স্পোর্টস ডেস্ক : বিশ্বকাপ বেচে দেওয়ার পরিকল্পনা করে চারদিক থেকে এমনিতেই চাপে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। এবার তিনি পদ বাঁচাতে সহকর্মীদেরই সাহায্য চাইছেন। জানা গিয়েছে, বুধবার রাতের দিকে মরক্কোয় ফিফার শীর্ষকর্তাদের নিয়ে একটি বৈঠক ডেকেছেন ইনফান্তিনো। সেখানে পদ বাঁচানোর জন্য সেই কর্তাদের সাহায্য চাইতে পারেন তিনি।
এত দিন বিভিন্ন মহাদেশীয় সংস্থা ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে মুখ খুলছিল। এ বার ফিফার অন্দরেও ইনফান্তিনো-বিরোধিতা বাড়ছে। ইনফান্তিনোর সমালোচনা করেছেন ফিফার সেক্রেটারি জেনারেল মাতিয়াস গ্রাফস্ট্রম। জানিয়েছেন, ইনফান্তিনোর পরিকল্পনার ব্যাপারে কিছুই জানতেন না তিনি।
ফিফার গ্লোবাল ফুটবল ডেভেলপমেন্টের প্রধান তথা আর্সেনালের প্রাক্তন কোচ আর্সেন ওয়েঙ্গারও অত্যন্ত বিরক্ত এই ঘটনায়। তিনি সোমবার একটি বিবৃতি জারি করে জানান, ফিফার থেকে নয়, সংবাদমাধ্যমের থেকে এই পরিকল্পনার ব্যাপারে জানতে পেরেছেন। ওয়েঙ্গার বলেছেন, “আমারও কিছু মতামত নেওয়ার দরকার ছিল। কোনও পরিকল্পনা করার ক্ষেত্রেই রাখা হয়নি আমাকে। সবটাই জানতে পেরেছি সংবাদমাধ্যম থেকে।
এ দিকে, এশীয় ফুটবল সংস্থার সদস্যদেশ জর্ডন জানিয়েছে, ফিফা তাদের হুমকি দিয়েছে। ফিফার প্রাক্তন সহ-সভাপতি প্রিন্স আলি বিন আল হুসেন জানিয়েছেন, জর্ডন দলের পুরস্কারমূল্য দেওয়া হচ্ছে না। গত বছরের ডিসেম্বরে আরব কাপের ফাইনালে উঠেছিল জর্ডন। সেই প্রতিযোগিতার পুরস্কারমূল্য এখনও পায়নি তারা।
সমাজমাধ্যমের একটি পোস্টে হুসেনের দাবি, ফিফার তরফে জানানো হয়েছিল, সভাপতি হিসাবে ইনফান্তিনোর পাশে থাকলে তাঁদের সংস্থাকে প্রচুর সাহায্য করা হবে। এখনও পর্যন্ত সেই সমর্থন জানায়নি জর্ডন। হুসেন জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতিতে সমর্থন জানানোর প্রশ্নই ওঠে না। তাই জোর করে তাদের পুরস্কারমূল্য আটকে রাখা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ফাইনালের পরাজিত দল হিসাবে প্রায় ৪০ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে তাদের।
হুসেন বলেছেন, ফিফা বার বার বড়াই করে বলে তাদের ভাণ্ডারে কত অর্থ রয়েছে। কিন্তু আমাদের অর্থ এখনও দেওয়া হয়নি। এটা পরিষ্কার যে ফিফার নেতৃত্বের মধ্যেই সমস্যা রয়েছে। গত কয়েক মাস ধরেই ফিফা আমাদের একেবারে সাহায্য করছে না।