শিরোনাম
◈ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে ইতিহাস গড়া বাজেট, লক্ষ্য প্রবৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা ◈ ৪৮ দলের মহারণ, আজ পর্দা উঠছে বিশ্বকাপের ◈ আমার চারটি গাড়ি আছে, চারজন ড্রাইভার আছে, খুব একটা গরীব মানুষ, না: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ বাংলা‌দে‌শের মুশ‌ফিকুর র‌হিম ও তাইজুল আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটারের দৌড়ে ◈ আইসিসি শাস্তি দি‌লো নাহিদ রানা‌কে ◈ প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে সেই সড়কের ইট তুলে নেওয়া হলো! ◈ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সই হতে পারে ১২টি চুক্তি ◈ অফিসে ঢুকে বলে, “বাপে ফোন দেয়, ধরস না কেন? বাপের সঙ্গে কথা না বলে কীভাবে ব্যবসা করিস সেটা দেখবো” ◈ ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিটে নতুন সুবিধা, শ্রমবাজার আধুনিক করছে আমিরাত

প্রকাশিত : ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর
আপডেট : ১০ জুন, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইন্টারনেট বন্ধে পলকের বক্তব্য ‘রাজনৈতিক’: ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য

ইন্টারনেট বন্ধে সাবেক তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলকের দেয়া বক্তব্য ছিলো রাজনৈতিক বলে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষী দিয়েছেন মো. ইমদাদুল হক মোল্লা নামের এক ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার। তিনি ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও পলকের বিরুদ্ধে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তৃতীয় সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দিয়েছেন। রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ তিনি এ সাক্ষ্য প্রদান করেন।

জবানবন্দিতে তিনি বলেন, ‘আমি পেশায় একজন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার। আমি অপ্টিমেক্স কমিউনিকেশন লিমিটেডের পরিচালক। আমি ২০২৫ সালের মে মাস পর্যন্ত ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আন্দোলন চলাকালে ১৮ জুলাই মহাখালী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ভবনে আগুন লাগে। ঐদিন বিকেল ৪টায় কিছু এলাকায় ইন্টারনেট সেবা ব্যাহত হয়। এরপর রাত ৯টায় সারা দেশে ইন্টারনেট পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।’

তিনি বলেন, ‘ইন্টারনেট সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে আমরা হলাম শেষ স্তর। আমাদের ওপরে আরও দু’টি স্তর ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি) এবং ইন্টারন্যাশনাল টেরিস্টোরিয়াল কোম্পানি (আইটিসি) রয়েছে।’

ইমদাদুল হক বলেন, ‘ইন্টারনেট সেবা বন্ধের বিষয়ে আইআইজিকে বললে তারা জানায়, আইটিসি আমাদের ব্যান্ডউইথ সেবা বন্ধ করে দিয়েছে। পরে আমরা বুঝতে পারি যে, সরকারের সিদ্ধান্তে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রয়েছে। পরবর্তীতে ২৩ জুলাই তৎকালীন মন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ভবনে আসেন। আমরা ইন্টারনেট সেবা চালুর অনুরোধ করলে তিনি জানান, রাতের মধ্যেই সেবা চালু হবে। পরে, মন্ত্রী সেখানে বক্তব্য দিয়ে বলেন, ডাটা সেন্টারে আগুন লাগার কারণে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রয়েছে। তখন আমরা বুঝতে পারি এটি রাজনৈতিক বক্তব্য। কারণ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ভবনে আগুন লাগলেও ডাটা সেন্টারে আগুন লাগেনি। তবে, কিছু জায়গায় অপটিক্যাল ক্যাবল পুড়ে গেলেও ইন্টারনেট সেবা বন্ধ হওয়ার কথা নয়।’

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়