স্পোর্টস ডেস্ক : অদম্য টি-টোয়েন্টি কাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ধুমকেতু একাদশকে ২ উইকেটের ব্যবধানে হারিয়েছে দুর্বার একাদশ। নাজমুল হোসেন শান্তর দলের কাছে হেরে লিটন দাসদের ফাইনালে ওঠা নিয়ে তৈরী হয়েছে শঙ্কা। শনিবার দুর্বার ও দুরন্তর ম্যাচের পর জানা যাবে কোন দুটি দল যাবে ফাইনালে।
আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৬ রান তোলে ধুমকেতু। জবাবে ব্যাট করতে নেমে বিপদে পড়লেও নুরুল হাসান সোহানের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ২ উইকেটের জয় পায় দুর্বার।
মিরপুর শের-ই-বাংলায় এদিন টস জিতে আগে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন নাজমুল হোসেন শান্ত। প্রথম ওভারেই তানজিদ হাসান তামিমকে ফিরিয়ে দলকে ব্রেক থ্রু এনে দেন হাসান মাহমুদ। তবে আরেক ওপেনার সাইফ হাসান খেলেছেন ২০ বলে ২টি করে বাউন্ডারি ও ছক্কায় ২৮ রানের ইনিংস।
তিনে নামা লিটন দাস এদিনও রান পেয়েছেন। শুরু থেকেই দেখেশুনে খেলেছেন তিনি। দলের প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাটিং করেছেন এলকেডি। ৩৭ বলে তার ব্যাট থেকে এসেছে ৪৩ রান। যা ধুমকেতু একাদশের হয়ে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান।
শেষের দিকে ২৭ বলে ২ ছক্কায় ৩১ রান করে অপরাজিত ছিলেন মাহেদী হাসান। এছাড়াও ৮ বলে ১৭ রানের ক্যামিও খেলেছেন শামীম হোসেন পাটোয়ারী।
দুর্বার একাদশের হয়ে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন হাসান মাহমুদ ও তানভীর ইসলাম।
রান তাড়ায় শুরুটা ভালো করতে পারেনি দুর্বার। ৭ বলে ২ রান করে ফেরেন অধিনায়ক শান্ত। ঝড়ো শুরুর আভাস দেওয়া হাবিবুর রহমান সোহানও ঝড়ো ব্যাটিংয়ের ইঙ্গিত দিয়ে ফিরেছেন। প্যাভিলিয়নে ফেরার আগে ৯ বলে ৪ বাউন্ডারিতে করেছেন ১৭ রান।
মাহমুদুল হাসান জয় ও আফিফ হোসেন টি-টোয়েন্টি সুলভ ব্যাটিং করতে পারেননি। জয় ২০ বলে করেছেন ১৩ রান, আর আফিফের ব্যাট থেকে এসেছে ৪ বলে ১ রান।
তবে চেষ্টা করেছেন নুরুল হাসান সোহান। তাকে কেউ সেভাবে সঙ্গ দিতে না পারলেও অবিশ্বাস্য ব্যাটিং করে দুর্বারকে জিতিয়েছেন উইকেট কিপার এ ব্যাটার। শেষ ওভারে রান আউট হওয়ার আগে ৪৪ বলে খেলেছেন ৭৬ রানের ইনিংস। ধুমকেতুর হয়ে ৪ ওভারে ১১ রান দিয়ে ৪টি উইকেট নিয়েছেন শেখ মাহেদী হাসান।