স্পোর্টস ডেস্ক : এবারের বিশ্বকাপে প্রত্যাশিত সাফল্য না পাওয়ায় ২০৩০ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নতুন পরিকল্পনা শুরু করেছেন ব্রাজিলের প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তি। অভিজ্ঞদের বদলে তরুণদের নিয়ে দল গড়ার ইঙ্গিত দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, জাতীয় দলে অনেক সিনিয়র ফুটবলারের অধ্যায় শেষ হয়ে গেছে।
উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিত সর্বশেষ বিশ্বকাপে শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নেয় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট শেষ করে সেলেসাওরা। এরপরই ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় মনোযোগ দেন আনচেলত্তি। --- নিউজ২৪
পরের বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে ২০৩০ সালে। মাঝের সময়টা বেশ লম্বাই বলা যায়; তবে এখন থেকেই পরিকল্পনা সাজাতে চান আনচেলত্তি। আর তাই, আজকের খেলোয়াড়দের চার বছর পরের বয়সটা বিবেচনায় নিয়েই ভাবতে চান তিনি।
তিলি বলেন, আমার মনে হয়, এবারের বিশ্বকাপের সঙ্গে অনেক গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়ের জাতীয় দল অধ্যায় শেষ হয়ে গেছে। (তালিকাটা) নেইমারকে দিয়েই শুরু করা যায়। এছাড়া দানিলো, কাজেমিরো, বিশ্বকাপে এদের সবার বয়স ছিল ৩০ বছরের বেশি।
আনচেলত্তি বলেন, আমি বলছি না ২৬ জনের পুরো স্কোয়াড বদলে ফেলব। কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কে রাখা হবে, যেমন মার্কিনিয়োস। তারা দলে থাকলে পরিকল্পনার ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। তবে মূল লক্ষ্য হলো পরিবর্তন আনা এবং নতুন প্রজন্মকে সুযোগ দেওয়া।
ইতোমধ্যেই ৩৪ বছর বয়সী নেইমার আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। অন্যদিকে ৩৪ বছর বয়সী কাজেমিরো এবং ৩৫ বছর বয়সী দানিলো এখনো জাতীয় দল নিয়ে নিজেদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রকাশ করেননি। এরই মধ্যে কোচের এই মন্তব্য এলো।
নতুন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে তিনটি প্রীতি ম্যাচ খেলতে পারে ব্রাজিল। সেই সিরিজকে সামনে রেখে বিশ্বকাপ-পরবর্তী প্রথম স্কোয়াড গঠনের কাজ শুরু করেছেন আনচেলত্তি।
তরুণদের নিয়ে আশাবাদী ব্রাজিল কোচ বলেন, এস্তেভাও, হায়ান ও এন্দ্রিক ইতোমধ্যেই জাতীয় দলে খেলেছে, যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ভিটো হাইসের মতো আরও অনেক প্রতিভাবান ফুটবলার রয়েছে। ব্রাজিলে অনেক তরুণ খেলোয়াড় ও গোলরক্ষক আছে, যারা জাতীয় দলে খেলার যোগ্যতা ও সম্ভাবনা দেখিয়েছে।
আনচেলত্তির এই মন্তব্যে স্পষ্ট, ২০৩০ বিশ্বকাপকে লক্ষ্য করে ব্রাজিল দলে বড় ধরনের প্রজন্ম পরিবর্তনের পথে হাঁটছে সেলেসাওরা।