি নিয়ে সোচ্চার হয়েছে তারা।
আমেরিকার ১১টি মাঠে খেলা হয়েছে এবার। প্রতিটি মাঠই চালায় কোনও না কোনও বেসরকারি এবং বিশ্ববিখ্যাত সংস্থা। গত বছর ক্লাব বিশ্বকাপের সময় প্রতিটি আয়োজক শহরের মাঠকে প্রায় ১০ কোটি টাকা করে আর্থিক পুরস্কার দিয়েছিল ফিফা।
আমেরিকার যে ১১টি শহর বিশ্বকাপের আয়োজন করেছিল, তাদের তরফে জানতে চাওয়া হয়েছিল, বিশ্বকাপেও এই সাহায্য পাওয়া যাবে কি না। ফিফা রাজি হয়ে যায়। যদিও এ ব্যাপারে তারা কোনও সরকারি বিবৃতি দেয়নি।
এখন আমেরিকার মাঠগুলি চাইছে তাদের প্রাপ্য অর্থ মিটিয়ে দেওয়া হোক। বার বার ফিফার সঙ্গে যোগাযোগ করেও সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। বিশ্বকাপ উপলক্ষে বিভিন্ন কমিটি গড়া হয়েছিল। তাদের কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। ফলে ঠিক কোথায় গেলে অর্থ মিলবে, তা বোঝা যাচ্ছে না।
দুই আয়োজক শহরের কর্তার দাবি, ফিফা গত চার বছরে প্রায় ১,৪২,৭০৬ কোটি টাকা লাভ করেছে। এ বার বিশ্বকাপ আয়োজন করতে ফিফার খরচ হয়েছে ২৫,৬৭৬ কোটি টাকা। ১১টি শহরে ১০ কোটি টাকা করে দিতে হলে ফিফার খরচ হবে মোট ১১০ কোটি টাকা। কোটি কোটি টাকা লাভ করার পরেও কেন এই সামান্য অর্থ ফেলে রাখা হচ্ছে? ঘটনাটি নিয়ে চাপে পড়েছেন ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোও। ভবিষ্যতে সেই চাপ আরও বাড়তে পারে।