শিরোনাম
◈ যে কারণে কোনো অবস্থাতেই নামাজ অবহেলা করা উচিত নয় ◈ সংবিধান সংস্কার নাকি সংশোধন, বিএনপি ও জামায়াত-এনসিপি জোটের বিরোধ কোন দিকে যাবে? ◈ যুক্তরা‌স্ট্রের ইন্টার মায়া‌মি‌ ক্লা‌বে মেসির সতীর্থ হলেন ব্রা‌জি‌লের কাসেমিরো  ◈ বাংলা‌দেশ ক্রিকেট দল ১৭ বছর পর ইংল্যান্ড সফরে যাচ্ছে , টে‌স্টে লড়াই হ‌বে লর্ডসে  ◈ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে মধ্যরাতে ভিডিও বার্তায় যা বললেন নরেন্দ্র মোদি ◈ দেশের ১০ জেলায় ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির সতর্কতা ◈ সরকারের আশ্বাসে ২৬ দিন পর অনশন ভাঙলেন সোনম ওয়াংচুক ◈ সাদা মাছের আড়ালে ভারতীয় ইলিশ, বেনাপোলে আটক চালান ◈ বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানসহ ৬০ দেশের পণ্যে আজ থেকে কার্যকর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক ◈ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ২ বিএসএফ সদস্য নিহত

প্রকাশিত : ২৪ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪৮ দুপুর
আপডেট : ২৪ জুলাই, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নিট বিক্ষোভ নিয়ে এবার মুখ খুললেন শচীন টেন্ডুলকার

স্পোর্টস ডেস্ক : যন্তর মন্তরে আরশোলাদের নিট বিক্ষোভ নিয়ে এযাবৎ মুখ খুলেছেন বহু সেলেব্রিটি। এবার মুখ খুললেন ‘লিটল মাস্টার’ শচীন টেণ্ডুলকার। জানালেন, সম্মিলিতভাবে এমন পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে, যাতে আর কখনওই এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে না হয়।

এক্স হ্যান্ডলে শচীন লিখেছেন, ‘আমার বাবা একজন অধ্যাপক ছিলেন। তিনি অনেক তরুণ শিক্ষার্থীর পরামর্শদাতা ও পথপ্রদর্শক ছিলেন। তিনি শুরু থেকেই আমাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দিয়েছিলেন— ব্যর্থ হওয়াটা দোষের কিছু নয়, কিন্তু তা বলে প্রতারণা করাটা ঠিক নয়। কখনওই শর্টকাট বা সহজ পথ বেছে নেবে না। সমাজের দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে সংস্কৃতি গড়ে তোলার দায়ভার আমাদেরই।

 যে সমাজ কঠোর পরিশ্রমের চেয়ে ফলাফলকে বেশি গুরুত্ব দেয়, সেখানে যোগ্যতার চেয়ে শর্টকাট বা সহজ পথকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়। আজ শিক্ষার্থীরা যখন কঠোর পরিশ্রমের উপযুক্ত প্রতিদান না পেয়ে হতাশ হয়, তখন তাদের সেই অনুভূতিটা হওয়া খুবই স্বাভাবিক। তাই সম্মিলিতভাবে আমাদের এমন পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে যাতে তাদের আর কখনওই এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে না হয়।

এরপর তিনি লিখেছেন, ‘তরুণ ভারত স্বপ্ন ও প্রাণশক্তিতে ভরপুর। তারাই আমাদের সাফল্যের মূল চালিকাশক্তি। অভিভাবক, শিক্ষক, বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়স্বজন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা— সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষেরই বিশাল দায়িত্ব রয়েছে। আমাদের তরুণরা যাতে সর্বদা উৎসাহ ও উদ্দীপনা বজায় রাখতে পারে, তা নিশ্চিত করতে আমাদের প্রত্যেকেরই ভিন্ন ভিন্ন ভূমিকা পালন করতে হবে।

 আমাদের এমন একটি সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে যেখানে কঠোর পরিশ্রমের স্বীকৃতি মেলে, সততাকে উৎসাহিত করা হয় এবং যোগ্যতার জয় হয়। আমি নিশ্চিত যে, আমরা সবাই মিলে এমন সব সমাধান খুঁজে বের করবই যা আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎকে সুদৃঢ় করবে। এবং তাদের আকাঙ্ক্ষাগুলিকে সুরক্ষিত রাখবে। জয় হিন্দ!

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়