শিরোনাম
◈ চাঁদাবাজদের তালিকায় বিএনপির নেতাকর্মীদের আধিপত্য ◈ এশিয়ান গেমস ক্রিকে‌টে মালয়েশিয়াকে নিয়ে সতর্ক কোচ সালাহউদ্দিন ◈ গোপনে আবুধাবিতে নেতানিয়াহু, আরও ঘনিষ্ঠ ইসরায়েল-আমিরাত ◈ বিরাট কোহ‌লি বিশ্বকাপে যে হার এখনো ভুলতে পারেননি  ◈ ইয়াবা পাচারে বদলেছে রুট, বাড়ছে রেল-নৌ ও পাহাড়ি পথের ব্যবহার ◈ বিদেশিবিরোধী উত্তেজনায় আতঙ্কিত দক্ষিণ আফ্রিকার অভিবাসীরা ◈ আর্মব্যান্ড ছাড়াই হামজা নেতা: থমাস ডুলি ◈ তুচ্ছ ঘটনায় বারবার সংঘর্ষে ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজ ও আইডিয়াল কলেজ ◈ পাথর নিক্ষেপ ঠেকাতে কক্সবাজারগামী ট্রেনে বসছে সিসি ক্যামেরা ◈ গোয়েন্দা নথিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য: পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনা নাকচ করেনি সৌদি

প্রকাশিত : ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৮:৫৭ রাত
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় বিএনপি: নতুন সরকারের অগ্রাধিকার হতে পারে যেসব বিষয়

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। জেন–জি নেতৃত্বাধীন গণ-আন্দোলনের মাধ্যমে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর কয়েক মাসের অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে এই ফলাফল দেশকে স্থিতিশীলতার দিকে নিয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি ২০ বছর পর আবারও ক্ষমতায় ফিরছে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান। তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন—এমনটাই ব্যাপকভাবে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

দলের নির্বাচনী ইশতেহারের মূল স্লোগান ছিল, ‘সবার আগে বাংলাদেশ।’ সেখানে দেওয়া কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি নিচে তুলে ধরা হলো।

সংস্কার

advertisement

জুলাই সনদের সব দফা বাস্তবায়ন করা হবে। এর মাধ্যমে নতুন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান গঠন, দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ চালু এবং রাজনৈতিক দলগুলোর অঙ্গীকার অনুযায়ী বিস্তৃত পরিবর্তন আনা হবে।

বাণিজ্য

বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্পকারখানা আবার চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। রপ্তানি খাতকে বহুমুখীকরণ করা হবে। আইনসম্মতভাবে পরিচালিত বিদেশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো যেন নির্ধারিত মুনাফা ৩০ দিনের মধ্যে নিজ নিজ দেশে পাঠাতে পারে, সে জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কর্মসংস্থান

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে প্রায় ১০ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ন্যায্য ও মূল্য সূচকভিত্তিক মজুরি নিশ্চিত করা হবে। প্রতি দুই বছর পরপর মজুরি পর্যালোচনার ব্যবস্থা চালু করা হবে। তরুণদের কারিগরি ও ভাষাগত দক্ষতা বাড়ানো হবে। মেধাভিত্তিক সরকারি নিয়োগ নিশ্চিত করা হবে।

অর্থনীতি

আন্তর্জাতিক পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু করা হবে। আঞ্চলিক ই-কমার্স হাব গড়ে তোলা হবে। ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ উদ্যোগ জোরদার করা হবে। স্বল্প আয়ের পরিবারের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হবে। এর মাধ্যমে মাসিক ভর্তুকিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনার সুযোগ দেওয়া হবে।

স্বাস্থ্য

ধীরে ধীরে জনস্বাস্থ্যে সরকারি ব্যয় জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করা হবে। দেশজুড়ে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হবে।

সামাজিক খাত

শিক্ষার্থীদের জন্য দুপুরের খাবার বা মিড ডে মিল কর্মসূচি চালু করা হবে। স্কুলের জন্য দক্ষতা ও মূল্যবোধভিত্তিক নতুন শিক্ষা নীতি প্রণয়ন করা হবে। উন্নত ক্রীড়া অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণ সুবিধা গড়ে তোলা হবে। সব ধর্মের ধর্মীয় নেতাদের জন্য উপাসনালয়ে প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ কর্মসূচি চালু করা হবে। 

  • সর্বশেষ