শিরোনাম
◈ মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে অস্থির ডলারের বাজার, দুর্বল হচ্ছে টাকা ◈ মধ্যস্থতার চেষ্টা ব্যর্থ, ইরান যুদ্ধ থামাতে রাজি নয় ট্রাম্প ◈ বাংলাদেশে এসে বিশ্বকাপে ব্যর্থতার দায়ে বড় অঙ্কের জরিমানামুক্ত হওয়ার সুখবর পেলো পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা ◈ আঙ্কারায় বাংলাদেশ–তুরস্ক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৈঠক, সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকার ◈ হাদির হত্যাকারীদের পালাতে ‘সহায়তাকারী’ ফিলিপ সাংমাও পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার ◈ পূর্বাচল প্লটের ৬ লাখ টাকার কাঠা এখন ৭৫ লাখ: নতুন দাম নির্ধারণ করলো রাজউক ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে রাজনীতিতে ফেরার পথ খুঁজছে কার্যক্রম নিষেধাজ্ঞার মুখে থাকা আওয়ামীলীগ ◈ উন্নত চিকিৎসায় মির্জা আব্বাসকে কাল  সিঙ্গাপুর নেওয়া হবে, মস্তিষ্কের সিটি স্ক্যান রিপোর্ট ভালো এসেছে ◈ ঈদের আগে-পরে ১২ দিন ২৪ ঘণ্টা তেলের পাম্প খোলা থাকবে ◈ ছুটিতে আসা প্রবাসীদের এন্ট্রি ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধি সংক্রান্ত গণবিজ্ঞপ্তি

প্রকাশিত : ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৮:১২ সকাল
আপডেট : ০৮ মার্চ, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৪০-এর পরেই বাড়ে প্রোস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি, লক্ষণ কী কী?

আপনার বয়স ৪০ পেরোলেই আপনাকে অনেক বেশি সচেতন থাকতে হবে। এ বয়সের পরেই প্রোস্টেটে ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। এ ছাড়া আরও অনেক রকম সমস্যা তৈরি হতে পারে। তাই বয়স অনুযায়ী লক্ষণ চিনে সতর্ক থাকা উচিত। কারণ পুরুষের ক্ষেত্রে প্রোস্টেটের সমস্যা অত্যন্ত সাধারণ একটি বিষয়। বিশেষ করে বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এই সমস্যা আরও বেড়ে যায়। 

তবে এখন কম বয়সেও প্রোস্টেটের নানারকম সংক্রমণ রোগ সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক সময়ে লক্ষণ দেখা দিলেও তা এড়িয়েই চলেন কেউ কেউ। এর ফলে সংক্রমণ বাড়তে থাকে। পরে গিয়ে যা প্রস্টেট ক্যানসারের রূপ নিতে পারে। আর প্রোস্টেটের সমস্যা তিন ধরনের হতে পারে— ১. প্রোস্টেট গ্রন্থির বৃদ্ধি। ২. প্রস্টেটাইটিস এবং ৩. প্রস্টেট ক্যানসার।  

পুরুষ যে কোনো বয়সেই প্রোস্টেটের সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারেন। তবে বয়স ৫০-এর কোঠা পেরোলে প্রোস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যায়। সে কারণে এই রোগের লক্ষণগুলোর ব্যাপারে জেনে রাখা উচিত। আর লক্ষণ জানা থাকলে রোগ চিনতে অনেকটা সুবিধা হয়।

আর প্রোস্টেটের অসুখ সন্দেহ হলে কিছু পরীক্ষা করিয়েও নিতে পারেন। পিএসএ অর্থাৎ প্রস্টেট স্পেসিফিক অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করানো প্রয়োজন। এরপর যে পরীক্ষাটি করাতে হবে তা হলো আলট্রা সোনোগ্রাফি (ইউএসজি)। এ পরীক্ষায় প্রস্টেটের মাপ বোঝা যাবে— প্রস্টেটটি বড় হয়েছে কিনা। যদি দেখা যায় প্রস্টেটটি অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে গেছে, তাহলে পরের ধাপে হিস্টোপ্যাথোলজিক্যাল পরীক্ষা শুরু করা উচিত। কারণ চল্লিশের পর কোলোনোস্কোপি করিয়ে রাখা খুবই জরুরি। অ্যাবডোমিন্যাল আলট্রাসাউন্ড পরীক্ষাতেও প্রস্টেট গ্ল্যান্ডের অস্বাভাবিকতা ধরা পড়ে।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন বয়সে কেমন লক্ষণ দেখা দিতে পারে—

২৫ থেকে ৪০ বছর বয়সে মাঝেমধ্যেই জ্বর আসবে। প্রস্রাবের সময় তীব্র জ্বালাযন্ত্রণা করবে, তলপেটে প্রচণ্ড ব্যথা হবে এবং প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত বের হওয়ার লক্ষণ দেখা দেবে।

আর ৪০ থেকে ৬০ বছর বয়সে প্রস্রাবের বেগ যখন-তখন আসবে। এটি অনেকেই ডায়াবেটিস ভেবে ভুল করবেন। সেই সঙ্গে প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া হবে। মূত্রনালিতে মাঝেমধ্যেই সংক্রমণ দেখা দেবে।

৬০ বছরের ঊর্ধ্ব বয়সে মূত্রথলিতে পাথর হওয়ার লক্ষণ দেখা দিতে পারে। প্রস্রাবের সময় জ্বালা ও ব্যথা হতে পারে। রাতে বারবার প্রস্রাবের বেগ পেতে পারে। প্রবল বেগে প্রস্রাব পেলেও শুরু হতে দেরি হবে এবং ধারা ক্ষীণ হয়ে পড়বে। সেই সঙ্গে প্রস্রাবে রক্তও বের হতে পারে, যা একে বলে হিমাচ্যুরিয়া বলে থাকে। আর কোমর ও তলপেটে অস্বাভাবিক ব্যথা হবে।

সূত্র: যুগান্তর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়