শিরোনাম
◈ যে কারণে হিজড়া ‘গুরুমাকে’ হত্যা করা হয়, জানালেন হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকা ওই যুবক ◈ বহিষ্কৃত এমপিকে কমিটিতে রাখা নিয়ে সংসদে তর্ক-বিতর্ক, শেষমেশ নাম বাদ ◈ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক রফতানিতে কমছে দাম, বাড়ছে ব্যয় ◈ অন্তর্বর্তী সরকারের হামের টিকার ভুল দরপত্র নীতিতেই শিশুদের প্রাণহানি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ বন্ধ নয়, নিয়ন্ত্রণে জোর: অটোরিকশায় আসছে কিউআর কোড ও ডিজিটাল ট্র্যাকিং ◈ ‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নারের’ নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব সংসদে ◈ আগস্টে মূল্যস্ফীতি কমে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ ◈ এবার রৌমারীতে ডিলারের গুদাম ভেঙে সার নিয়ে গেলেন কৃষকেরা ◈ অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আবদুল জব্বার ভূঁইয়ার পদত্যাগ ◈ এবার বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য আসছে নীতিমালা

প্রকাশিত : ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৬:৫৯ বিকাল
আপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৬:৫৯ বিকাল

প্রতিবেদক : মনিরুল ইসলাম

‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নারের’ নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব সংসদে

মনিরুল ইসলাম: জাতীয় সংসদে সরকারি-বেসরকারি পাঠাগার ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থাপিত ‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নার’-এর নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মারদিয়া মমতাজ। তিনি কর্নারগুলোর নাম ‘মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই কর্নার’ করার সুপারিশ করেন। জবাবে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় জানিয়েছেন, এ সংক্রান্ত নির্দিষ্ট তালিকা দেওয়া হলে বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সম্পূরক প্রশ্নে মারদিয়া মমতাজ বলেন, পূর্ববর্তী সময়ে একটি প্রকল্পের আওতায় প্রায় সাড়ে ২২ কোটি টাকা ব্যয়ে দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি পাঠাগার ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘মুজিব কর্নার’ স্থাপন করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের আগস্টের পর এসব কর্নারের সাইনবোর্ড বা শিরোনাম অপসারণ করা হলেও অনেক জায়গায় কাঠামো আগের মতোই রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এসব লাইব্রেরিকে সংস্কারের মাধ্যমে ‘মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই কর্নার’-এ রূপান্তর করা হলে তা জনসাধারণের জন্য অধিক উপযোগী হবে। এ বিষয়ে সরকারের কোনো পরিকল্পনা রয়েছে কি না, তা জানতে চান তিনি।

জবাবে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় বলেন, দেশের জাতীয় পর্যায় থেকে গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত অসংখ্য পাবলিক লাইব্রেরি রয়েছে। সংসদ সদস্য যেসব লাইব্রেরির কথা উল্লেখ করেছেন, সেগুলোকে সরকারের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। তিনি বলেন, “মাননীয় সদস্য একটি তালিকা দিলে আমরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।”

ডিজিটাল সাংস্কৃতিক ভান্ডার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ

এদিকে একই অধিবেশনে সংসদ সদস্য ফাহমিদা হকের এক প্রশ্নের জবাবে সংস্কৃতিমন্ত্রী জানান, দেশের প্রত্নতাত্ত্বিক সম্পদ, পাণ্ডুলিপি, লোক ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক নিদর্শন সংরক্ষণে সরকার একটি জাতীয় ডিজিটাল সাংস্কৃতিক ভান্ডার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে সরকার ঘোষিত ৫৫৪টি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনার তালিকা প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া আর্কাইভ ও গ্রন্থাগার বিভাগ ২৩৯ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে, যা বর্তমানে চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

প্রকল্পটি অনুমোদিত হলে দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, ডিজিটাল আর্কাইভ গঠন এবং বিশ্বব্যাপী সহজলভ্য করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জিত হবে বলে জানান মন্ত্রী।

  • সর্বশেষ