শিরোনাম
◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে ◈ আফগান লিগে নাম লেখালেন তাসকিন

প্রকাশিত : ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৮:১১ রাত
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মালয়েশিয়া ছাড়ছে অবৈধ অভিবাসীরা, শীর্ষে বাংলাদেশিরা

মালয়েশিয়া সরকারের অভিবাসী প্রত্যাবাসন কর্মসূচিতে ব্যাপক সাড়া মিলেছে। এ পর্যন্ত এক লাখ ৫৫ হাজারের বেশি বিদেশি নাগরিক স্বেচ্ছায় এতে নিবন্ধন করেছেন। তাদের মধ্যে এক লাখ ৩৮ হাজারেরও বেশি অভিবাসী ইতোমধ্যে নিজ দেশে ফিরে গেছেন।

অবৈধ অভিবাসীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর এ কার্যক্রমে দেশটি আর্থিকভাবেও লাভবান হচ্ছে। ইমিগ্রেশন বিভাগের উপ-মহাপরিচালক (অপারেশনস) দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি জানান, এ কর্মসূচির মাধ্যমে ইতোমধ্যে জরিমানা ও কম্পাউন্ড বাবদ সরকার ৭৭ মিলিয়ন রিঙ্গিতের বেশি রাজস্ব আদায় করেছে।

advertisement

তিনি বলেন, কর্মসূচিতে সবচেয়ে বেশি অংশগ্রহণ করেছেন বাংলাদেশি নাগরিকরা। দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিকরা। বাংলাদেশিরা নিবন্ধনের তালিকায় শীর্ষে থাকলেও তাদের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি।

গত বছর চালু হওয়া স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের এ উদ্যোগ অবৈধভাবে অবস্থানরত বিদেশিদের জন্য বড় সুযোগ তৈরি করেছে। অনেকেই মামলা ছাড়াই সম্মানজনকভাবে নিজ দেশে ফেরার পথ বেছে নিচ্ছেন।

advertisement

আগামী এপ্রিল পর্যন্ত কর্মসূচিটি চালু থাকবে জানিয়ে দাতুক লোকমান বলেন, যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়েছে বা বৈধ কাগজপত্র নেই, তারা শেষ সময়ের আগেই এ সুযোগ কাজে লাগান।

তিনি সতর্ক করে বলেন, কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর অবৈধভাবে অবস্থানকারীদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন আইনে কঠোর অভিযান চালানো হবে।

advertisement

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে—শেষ সময় ঘনিয়ে এলে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের হার দ্রুত বেড়ে যায়। তাই সামনের সপ্তাহগুলোতে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

২০২৫ সালের ১৯ মে শুরু হওয়া এ কর্মসূচির মেয়াদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তে পেনিনসুলার মালয়েশিয়া ও ফেডারেল অঞ্চল লাবুয়ানের জন্য চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

এই স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের কর্মসূচির আওতায় অবৈধ অভিবাসীরা মামলা ছাড়াই দেশে ফিরতে পারছেন। তবে অপরাধভেদে ৫০০ রিঙ্গিত ও ৩০০ রিঙ্গিত হারে কম্পাউন্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতি স্পেশাল পাসের জন্য ২০ রিঙ্গিত ফি পরিশোধ করতে হচ্ছে।

 

  • সর্বশেষ