স্পোর্টস ডেস্ক : ফুটবল বিশ্বকাপ কি পুরোটাই সাজানো? ফিফা কি আগে থেকেই ঠিক করে নিয়েছে লিয়োনেল মেসির হাতে ট্রফি তুলে দেবে? প্রতি ম্যাচে রেফারি টেনে খেলাচ্ছে আর্জেন্টিনাকে! ভার-এর সাহায্য পাচ্ছেন মেসিরা! অভিযোগের তালিকা লম্বা। বিশ্বকাপ যত এগিয়েছে, অভিযোগ তত বেড়েছে। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে নিন্দকদের জবাব দিলেন মেসি।
মেসি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ২০২২ সালের বিশ্বকাপ থেকে চলতি বিশ্বকাপ পর্যন্ত তাঁরাই বিশ্বের সেরা দল। এটা প্রমাণিত। মেসি বলেন, “এই কথাগুলো খুব কষ্ট দেয়। গত চার বছর ধরে আমরাই বিশ্বের সেরা দল। সেটা কারও পছন্দ হোক বা না হোক। পর পর দুটো বিশ্বকাপে দেখালাম, আমরা কাকতালীয় ভাবে জিতিনি। কেউ আমাদের সুবিধা দেয়নি। পর পর দুটো বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠা সহজ নয়। এই দলটা সেটা করে দেখিয়েছে। --- আনন্দবাজার
চলতি বিশ্বকাপে বার বার কঠিন পরিস্থিতি থেকে জিতেছে আর্জেন্টিনা। তার পরেও সমালোচনা থামেনি। মেসির মতে, ইংল্যান্ডের কাছে হেরে গেলে পরিস্থিতি অন্য রকম হয়ে যেত। কিন্তু তাঁরা তা হতে দেননি। আর্জেন্টিনার অধিনায়ক বলেন, “যদি আমরা ইংল্যান্ডের কাছে হেরে যেতাম, তা হলে অনেকে অর্বাচীনের মতো কথা বলত। ওদের সেই সুযোগটাই দিইনি। আমরা জানি আমরা কতটা ভাল খেলি। তাই কে কী বলল, তাতে কিছু যায়-আসে না। কিন্তু আমার মনে হয় কিছু বলার আগে ভাবা উচিত। এমন কিছু বলা উচিত নয়, যাতে পরে আফসোস করতে হয়।
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয় দিয়েগো মারাদোনাকে উৎসর্গ করেছেন মেসি। খেলা শেষে তিনি বলেন, “আমি নিশ্চিত, দিয়েগো উপরে বসে হাসছেন। এই দিনটা ওঁর কাছেও বিশেষ দিন হয়ে রইল। ওঁকে এই আনন্দ দিতে পেরে আমরা খুশি। এই জয় ওঁকে উপহার দিলাম।
মেসি-সহ পুরো আর্জেন্টিনা দল এই প্রথম বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলল। কিন্তু ১৯৬৬, ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপের লড়াইয়ের কথা তাঁদের জানা। ফকল্যান্ড যুদ্ধ তাঁদের স্মৃতিতে। তাই পিছিয়ে পড়ার পর যে লড়াইটা আর্জেন্টিনা করেছে তা ফুটবল ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবে।
মেসি জানিয়েছেন, এই ম্যাচে হারার উপায় ছিল না। তাঁদের জিততেই হত। সেটাই করেছেন তাঁরা। মেসি বলেন, “আর্জেন্টিনার কেউ এই ম্যাচটা হারতে চায়নি। এই হার হজম করতে পারতাম না। সেটা সকলেই জানে। তাই হয়তো আনন্দ কিছুটা বেশিই হচ্ছে। আমি জানি, গোটা আর্জেন্টিনা এখন আনন্দে লাফাচ্ছে।