শিরোনাম
◈ ভোটের মাঠে বাকযুদ্ধ, দিশেহারা ভোটাররা ◈ ই‌ত্তিহা‌দের বিরু‌দ্ধে জয় পে‌লো আল নাসর, এবা‌রো খেল‌লেন না রোনালদো ◈ আমিরাতে লটারিতে সাড়ে তিন কোটি টাকা জিতলেন বাংলাদেশি প্রবাসী আলাউদ্দিন ◈ ভারতের সংসদে বাংলাদেশ নিয়ে আলোচনা, যেসব কথা বলা হলো ◈ জামায়াতের সঙ্গে জোট সরকার গঠনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান বিএনপির ◈ ১২ তারিখেই নির্বাচন হবে, হতেই হবে: ইনকিলাব মঞ্চ ◈ বিএনপি ও জামায়াতের নির্বাচনি ইশতেহার: নতুনত্ব কি আছে? ◈ নতুন কর্মসূচির ঘোষণার কথা জানিয়ে শাহবাগ ছাড়ল ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবির আন্দোলনকারীরা ◈ তারেক রহমানকে নির্বাচনী বিতর্কে অংশ নেওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের ◈ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় উত্থান, দেশের বাজারেও উচ্চমূল্য অব্যাহত

প্রকাশিত : ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৯:০৩ সকাল
আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হোটেলের ফ্রি ওয়াই-ফাই হতে পারে বিপদের কারণ, সুরক্ষিত থাকতে মেনে চলুন ৪টি নিয়ম

ভ্রমণে গিয়ে বা কাজের প্রয়োজনে হোটেলে উঠে আমরা প্রথমেই খুঁজি ফ্রি ওয়াই-ফাই। পাসওয়ার্ড দেওয়া নেটওয়ার্ক কানেক্ট করে নিশ্চিন্তে ব্রাউজিং শুরু করলেও, এই ‘ফ্রি’ সুবিধাই হতে পারে আপনার বড় বিপদের কারণ। সাইবার বিশেষজ্ঞদের মতে, হোটেলের অসুরক্ষিত নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে হ্যাকাররা ওত পেতে থাকে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের দখল নিতে। সামান্য অসতর্কতায় আপনার স্মার্টফোন বা ল্যাপটপের নিয়ন্ত্রণ চলে যেতে পারে সাইবার অপরাধীদের হাতে।

কেন অনিরাপদ হোটেলের ওয়াই-ফাই? 

একটি হোটেলের নেটওয়ার্কে একই সাথে শত শত অতিথি যুক্ত থাকেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই নেটওয়ার্কগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্বল বা পুরনো প্রযুক্তির হয়। হ্যাকাররা সহজেই এই নেটওয়ার্কের রাউটারে ঢুকে ট্রাফিক মনিটর করতে পারে। আপনি কোন ওয়েবসাইট দেখছেন বা কোন অ্যাপে লগইন করছেন, তার সব তথ্যই তারা রিয়েল-টাইমে দেখতে পায়।

পাসওয়ার্ড থাকলেই কি নিরাপদ? অনেকেই মনে করেন পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করা মানেই নেটওয়ার্কটি সুরক্ষিত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন এটি একটি ভুল ধারণা। একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে অসংখ্য মানুষ যুক্ত থাকায় হ্যাকারদের পক্ষে আপনার ডিভাইসে ভাইরাস (Malware) ঢুকিয়ে দেওয়া বা ডেটা প্যাকেট চুরি করা অনেক সহজ হয়ে যায়। এর মাধ্যমে আপনার ব্যক্তিগত ছবি, ইমেইল এবং ব্যাংকিং পাসওয়ার্ডও বেহাত হতে পারে।

সুরক্ষিত থাকার ৪টি জরুরি উপায়:

১. ব্যাংকিং লেনদেন থেকে বিরত থাকুন: হোটেলের ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে কখনোই টাকা ট্রান্সফার বা পেমেন্ট অ্যাপ (বিকাশ, নগদ বা ব্যাংক অ্যাপ) ব্যবহার করবেন না। 

২. ভিপিএন (VPN) ব্যবহার: ইন্টারনেটে কাজ করার সময় একটি ভালো মানের ভিপিএন ব্যবহার করুন। এটি আপনার ডেটাকে এনক্রিপ্ট করে দেয়, ফলে হ্যাকাররা আপনার তথ্য পড়তে পারে না। 

৩. টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন: আপনার ইমেইল, সোশ্যাল মিডিয়া এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্টে 'টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন' (2FA) চালু রাখুন। এতে পাসওয়ার্ড চুরি হলেও কেউ সহজে লগইন করতে পারবে না।

৪. মোবাইল হটস্পট: সম্ভব হলে পাবলিক ওয়াই-ফাই এড়িয়ে নিজের ফোনের মোবাইল ডেটা বা ব্যক্তিগত হটস্পট ব্যবহার করুন। এটিই সবচেয়ে নিরাপদ বিকল্প।

মনে রাখবেন, ইন্টারনেটের দুনিয়ায় বিনামূল্যে পাওয়া সব সুযোগ নিরাপদ নয়। আপনার সামান্য সচেতনতাই পারে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি ও হয়রানি থেকে রক্ষা করতে।

সূত্র: ঢাকা মেইল 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়