শিরোনাম
◈ দেশের সব বন্দরে ২৪ ঘণ্টা সেবা চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ বাংলাদেশি হিন্দুরা অনুপ্রবেশকারী নয়, তারা শরণার্থী: শুভেন্দু ◈ বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহ, আগামী সপ্তাহে আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের ২৫ শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের ৪৫ ব্যবসায়ী ◈ সম্পত্তি লিখে দিলেও থাকবে বাবা-মায়ের অধিকার, সম্পত্তি আইনে আসছে যুগান্তকারী সংশোধন ◈ কোনো ওষুধ নেই, নেই টিকাও! পৃথিবীর বুকে হাজির আরেক ভয়ংকর মহামারি? ◈ দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ◈ ৭৫ বছর পর সৌদিতে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ, ছয় মিনিট ঢেকে থাকবে সূর্য ◈ ইনফা‌ন্তি‌নোর উদ্দে‌শ্যে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, ভুল ব্যক্তি ফিফার নেতৃত্ব দিচ্ছে, অবিলম্বে তার পদত্যাগ করা উচিত ◈ ভারতে পাচারের আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেও টিএফআই সেল এ রাখা হয়েছিল: চিফ প্রসিকিউটর (ভিডিও) ◈ রাশেদ খাঁনকে দুইবার কল দিয়ে নাসীরুদ্দীন বললেন ‘সব ফাঁস করে দেবো’

প্রকাশিত : ০১ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০২ বিকাল
আপডেট : ০১ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশসহ ৫০ দেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী ভিসা বন্ড

বাংলাদেশসহ ৫০ দেশের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবসা ও পর্যটন ভিসা পেতে সর্বোচ্চ ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত ‘ভিসা বন্ড’ বা জামানত নেওয়ার কর্মসূচি স্থায়ী করতে যাচ্ছে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর।

শুক্রবার প্রকাশিত মার্কিন ফেডারেল রেজিস্টারের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

নতুন নিয়মটি বি-১ (ব্যবসা) ও বি-২ (পর্যটন) ভিসার আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কনস্যুলার কর্মকর্তা প্রয়োজন মনে করলে ভিসা দেওয়ার শর্ত হিসেবে আবেদনকারীর কাছ থেকে সর্বোচ্চ ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত জামানত চাইতে পারবেন।

এর আগে ২০২৫ সালে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়া কর্মসূচিতে ৫ হাজার, ১০ হাজার বা সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত জামানত নেওয়ার সুযোগ ছিল। তবে নতুন বিধিমালায় ৫ হাজার ডলারের বিকল্প বাদ দেওয়া হয়েছে এবং সর্বোচ্চ জামানতের পরিমাণ বাড়িয়ে ২০ হাজার ডলার করা হয়েছে।

নতুন বিধিমালা ৩ আগস্ট ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশের মাধ্যমে কার্যকর হবে। এ কর্মসূচির আওতায় থাকা ৫০টি দেশের মধ্যে ৩০টিই আফ্রিকার। দক্ষিণ এশিয়া থেকে তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটান।

মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্রে থেকে যাওয়ার প্রবণতা কমাতেই এ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তবে অভিবাসন-অধিকারকর্মীদের মতে, এ নীতি বৈধ উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ নিরুৎসাহিত করবে। তাদের অভিযোগ, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসননীতি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার পরিপন্থী। একই সঙ্গে এটি জাতিগত সংখ্যালঘুদের জন্য অনিরাপদ পরিবেশ তৈরি করে বর্ণভিত্তিক বৈষম্যকে উৎসাহিত করতে পারে।

যদিও ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, জাতীয় নিরাপত্তা জোরদারে এসব পদক্ষেপ প্রয়োজন। অবৈধ অভিবাসন ঠেকানোর পাশাপাশি প্রশাসন বৈধ অভিবাসনের পথও কঠিন করেছে। বিভিন্ন ধরনের ভিসায় নতুন ও ব্যয়বহুল ফি আরোপের পাশাপাশি ভিসা আবেদনকারী ও যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত অভিবাসীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কার্যক্রমও নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। সূত্র: রয়টার্স

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়