শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:৫৮ রাত
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কোরআনে বর্ণিত নূহ (আ.) এর নৌকা খুঁজে পাওয়ার দাবি! (ভিডিও)

তুরস্কের আরারাত পর্বতের কাছে সম্প্রতি আবিষ্কৃত হয়েছে নৌকার মতো এক বিশাল কাঠামো। ধারণা করা হচ্ছে, এটিই হতে পারে হজরত নূহ (আ.)-এর সেই ঐতিহাসিক নৌকা—যার মাধ্যমে মহান আল্লাহ বিশ্বাসীদেরকে মহাপ্লাবণ থেকে রক্ষা করেছিলেন।

হজরত নূহ (আ.) ইসলামী ইতিহাসে একজন গুরুত্বপূর্ণ নবী। ধারণা করা হয়, প্রায় ৫৫০০ বছর আগে তিনি পৃথিবীতে আগমন করেন এবং টানা ৯৫০ বছর মানুষকে আল্লাহর পথে আহ্বান করেন। কিন্তু তাঁর অনুসারী হয় হাতে গোনা কিছু মানুষ, এমনকি তাঁর নিজের সন্তানও অবিশ্বাসীদের দলে ছিল।

advertisement

পরবর্তীতে মহান আল্লাহ অবিশ্বাসীদের ওপর নেমে আনেন ভয়াবহ এক মহাপ্লাবণ, যা টানা ৪০ দিন স্থায়ী ছিল। আল্লাহর নির্দেশেই নূহ (আ.) তৈরি করেন এক বিশাল নৌকা, যাতে জোড়ায় জোড়ায় সব প্রাণী এবং ঈমানদারদের তোলা হয়। পানি নেমে যাওয়ার পর সেই নৌকাটি থামে এক পর্বতের চূড়ায়—যা কোরআনে ‘জুদি’ পর্বত নামে পরিচিত।

১৯৫৯ সালে তুর্কি সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন ইলহান দুরপিনার একটি বিমান অভিযানের সময় আরারাত পর্বতের দক্ষিণে অদ্ভুত আকৃতির এক বস্তু দেখতে পান। সেটির ছবি নিয়ে গবেষণা শুরু হলে, অনেকে ধারণা করেন এটাই সেই নূহ (আ.)-এর নৌকার ফসিল।

advertisement

এই বস্তুটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬৫০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত, যা জাহাজের অবস্থানের জন্য অত্যন্ত অস্বাভাবিক। তাই বিজ্ঞানীরা এ বিষয়ে নানা গবেষণা শুরু করেন। পাশাপাশি খ্রিস্টান ও মুসলিম বিশ্বে শুরু হয় চাঞ্চল্য।

১৯৯৭ সালে বিজ্ঞানীরা কৃষ্ণসাগরের তীরে মিঠা পানির প্রাণীর জীবাশ্ম খুঁজে পান। এতে ধারণা করা হয়, হয়তো একসময় কৃষ্ণসাগর ছিল মিঠা পানির লেক, যা হঠাৎ করে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে প্লাবিত হয়।

advertisement

এছাড়াও ১৯৮৫ সালে আবিষ্কৃত হয় ৪০০০ বছর আগের একটি মাটির ফলক, যাতে লেখা ছিল মহাকাব্য গিলগামেশ। এতে বলা হয়, উটনাপিশটিম নামের এক ব্যক্তি একটি বিশাল নৌকা তৈরি করে প্রাণীদের জোড়ায় জোড়ায় তুলে প্লাবণ থেকে বাঁচান। এই কাহিনী কোরআনে বর্ণিত নূহ (আ.)-এর কাহিনীর সঙ্গে অদ্ভুত রকম মিল খুঁজে পায় গবেষকরা।

যদিও এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি যে তুরস্কে পাওয়া কাঠামোটিই নূহ (আ.)-এর নৌকা, তবে বিষয়টি নিয়ে বিস্তর গবেষণা চলছে। অনেকেই মনে করছেন, মানব ইতিহাসের এই অন্যতম রহস্য হয়তো অদূর ভবিষ্যতেই উদঘাটিত হতে যাচ্ছে।

  • সর্বশেষ