শিরোনাম
◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে ◈ আফগান লিগে নাম লেখালেন তাসকিন ◈ ইউপি নির্বাচনে ইসির নতুন বিধান, জামানত বাড়ল পাঁচ গুণ ◈ বিদ্যুতায়নে বছরে কোটি কোটি ডলারের জ্বালানি আমদানি ব্যয় কমানোর সুযোগ বাংলাদেশের : আইইএর প্রতিবেদন ◈ ১১টি বোয়িং বিমান কেনার চুক্তি চূড়ান্তের পথে, এয়ারবাস নিয়ে ফ্রান্সের চাপ ◈ ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ, বাতিল ১০৩ অনাপত্তি সনদ ◈ ঢাকার আশপাশের বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নে বাংলাদেশকে ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি ◈ জ্বালানি তেলের পর এবার বাড়ল লঞ্চ ভাড়া, কিলোমিটারে সর্বোচ্চ ২৩ পয়সা ◈ জ্যাকসের ঝড়ে লঙ্কা বিধ্বস্ত

প্রকাশিত : ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৬:৫৮ বিকাল
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পবিত্র দিনে বিশেষ বার্তা আজহারীর

হিজরি ১৪৪৭ সালের ১২ রবিউল আউয়াল আজ। দেশজুড়ে যথাযথ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। 

আরব সমাজের ‘আইয়ামে জাহেলিয়া’ বা অন্ধকার যুগ থেকে মানবকুলের মুক্তি ও আলোর পথ দেখাতে মহান আল্লাহ তা’আলা আজকের দিনেই রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে পৃথিবীতে শেষ নবী ও রাসূল হিসেবে পাঠান। যার জীবনাদর্শই (সুন্নাহ) পরবর্তীতে হয়ে ওঠে ইসলামের মূল ভিত্তি, মুসলিম উম্মাহর পাথেয়।

advertisement

৫৭০ খ্রিষ্টাব্দের এ দিনে মানবজাতির রহমত স্বরূপ মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আরবের মক্কা নগরের সম্ভ্রান্ত কুরাইশ বংশের আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল মুত্তালিবের ঘরে, মা আমিনার কোলে জন্ম নেন। প্রতি হিজরি বর্ষের তৃতীয় মাস ‘রবিউল আউয়ালের’ ১২ তারিখটি তাই মুসলমানদের ঘরে ঘরে নবী মুহাম্মদের জন্মক্ষণকে পবিত্র দিন হিসেবে পালন করা হয়।

এদিনে মুসলিম উম্মাহকে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেছেন, মুসলিম উম্মাহ ভয়াবহ সময় পার করছে। এ সংকট থেকে উত্তরণের জন্য প্রিয় নবীর জীবনাদর্শ অনুসরণ করতে হবে।

advertisement

ফেসবুক পোস্টে মিজানুর রহমান আজহারী লেখেন, মুসলিম উম্মাহ স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ সময়টুকু পার করছে। নৈতিক অবক্ষয়, শিক্ষা ও সাহিত্যে অনগ্রসরতা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত পশ্চাদপসরণ, অপসংস্কৃতির আধিপত্য ও অর্থনৈতিক অসমতা সর্বোপরি আধুনিকায়নের মোড়কে নিজেদের স্বকীয়তা ও আপন আত্মমর্যাদাবোধও খুইয়ে বসেছে। 

জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা লেখেন, মতাদর্শিক বিভেদ, ইন্টারনেট কেন্দ্রিক জীবনযাপন এবং অবাধ ভোগবিলাসের অসুস্থ প্রতিযোগিতার ফলে তারা নিজেদের আত্মপরিচয় প্রায় ভুলতে বসেছে। 

advertisement

কারণটা দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট— নৈতিক শিক্ষার অভাব অর্থাৎ, প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম এর সুমহান আরশচুম্বী জীবনাদর্শ থেকে শিক্ষাগ্রহণ না করা। অথচ আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন— “রাসূল (ﷺ) -এর মধ্যে তোমাদের জন্য রয়েছে উত্তম আদর্শ।” [আহযাব : ২১]

তিনি লেখেন, জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে এ কথা সুবিদিত যে, রাসূল (ﷺ) শুধু একজন নবী নন, বরং তিনি ছিলেন একাধারে দক্ষ সমাজসেবক, মহান সংস্কারক, সর্বোত্তম স্বামী, আদর্শবান নেতা এবং বিশ্বস্ত বন্ধু। আল্লাহ তাআলা নিজেই রাসূল (ﷺ) -এর চারিত্রিক উৎকৃষ্টতার সাক্ষ্য দিয়েছেন— “নিশ্চয়ই আপনি মহান চরিত্রে অধিষ্ঠিত আছেন।” [সূরা আল-কলম : ৪]

সুতরাং, রাসূল (ﷺ) -এর জীবনী অধ্যয়ন করে প্রকৃত শিক্ষা অর্জন করতে পারলে খুব সহজেই জাতিকে সার্বিক ক্ষতি ও সামগ্রিক অবক্ষয় থেকে মুক্তি দেয়া সম্ভব। 

অতএব, ব্যক্তিজীবনে সিরাতচর্চার পাশাপাশি সমাজের প্রতিটি পরতে সিরাতের দীপ্যমান আলোকবিভা ছড়িয়ে দেয়ার বিকল্প নেই। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই Hasanah Foundation এর সিরাত নিয়ে ক্ষুদ্র প্রয়াস— “সিরাত অলিম্পিয়াড ২০২৫”।

 

  • সর্বশেষ