শিরোনাম
◈ মাটির নিচেই গোটা গ্রাম, ২০০ বছরের পুরোনো বাড়িতে আজও বসবাস করছেন হাজারো মানুষ! ◈ ৩৫৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা আছে কি না, জানতে চাইল পুলিশ সদর দপ্তর ◈ দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ ও জনশৃঙ্খলা রক্ষায় আনসার সদস্যদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে তুরস্কের বিশেষজ্ঞ দল ◈ রাজনৈতিক দলগুলোর এত টাকা আসে কোথা থেকে, দল চালাতে কত টাকা লাগে: টিআইবির গবেষণা ◈ কাঙ্ক্ষিত দামে বিক্রি না হওয়ায় আবুধাবিতে ফেরত যাচ্ছিল ৪ কোটি ৯১ লাখ টাকার স্বর্ণের ডিম, আটক ৬টি ◈ ওয়ারীতে বাসায় কুশ চাষ ও মাদক সরবরাহ, যুক্তরাষ্ট্রফেরত ২২ বছর বয়সী তৌসিফ গ্রেপ্তার ◈ বারে মদ্যপান শেষে প্রেমিকার সঙ্গে বিরোধের পর হেরোইন খুঁজতে টঙ্গীর মাঠে যান তাহসিফ: রিমান্ডে দীপের বয়ানে চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির পর হ্যাকাররা সেগুলো দিয়ে কী করে? কীভাবে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনে? ◈ ভারত থেকে আসা ১৮ কোচগুলোতে যা যা বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে, আগামী সপ্তাহেই পরীক্ষামূলক চলাচল

প্রকাশিত : ০২ ডিসেম্বর, ২০২২, ০২:৪৪ দুপুর
আপডেট : ০২ ডিসেম্বর, ২০২২, ০২:৪৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে তুর্কি বিমান হামলায় সিরিয়ার তেল স্থাপনার মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে: মন্ত্রী

তেল স্থাপনা

ইমরুল শাহেদ: সিরিয়ার তেল ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী বাসাম তোহমে বলেছেন, তার দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে কুর্দি সশস্ত্র গোষ্ঠী ওয়াইপিজির কথিত অবস্থানে তুরস্ক যে বিমান হামলা চালিয়েছে তাতে সিরিয়ার তেল স্থাপনাগুলোর ‘মারাত্মক ক্ষতি’ হয়েছে। পার্সটুডে

তিনি বৃহস্পতিবার রাতে সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘উত্তর সিরিয়ায় তুরস্কের বর্বরোচিত আগ্রাসনে আমাদের তেল স্থাপনাগুলোর ভয়াবহ ক্ষতি হয়েছে।’ তিনি বলেন, একটি গ্যাসক্ষেত্র লক্ষ্য করে সরাসরি হামলা চালানো হয়েছে যার ফলে ওই ক্ষেত্র থেকে গ্যাস উৎপাদন বন্ধ করে দিতে হয়েছে।

সিরিয়ার তেলমন্ত্রী বলেন, ওই গ্যাসক্ষেত্র থেকে অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর জন্য ১৫০ টন প্রাকৃতিক গ্যাস পরিশোধন করা হতো এবং একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ১০ লাখ ঘনমিটার গ্যাস সরবরাহ করা হতো। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ গোটা হাসাকা প্রদেশের চাহিদা পূরণ করত।

তোহমে বলেন, তুর্কি বিমান হামলায় অনেকগুলো জ্বালানি স্টেশনেরও ক্ষতি হয়েছে। বহু তেলের আধার বিস্ফোরিত হয়েছে এবং এর ফলে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় দূষণ ছড়িয়ে পড়েছে।

তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান গত সপ্তাহে বলেছিলেন, সিরিয়ায় অচিরেই চতুর্থ অবৈধ স্থল অভিযান চালাতে যাচ্ছে তার দেশ। তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমরা গত কয়েক দিন ধরে আমাদের যুদ্ধবিমান, কামান ও ড্রোন দিয়ে সন্ত্রাসীদের ওপর আঘাত হেনে যাচ্ছি।’ সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে অবস্থানরত কুর্দি মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধে বিমান হামলার প্রতি ইঙ্গিত করে এরদোগান একথা বলেন।

২০১৬ সাল থেকে তুর্কি সেনাবাহিনী সিরিয়ার অভ্যন্তরে কুর্দি মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধে তিনটি অবৈধ অভিযান চালিয়েছে। মূলত পিপলস প্রোটেকশন ইউনিট বা ওয়াইপিজি’র গেরিলাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর অজুহাতে সিরিয়ায় আগ্রাসন চালায় তুর্কি বাহিনী। আঙ্কারা দাবি করছে, গত কয়েক দশক ধরে কুর্দিদের জন্য একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে সশস্ত্র লড়াইরত কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী পিকেকের সঙ্গে ওয়াইপিজি’র সম্পর্ক রয়েছে।

আইএস/এইচএ

  • সর্বশেষ