ইমরুল শাহেদ: [২] পরস্পরকে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এই নিরাপত্তা চুক্তিতে সই করা হয়েছে। দেশ তিনটি হলো নাইজার, মালি ও বুর্কিনা ফাসো। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এসব দেশের পশ্চিমা-মদদপুষ্ট সরকারগুলোকে উৎখাত করে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করেছে। সূত্র: রেডিও টুডে
[৩] এই তিন দেশের সামরিক শাসকদের মধ্যে শনিবার স্বাক্ষরিত চুক্তিতে বলা হয়েছে, এই তিন দেশের যেকোনো একটি যদি বহিঃশক্তির আক্রমণের শিকার হয় কিংবা অভ্যন্তরীণভাবে সার্বভৌমত্বের হুমকির মুখে পড়ে তাহলে বাকি দুই দেশ একক বা সম্মিলিতভাবে ওই দেশের সাহায্যে এগিয়ে আসবে।
[৪] মালির অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেসিডেন্ট আসিমি গোইতা এ সম্পর্কে বলেন, চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী এক বা একাধিক দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার বিরুদ্ধে হামলাকে বাকি দেশগুলোর ওপরও আগ্রাসন হিসেবে ধরে নেয়া হবে।
[৫] এর আগে আফ্রিকার ফ্রান্স-সমর্থিত পাঁচ দেশকে নিয়ে গঠিত ‘জি৫ সাহেল চুক্তি’র অন্তর্গত ছিল বর্তমানে সামরিক শাসনে থাকা তিন দেশ। ওই চুক্তির বাকি দুই সদস্যদেশ ছিল চাদ ও মৌরিতানিয়া। তিন দেশের স্বাক্ষরিত চুক্তির নাম দেয়া হয়েছে ‘সাহেল নিরাপত্তা চুক্তি।’
[৬] শনিবারের চুক্তি স্বাক্ষরের আগে মালি ও বুর্কিনা ফাসো ঘোষণা করেছিল, নাইজারের বিরুদ্ধে যেকোনো হামলাকে এই তিন দেশের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ ঘোষণা’ বলে গণ্য করা হবে। সম্পাদনা: ইকবাল খান
আইএস/আইকে/এনএইচ