শিরোনাম
◈ দেশের তরুণরা যেন এই স্মৃতির লেখক হয়, আমরা নতুন বাংলাদেশ তৈরিতে চলে গেলাম: ড. ইউনূস ◈ জোকো‌ভি‌চের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৪ হাজার কোটি টাকা আছে,  জরিমানায় কিছু যায়-আসে না, বল‌লেন‌ টে‌নিস তারকা জ্বেরেব ◈ আইপিএলে খেলার লোভ কর‌তে গি‌য়ে বিপাকে পাকিস্তা‌নের পেসার! নিজের দেশের লিগে খেলা নিয়েই সংশয় ◈ জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধন, কাল থেকে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত ◈ আজ জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ◈ ২০৪৫ সালের মধ্যে ঢাকায় ৮ মেট্রোরেল, ৬ এক্সপ্রেসওয়ে ও ২১ পরিবহন হাবের পরিকল্পনা ◈ বাংলাদেশে গ্যাস অনুসন্ধানে আগ্রহী তুরস্কের রাষ্ট্রীয় কোম্পানি ◈ ২ লাখ ৫৬ হাজার ধর্মীয় কর্মী পাবেন সরকারি মাসিক ভাতা ◈ আবু সাঈদের বুক চিতিয়ে দাঁড়ানো থেকে হাসিনার পতন ◈ রক্তস্নাত ৩৬ জুলাই: যে দিনে বদলে যায় বাংলাদেশের ইতিহাস

প্রকাশিত : ০৫ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০১ দুপুর
আপডেট : ০৫ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৫ দুপুর

প্রতিবেদক : মনিরুল ইসলাম

দেশের তরুণরা যেন এই স্মৃতির লেখক হয়, আমরা নতুন বাংলাদেশ তৈরিতে চলে গেলাম: ড. ইউনূস

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ইতিহাসের নতুন পর্যায় সৃষ্টি করেছে। এ জাদুঘর আমাদের ইতিহাসের কেন্দ্রবিন্দু হবে। এখান থেকেই নতুন বাংলাদেশের পথ শুরু হবে। পথ হারিয়ে গেলে আমরা এখান থেকেই শুরু করব।’

বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ সব কথা বলেন। ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘দেশের তরুণরা যেন এই স্মৃতির লেখক হয়, আমরা নতুন বাংলাদেশ তৈরিতে চলে গেলাম।’

এ সময় সবাইকে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ঘুরে দেখার আহ্বান জানান অধ্যাপক ইউনূস।

তিনি এই দিনে অভ্যুত্থানে জীবন উৎসর্গকারী শহীদদের এবং যারা আহত হয়েছেন, দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন, পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, তাদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

আন্দোলনে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘জুলাই সর্বস্তরের, সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের। জুলাই স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও পাবলিক-প্রাইভেট-জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের, যারা রাজপথে নেমে এসেছিল। জুলাই শিক্ষক ও অভিভাবকদের যারা শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন।’

সংবাদকর্মী ও অন্যান্য পেশাজীবীদের ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ‘সাংবাদিক, আলোকচিত্রী, পথচারী যারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সত্যকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরেছেন। রাজনীতিবিদ, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, লেখক, শিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ তাদের কণ্ঠ আর সৃজনশীলতা দিয়ে এই গণঅভ্যুত্থানে শক্তি যুগিয়েছেন। রিকশাচালক, শ্রমজীবী মানুষ, পেশাজীবীরা যে যার জায়গা থেকে আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন। চিকিৎসকরা এই যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে চরম ঝুঁকি নিয়ে আহতের জীবন বাঁচাতে চেষ্টা করেছেন। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিরা নানা প্রান্ত থেকে সমর্থন জানিয়েছেন, আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন।’

নারী ও ছাত্র নেতৃত্বের প্রশংসা করে ড. ইউনূস বলেন, ‘জুলাইয়ে নারীরা যে অসীম সাহসিকতার সঙ্গে লড়েছিলেন, তা দেশের প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের নারীদের অনুপ্রাণিত করবে, তরুণদের সাহস জোগাবে। শিক্ষার্থীদের অনন্য নেতৃত্ব বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।’

বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান আমাদের শিখিয়েছে দেশের সর্বস্তরের মানুষ যখন ঐক্যবদ্ধ হয়, তখন তারা সবচেয়ে দুর্ভেদ্য বলে মনে হওয়া কাঠামোকেও বদলে দিতে পারে। ঐক্যবদ্ধ জাতি হিসেবে আমরা যে গণতান্ত্রিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রযাত্রা শুরু করেছি, এটা অব্যাহত রাখার জন্য আমাদের দৃঢ় সংকল্প নিতে হবে।’ 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়