শিরোনাম
◈ মাদকে ভেজাল নেই, কিন্তু খাদ্যে ভেজাল, বলেছেন সংসদে জামায়াতের নারী এমপি ◈ পাহাড়ধস ঝুঁকিতে থাকা পরিবারকে নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসন করে বাড়ি নির্মাণ করবে সরকার ◈ প্রশাসনে বড় পদোন্নতি, যুগ্মসচিব হলেন ১৭৯ কর্মকর্তা ◈ ২০২৮ সালের মধ্যে ভয়াবহ গ্যাস সংকটের শঙ্কা, বন্ধ হতে পারে শত শত শিল্পকারখানা ◈ গঙ্গার পানি চুক্তি নবায়নে ভারতের ইতিবাচক পদক্ষেপের অপেক্ষায় বাংলাদেশ ◈ খামেনির জানাজার শহরে মার্কিন হামলা ◈ নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এলডিসি ইস্যুতে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন ◈ জাতীয় পরিবেশ পদক ২০২৫ পেলেন ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান, জানুন পুরস্কারজয়ী প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচয় ◈ সংস্কার অব্যাহত থাকলে অর্থনীতি হবে আরও স্থিতিশীল: এডিবি ◈ আমি প্রধানমন্ত্রীর বন্ধু নই, বিএনপির সাধারণ কর্মী: শাহে আলম (ভিডিও)

প্রকাশিত : ০৯ জুলাই, ২০২৬, ০৭:১৫ বিকাল
আপডেট : ০৯ জুলাই, ২০২৬, ০৮:৪২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভে‌নেজু‌য়েলার পঙ্গু সাংবা‌দিকের হুইলচেয়ার থামিয়ে সাক্ষাৎকার দিলেন মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক : লিওনেল মেসি শুধু মাঠের জাদুকরই নন, মাঠের বাইরেও তার আচরণ বারবার ভক্তদের মন জয় করে। সমর্থকদের প্রতি তার আন্তরিকতা নতুন কিছু নয়। ক্লাব ফুটবলে ইন্টার মিয়ামির হয়ে খেলতে গিয়ে বহুবার মাঠে ঢুকে পড়া ভক্তদের সঙ্গে ছবি তুলে তাদের আবদার পূরণ করতে দেখা গেছে তাকে। এবার ২০২৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে একই রকম মানবিকতার আরেকটি নজির গড়লেন তিনি।

আর্জেন্টিনা ও মিশরের মধ্যকার ম্যাচ শেষে মিক্সড জোনে ঘটে হৃদয়স্পর্শী একটি ঘটনা। হুইলচেয়ারে থাকা ভেনেজুয়েলার সাংবাদিক মানু গুতিয়েরেস সাক্ষাৎকার নেওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন। অন্যদের মতো তাড়াহুড়ো করে চলে না গিয়ে মেসি থেমে যান এবং ধৈর্য নিয়ে তার সব প্রশ্নের উত্তর দেন। কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করার পরও আর্জেন্টাইন অধিনায়কের এই আচরণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসা কুড়িয়েছে।

ম্যাচ শেষে নিজের ক্যারিয়ারের একের পর এক রেকর্ড নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মেসি বরাবরের মতোই বিনয়ী ছিলেন।

তিনি বলেন, "আমি আসলে এসবের হিসাব রাখিনি। ম্যাচ খেলতে খেলতেই সব হয়েছে। ঈশ্বরের কৃপায় দল এগিয়ে যাচ্ছে, লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। এই জয়ে আমরা খুবই আনন্দিত এবং লক্ষ্য পূরণ করতে পেরেছি। ম্যাচে কীভাবে খেলার মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার সুযোগ তৈরি করেছিলেন, সেটিও ব্যাখ্যা করেন তিনি।

মেসির ভাষায়, "মাঝমাঠে খেলাটা খুব কঠিন ছিল। লাউতারো মার্তিনেজ মাঠে নামার পর মাঝখানে অনেক ভিড় হয়ে গিয়েছিল। তাই আমি ডান দিকে কিছুটা ফাঁকা জায়গা খুঁজে পাই। সেখান থেকেই আমরা একটি গোল শোধ করতে সক্ষম হই।

ম্যাচ শেষে আবেগে চোখের জল ফেলার কারণ সম্পর্কেও খোলামেলা কথা বলেন আটবারের ব্যালন ডি'অরজয়ী এই তারকা।

তিনি বলেন, "আমরা যখন ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়েছিলাম, তখন পরিস্থিতি খুব কঠিন হয়ে গিয়েছিল। জানতাম ফিরে আসা সহজ হবে না। শেষ বাঁশির পর কান্নাটা ছিল সব চাপ থেকে মুক্তির অনুভূতি। আমরা বাড়ি ফিরতে চাইনি। আমরা এই প্রতিযোগিতায় আরও এগিয়ে যাওয়ার যোগ্য ছিলাম।

মেসির এই মন্তব্য ও মানবিক আচরণ যেন আরেকবার মনে করিয়ে দিল, ফুটবলের সর্বকালের অন্যতম সেরা এই তারকা শুধু নিজের পারফরম্যান্স দিয়েই নয়, ব্যক্তিত্ব ও বিনয় দিয়েও কোটি মানুষের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়