শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজে অ‌স্ট্রেলিয়া নারী দ‌লে অনিশ্চিত অধিনায়ক  ◈ বিশ্বের ১১৪ দেশের স্কুলে মোবাইল নিষিদ্ধ, বাংলাদেশে কী হবে? ◈ মালয়েশিয়ার হালাল মেলায় বড় সাফল্য, ২০ লাখ ডলারের অর্ডার পেল বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান ◈ কয়লাভিত্তিক প্রকল্পে চীনের ‘না’, ঝুলে আছে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট ◈ মুক্তিপণ থেকে প্রতিশোধ, নানামুখী কারণে বাড়ছে অপহরণ ◈ অনিশ্চিত অজিত দোভালের ঢাকা সফর ◈ বাংলাদেশের পাটপণ্যে নতুন শুল্ক বসাল ভারত, বাড়ল রপ্তানি চ্যালেঞ্জ! ◈ বিদেশে বাংলাদেশি মিশনে এমপিদের সফর-সভা নিয়ে নতুন নির্দেশনা ◈ ইথানলের উৎপাদন বাড়লেও নেই চাহিদা, ৭০০ কোটি লিটার উদ্বৃত্ত নিয়ে বিপাকে ভারত ◈ শি জিনপিং-ট্রাম্প বৈঠক: ৩০ বিলিয়ন ডলারের শুল্ক কমানোসহ ৮ সমঝোতা!

প্রকাশিত : ১০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১৬ রাত
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : মনিরুল ইসলাম

জুলাই জাদুঘরের ভাস্কর্য অপসারণে হেফাজতের দাবি, তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ

মনিরুল ইসলাম: হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ জুলাই জাদুঘরে নেতাকর্মীদের অবয়বে ভাস্কর্য স্থাপনকে কেন্দ্র করে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। সংগঠনটির দাবি, এসব ভাস্কর্য শরিয়তের বিধানের পরিপন্থী এবং আলেমদের আত্মত্যাগের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

আজ সোমবার ১০ আগস্ট এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনের আমির শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী এবং মহাসচিব আল্লামা সাজিদুর রহমান অবিলম্বে জাদুঘর থেকে সব ধরনের ভাস্কর্য অপসারণের দাবি জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, ইসলামের দৃষ্টিতে মানুষের ভাস্কর্য নির্মাণ সম্পূর্ণ হারাম ও অবৈধ। ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর পরিচয় কিংবা অবদান যত বড়ই হোক না কেন, শরিয়তের বিধান লঙ্ঘন করে এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

হেফাজত নেতারা বলেন, যারা ইসলামী আকিদা, ঈমান ও মূল্যবোধ রক্ষায় আজীবন সংগ্রাম করেছেন, তাদের স্মৃতি সংরক্ষণের নামে ভাস্কর্য নির্মাণ করা এক ধরনের ‘বৈপরীত্য ও উপহাস’। তারা অভিযোগ করেন, অতীতে ভাস্কর্য ও মূর্তি সংস্কৃতির বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে যে আলেমরা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বা জীবন দিয়েছেন, আজ তাদেরই অবয়বে ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়েছে—যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

advertisement

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন আন্দোলনে শহীদ ও অংশগ্রহণকারীদের অবদান জাতি সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করবে। তবে সেই স্মৃতিরক্ষা যেন দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতির পরিপন্থী না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়।

এছাড়া, ভাস্কর্যের পরিবর্তে ইতিহাস সংরক্ষণের জন্য দুটি বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি। প্রথমত, জাদুঘরে লিখিত ইতিহাস, প্রামাণ্য দলিল ও নথিপত্র সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা। দ্বিতীয়ত, বিভিন্ন আন্দোলন ও ত্যাগের সত্য ইতিহাস জাতীয় শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানানো হয়।

হেফাজত নেতারা আরও উল্লেখ করেন, ইসলামের ইতিহাসে মহানবী (সা.)-এর সাহাবিদের কোনো ভাস্কর্য ছিল না, তবুও তাদের আদর্শ আজও বিশ্বজুড়ে অনুসৃত হচ্ছে। তাই দ্রুত এসব ভাস্কর্য অপসারণ না করা হলে আলেম সমাজ কঠোর অবস্থান নিতে বাধ্য হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

  • সর্বশেষ