জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার হিসেবে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের নিয়োগ পাওয়ার সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন। দেশে ছড়ানো নানা রকম গুজবের সমালোচনা করে তিনি বলেন, জাতিসংঘের এই দায়িত্বশীল পদের জন্য সব প্রফেশনাল শর্ত পূরণ করে নিজ যোগ্যতায় জাইমা রহমান সেখানে নিয়োগ পেয়েছেন। বরং এ কারণে তাঁকে সাধুবাদ জানানো উচিত।
আজ বুধবার বিকেলে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘করবী’ হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফরের বিভিন্ন দিক নিয়ে কথা বলার সময় এসব কথা বলেন মাহদী আমিন।
মাহদী আমিন বলেন, জাইমা রহমানের নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের ন্যূনতম কোনো সম্পৃক্ততা নেই। জাতিসংঘের রুলস, রেগুলেশন এবং প্রসিডিউরস, জাতিসংঘের যে এক্সিকিউটিভ অফিস রয়েছে তার আন্ডারে যে রিক্রুটমেন্ট প্রসিডিউরস, সেখানে ডিটেইলস ইনফরমেশন রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর এ উপদেষ্টা আরও বলেন, আরেকটি বিষয় হলো, উনি (জাইমা রহমান) নিজ মেধা যোগ্যতায় যে পজিশনে অ্যাপ্লাই করেছেন সেটি হলো ‘পি-3’ পজিশন। যেটির জন্য ন্যূনতম ৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হয়। পি ১ বা প্রফেশনাল-১ মিনিমাম এক্সপেরিয়েন্স, পি-২ বা প্রফেশনাল-২ তে অন্তত ২ বছরের অভিজ্ঞতা লাগে। আর পি-৩ বা প্রফেশনাল ৩ এর জন্য ৫ বছরের প্রফেশনাল অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হয়। এভাবে পি-৪, পি-৫ আরও লেভেল রয়েছে।’
মাহদী আমিন বলেন, বরং পূর্ববর্তী সময়ে রাজনৈতিক কারণে জাতিসংঘে পারিবারিক প্রভাব খাটানোর যে চর্চা ছিল, সে ধরনের কোনো কিছুই তিনি করছেন না।