শিরোনাম
◈ বিশ্বের নতুন মানচিত্র অনুমোদন দিলো জাতিসংঘ ◈ তিন দিনজুড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি-বজ্রপাত, কোথাও ভারী বর্ষণের আভাস ◈ নবম পে-স্কেলের গেজেট নিয়ে শেষ মুহূর্তে জটিলতা ◈ 'দেশের মানুষের কোনো উপকারে আসেনি': ভারতীয় কোম্পানিকে ব্যবসা গোটানোর নির্দেশ কেনিয়ার প্রেসিডেন্টের ◈ 'I'm Sorry Sir' লিখে চীনা ব্যবসায়ীর কোটি টাকা নিয়ে গাড়িচালক উধাও! ◈ পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ জন নিহত, চলছে তল্লাশি ◈ জলবায়ু ও যুদ্ধের ধাক্কা, বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ: জাতিসংঘ ◈ সরকার একা নয়, অংশীদারত্বে হবে চট্টগ্রামের পানি সংকটের সমাধান: অর্থমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশিসহ শতাধিক অভিবাসী আটক বসনিয়া-ক্রোয়েশিয়া সীমান্তে ◈ দুই হাজার আইফোনসহ কক্সবাজারে ৬ চীনা নাগরিক গ্রেফতার

প্রকাশিত : ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৭ রাত
আপডেট : ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৭ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নবম পে-স্কেলের গেজেট নিয়ে শেষ মুহূর্তে জটিলতা

নতুন বেতন কাঠামো বা পে-স্কেলের গেজেট আগামী রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) জারি হওয়ার কথা রয়েছে। তবে গেজেট প্রকাশের আগে শেষ মুহূর্তের কয়েকটি প্রশাসনিক ধাপ নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, পে-স্কেলের গেজেটের খসড়া এরই মধ্যে বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়ে (বিজি প্রেস) পাঠানো হয়েছে। সেখানে প্রয়োজনীয় মুদ্রণ ও আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর গেজেটটি পরবর্তী ধাপে যাবে।

প্রজ্ঞাপন জারির আগে পে-স্কেলের খসড়াটি আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। এরপর এসআরও নম্বরসহ প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে জারি করা হবে প্রজ্ঞাপন। এসব প্রক্রিয়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করা নিয়েই এখন চলছে শেষ মুহূর্তের তোড়জোড়। ফলে আগামী রোববারই প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন ও অনিশ্চয়তা।

এর আগে বৃহস্পতিবারের মধ্যে পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন প্রকাশের কথা বলা হলেও শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। পরে আগামী রোববার প্রজ্ঞাপন জারির নতুন সময়সীমা জানানো হয়।

এদিকে অর্থসচিব জানিয়েছেন, ৬ সেপ্টেম্বরই নবম জাতীয় পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। ফলে এখন নজর রয়েছে বিজি প্রেস ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর শেষ মুহূর্তের কার্যক্রমের দিকে।

নতুন স্কেলে ২০টি গ্রেড বহাল রেখে সর্বনিম্ন ২০তম গ্রেডের মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ প্রথম গ্রেডের মূল বেতন ৭৮ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে সর্বনিম্ন গ্রেডের মূল বেতন বাড়ছে প্রায় ১৪২ শতাংশ এবং সর্বোচ্চ গ্রেডে ১০০ শতাংশ।

মূল্যস্ফীতির চাপ আমলে নিয়ে বেসরকারি খাতের সবখানে, এমনকি সংবাদমাধ্যমেও নতুন বেতন কাঠামো হওয়া দরকার। আবার সরকারি খাতে অপ্রয়োজনীয় লোকবল কমিয়েও আনা যেতে পারে। এতে সরকারের ব্যয় কমবে।

নতুন কাঠামোয় সবচেয়ে বড় সুবিধা পাচ্ছেন নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীরা। ২০তম গ্রেডের মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করা হয়েছে। আর প্রথম গ্রেডের নির্ধারিত বেতন ৭৮ হাজার থেকে বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। অর্থাৎ সর্বনিম্ন গ্রেডে মূল বেতন বাড়ছে ১৪২ শতাংশ এবং সর্বোচ্চ গ্রেডে ১০০ শতাংশ। নতুন কাঠামোতে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের অনুপাতও কমিয়ে আনা হয়েছে। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দশম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। বর্তমানে এই অনুপাত ১:১.৯৪৫ থাকলেও নতুন স্কেলে তা ১:১.৭৮ করা হয়েছে। সরকারের যুক্তি, এতে বেতন কাঠামোয় ন্যায্যতা ও ভারসাম্য বাড়বে।

নতুন বেতন কাঠামো ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর ধরা হলেও পুরো সুবিধা একসঙ্গে মিলবে না। সরকারের আর্থিক সক্ষমতা এবং মূল্যস্ফীতির ওপর সম্ভাব্য চাপ বিবেচনায় ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ধাপে ধাপে তা বাস্তবায়ন করা হবে। উৎস: যুগান্তর।

 

  • সর্বশেষ