শিরোনাম
◈ ফের রণক্ষেত্র শাহবাগ, পুলিশের লাঠিচার্জে ছত্রভঙ্গ আন্দোলনকারীরা ◈ মালয়েশিয়া ছাড়ছে অবৈধ অভিবাসীরা, শীর্ষে বাংলাদেশিরা ◈ বাংলা‌দেশবী‌হিন বিশ্বকাপের পর্দা উঠ‌ছে শ‌নিবার, জমকা‌লো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যা থাকছে ◈ কর্মস্থলে ডে-কেয়ার ও ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপনের প্রতিশ্রুতি বিএনপির ◈ যমুনার সামনে সংঘর্ষের সময় ‘গুলি ছোড়া হয়নি’, দাবি প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের ◈ উন্নত দেশের সঙ্গে প্রথম পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক চুক্তিতে বাংলাদেশ ◈ জুলাই সনদ জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: তারেক রহমান ◈ ‘উই হ্যাভ আ প্ল্যান’ যে কারণে বলেছিলেন তারেক রহমান ◈ ত্রয়োদশ নির্বাচনে বিএনপির ইশতেহার ঘোষণা: নয় দফা প্রতিশ্রুতি, পাঁচ ভাগে পরিকল্পনা ◈ ইনকিলাব মঞ্চের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, জাবের-জুমা-আম্মারসহ আহত অনেকে

প্রকাশিত : ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৬:৪১ বিকাল
আপডেট : ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মাথার নির্দিষ্ট অংশ থেকে গোছা গোছা চুল পড়ার কারণ কি?

স্বাভাবিক নিয়মেই প্রতিদিন আমাদের কিছু চুল পড়ে। কিন্তু মাথার কোনো নির্দিষ্ট অংশ থেকে হঠাৎ করে গোছা গোছা চুল উঠে আসা স্বাভাবিক নয়। এই সমস্যার কারণ কী—তা জানতেই অনুসন্ধান করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন ঢাকার হলি ফ্যামিলি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চর্মরোগ বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আফজালুল করিম। 

চুল পড়ার কারণ 

সাধারণভাবে বলা যায়, চুল পড়ার তিন রকম কারণ থাকে। একটি হল জিনগত। এক্ষেত্রে ৩০ বছর বয়স হয়ে যাওয়ার পর চুল পড়তে শুরু করে। জিনগত কারণে পুরুষের ক্ষেত্রে মাথার কিছু অংশের চুল পুরোপুরি পড়ে যায়, অর্থাৎ টাক পড়ে যায়। জিনগত কারণে নারীরও চুল পাতলা হয়ে যেতে পারে। জিনগত কারণে চুল পড়ে গেলে প্রাকৃতিকভাবে সেখানে আর নতুন চুল গজানো সম্ভব নয়। 

চুল পড়ার আরেক কারণ পুষ্টিহীনতা, মারাত্মক রক্তশূন্যতা কিংবা প্রচণ্ড জ্বরের মতো বিষয়। তবে এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো জায়গার চুল গোছা গোছা হয়ে পড়তে থাকে না, পুরো মাথার চুলের ঘনত্বই কমতে থাকে। যে কারণে চুল পড়ছে, ওই সমস্যার সমাধান হয়ে গেলেই আবার আগের মতো চুল গজায়। 

তবে তৃতীয় যে ধরনের কারণে চুল পড়ে, সেটি থেকে স্বাভাবিক অবস্থায় আসতে চুল পড়ার সমস্যাটির চিকিৎসা করাতে হয়। এক্ষেত্রে গোছা গোছা চুল পড়ে গিয়ে মাথার নির্দিষ্ট কিছু অংশ ফাঁকা হয়ে যেতে থাকে। সমস্যাটি ছত্রাক সংক্রমণে হতে পারে কিংবা এটি হতে পারে অ্যালোপেসিয়া এরিয়াটা নামক রোগে। যেকোনো বয়সী নারী বা পুরুষের এমন সমস্যা হতে পারে। 

অ্যালোপেসিয়া এরিয়াটা কী 

অ্যালোপেসিয়া এরিয়াটা একধরনের অটোইমিউন রোগ। এ ধরনের রোগে দেহের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা নিজের দেহের কিছু কোষের বিরুদ্ধেই কাজ করতে শুরু করে। আক্রমণ করে বসে নিজের দেহের কিছু কোষকেই।

অ্যালোপেসিয়া এরিয়াটা রোগটি হওয়ার নির্দিষ্ট কোনো কারণ নেই। অনেকে একে টাক পোকা বলে থাকেন। তবে এর সঙ্গে কোনো পোকা বা জীবাণুর সংশ্লিষ্টতা নেই। 

ছত্রাক সংক্রমণ নাকি অ্যালোপেসিয়া এরিয়াটা

ছত্রাক সংক্রমণ ও অ্যালোপেসিয়া এরিয়াটা—দুই ক্ষেত্রেই গোছা গোছা চুল পড়ে মাথার নির্দিষ্ট অংশ ফাঁকা হয়ে যেতে থাকে। তবে উপসর্গে কিছুটা পার্থক্য থাকে। ছত্রাক সংক্রমণে গোছা গোছা চুল পড়লেও মাথার ওই অংশ পুরোপুরি ফাঁকা হয়ে যায় না, কিছু চুল রয়ে যায়। তবে জায়গাটা বেশ চুলকায়। ছত্রাক সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে অন্যদের মধ্যেও।  

অ্যালোপেসিয়া এরিয়াটার ক্ষেত্রে আবার চুল পড়ে যাওয়ার কারণে ওই নির্দিষ্ট অংশ একেবারে ফাঁকা হয়ে যায়। এক্ষেত্রে চুলকানি থাকে না। অ্যালোপেসিয়া এরিয়াটা ছোঁয়াচে রোগ নয়। 

কী করবেন 

গোছা গোছা চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ছত্রাক সংক্রমণ কিংবা অ্যালোপেসিয়া এরিয়াটা, যে কারণেই চুল পড়ুক না কেন, চিকিৎসায় তা পুরোপুরি সেরে যায়। চিকিৎসক আপনার অবস্থা বুঝে চিকিৎসাপদ্ধতি নির্ধারণ করবেন। কারণ না জেনে নিজে থেকে যেকোনো চিকিৎসাপদ্ধতি প্রয়োগ করলে হিতে বিপরীত হতে পারে। 

সূত্র: যুগান্তর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়