শিরোনাম
◈ আমিরাতে লটারিতে সাড়ে তিন কোটি টাকা জিতলেন বাংলাদেশি প্রবাসী আলাউদ্দিন ◈ ভারতের সংসদে বাংলাদেশ নিয়ে আলোচনা, যেসব কথা বলা হলো ◈ জামায়াতের সঙ্গে জোট সরকার গঠনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান বিএনপির ◈ ১২ তারিখেই নির্বাচন হবে, হতেই হবে: ইনকিলাব মঞ্চ ◈ বিএনপি ও জামায়াতের নির্বাচনি ইশতেহার: নতুনত্ব কি আছে? ◈ নতুন কর্মসূচির ঘোষণার কথা জানিয়ে শাহবাগ ছাড়ল ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবির আন্দোলনকারীরা ◈ তারেক রহমানকে নির্বাচনী বিতর্কে অংশ নেওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের ◈ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় উত্থান, দেশের বাজারেও উচ্চমূল্য অব্যাহত ◈ সোহান ঝ‌ড়ে ধুম‌কেতুর বিরু‌দ্ধে দুর্বার একাদ‌শের জয় ◈ ব্রিটেনে বসবাসরত বাংলাদেশি ভোটাররা কি দেশের নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারেন?

প্রকাশিত : ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৮:১২ সকাল
আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৪০-এর পরেই বাড়ে প্রোস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি, লক্ষণ কী কী?

আপনার বয়স ৪০ পেরোলেই আপনাকে অনেক বেশি সচেতন থাকতে হবে। এ বয়সের পরেই প্রোস্টেটে ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। এ ছাড়া আরও অনেক রকম সমস্যা তৈরি হতে পারে। তাই বয়স অনুযায়ী লক্ষণ চিনে সতর্ক থাকা উচিত। কারণ পুরুষের ক্ষেত্রে প্রোস্টেটের সমস্যা অত্যন্ত সাধারণ একটি বিষয়। বিশেষ করে বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এই সমস্যা আরও বেড়ে যায়। 

তবে এখন কম বয়সেও প্রোস্টেটের নানারকম সংক্রমণ রোগ সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক সময়ে লক্ষণ দেখা দিলেও তা এড়িয়েই চলেন কেউ কেউ। এর ফলে সংক্রমণ বাড়তে থাকে। পরে গিয়ে যা প্রস্টেট ক্যানসারের রূপ নিতে পারে। আর প্রোস্টেটের সমস্যা তিন ধরনের হতে পারে— ১. প্রোস্টেট গ্রন্থির বৃদ্ধি। ২. প্রস্টেটাইটিস এবং ৩. প্রস্টেট ক্যানসার।  

পুরুষ যে কোনো বয়সেই প্রোস্টেটের সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারেন। তবে বয়স ৫০-এর কোঠা পেরোলে প্রোস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যায়। সে কারণে এই রোগের লক্ষণগুলোর ব্যাপারে জেনে রাখা উচিত। আর লক্ষণ জানা থাকলে রোগ চিনতে অনেকটা সুবিধা হয়।

আর প্রোস্টেটের অসুখ সন্দেহ হলে কিছু পরীক্ষা করিয়েও নিতে পারেন। পিএসএ অর্থাৎ প্রস্টেট স্পেসিফিক অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করানো প্রয়োজন। এরপর যে পরীক্ষাটি করাতে হবে তা হলো আলট্রা সোনোগ্রাফি (ইউএসজি)। এ পরীক্ষায় প্রস্টেটের মাপ বোঝা যাবে— প্রস্টেটটি বড় হয়েছে কিনা। যদি দেখা যায় প্রস্টেটটি অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে গেছে, তাহলে পরের ধাপে হিস্টোপ্যাথোলজিক্যাল পরীক্ষা শুরু করা উচিত। কারণ চল্লিশের পর কোলোনোস্কোপি করিয়ে রাখা খুবই জরুরি। অ্যাবডোমিন্যাল আলট্রাসাউন্ড পরীক্ষাতেও প্রস্টেট গ্ল্যান্ডের অস্বাভাবিকতা ধরা পড়ে।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন বয়সে কেমন লক্ষণ দেখা দিতে পারে—

২৫ থেকে ৪০ বছর বয়সে মাঝেমধ্যেই জ্বর আসবে। প্রস্রাবের সময় তীব্র জ্বালাযন্ত্রণা করবে, তলপেটে প্রচণ্ড ব্যথা হবে এবং প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত বের হওয়ার লক্ষণ দেখা দেবে।

আর ৪০ থেকে ৬০ বছর বয়সে প্রস্রাবের বেগ যখন-তখন আসবে। এটি অনেকেই ডায়াবেটিস ভেবে ভুল করবেন। সেই সঙ্গে প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া হবে। মূত্রনালিতে মাঝেমধ্যেই সংক্রমণ দেখা দেবে।

৬০ বছরের ঊর্ধ্ব বয়সে মূত্রথলিতে পাথর হওয়ার লক্ষণ দেখা দিতে পারে। প্রস্রাবের সময় জ্বালা ও ব্যথা হতে পারে। রাতে বারবার প্রস্রাবের বেগ পেতে পারে। প্রবল বেগে প্রস্রাব পেলেও শুরু হতে দেরি হবে এবং ধারা ক্ষীণ হয়ে পড়বে। সেই সঙ্গে প্রস্রাবে রক্তও বের হতে পারে, যা একে বলে হিমাচ্যুরিয়া বলে থাকে। আর কোমর ও তলপেটে অস্বাভাবিক ব্যথা হবে।

সূত্র: যুগান্তর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়