শিরোনাম
◈ মাদকে ভেজাল নেই, কিন্তু খাদ্যে ভেজাল, বলেছেন সংসদে জামায়াতের নারী এমপি ◈ পাহাড়ধস ঝুঁকিতে থাকা পরিবারকে নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসন করে বাড়ি নির্মাণ করবে সরকার ◈ প্রশাসনে বড় পদোন্নতি, যুগ্মসচিব হলেন ১৭৯ কর্মকর্তা ◈ ২০২৮ সালের মধ্যে ভয়াবহ গ্যাস সংকটের শঙ্কা, বন্ধ হতে পারে শত শত শিল্পকারখানা ◈ গঙ্গার পানি চুক্তি নবায়নে ভারতের ইতিবাচক পদক্ষেপের অপেক্ষায় বাংলাদেশ ◈ খামেনির জানাজার শহরে মার্কিন হামলা ◈ নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এলডিসি ইস্যুতে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন ◈ জাতীয় পরিবেশ পদক ২০২৫ পেলেন ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান, জানুন পুরস্কারজয়ী প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচয় ◈ সংস্কার অব্যাহত থাকলে অর্থনীতি হবে আরও স্থিতিশীল: এডিবি ◈ আমি প্রধানমন্ত্রীর বন্ধু নই, বিএনপির সাধারণ কর্মী: শাহে আলম (ভিডিও)

প্রকাশিত : ০৯ জুলাই, ২০২৬, ০৮:৩৮ রাত
আপডেট : ০৯ জুলাই, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : মনিরুল ইসলাম

পাহাড়ধস ঝুঁকিতে থাকা পরিবারকে নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসন করে বাড়ি নির্মাণ করবে সরকার

মনিরুল ইসলাম: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, প্রতিবছর পাহাড়ধসে প্রাণহানি রোধে পাহাড়ের পাদদেশ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসন করে তাদের জন্য বাড়ি নির্মাণ করবে সরকার।

তিনি এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট এলাকার সংসদ সদস্যদের সহযোগিতা চেয়েছেন। 

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে মন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি ও বান্দরবানসহ বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় পাহাড়ধসে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এ পর্যন্ত চট্টগ্রামে পাঁচজন, কক্সবাজারে ১৯ জন, রাঙামাটিতে একজন এবং বান্দরবানে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ব্যাপক ত্রাণ ও আশ্রয় কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। চট্টগ্রামে ৪১টি, কক্সবাজারে ৬৪০টি, রাঙামাটিতে ২১টি, খাগড়াছড়িতে ১৩৫টি এবং বান্দরবানে ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া মানুষের জন্য সুপেয় পানি, স্যানিটেশন, শিশুখাদ্য ও তিন বেলা খাবারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে নিয়মিত মাইকিং করা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, গত ৭ জুলাই প্রথম দফায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি জেলার জন্য ১০ লাখ টাকা জিআর নগদ সহায়তা এবং ২০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় চট্টগ্রামের জন্য অতিরিক্ত ২৫ লাখ টাকা, কক্সবাজারের জন্য ২০ লাখ টাকা এবং রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের জন্য ১০ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে চট্টগ্রামে ৩০০ মেট্রিক টন, কক্সবাজারে ২৫০ মেট্রিক টন এবং রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে ২০০ মেট্রিক টন করে অতিরিক্ত চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। 

তিনি আরও  জানান, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত জেলার জন্য ২০ লাখ টাকা করে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের সচিব ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় অবস্থান করছেন এবং জেলা ও উপজেলা প্রশাসন সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, প্রতিবছর পাহাড়ের নিচে বা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসের কারণে প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে সরকারি খাসজমি ও গৃহায়ণ মন্ত্রণালয়ের জমিতে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে পুনর্বাসন করে তাদের জন্য বাড়ি নির্মাণ করা হবে। একইসঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ে জনসচেতনতা বাড়াতে জনপ্রতিনিধিদের সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। ভবিষ্যতে পাহাড়ধসে আর কোনো প্রাণহানি না ঘটে, সে লক্ষ্য বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়