শিরোনাম
◈ রিয়াদে ফ্লাইট বন্ধ, বিকল্প হিসেবে দাম্মাম ও মদিনায় পাঠানো হবে যাত্রীদের: বিমানমন্ত্রী ◈ বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন: ভারতের শীর্ষ ১০ শতাংশ ধনীর চেয়েও বেশি আয় যুক্তরাষ্ট্রের দরিদ্রদের ◈ যে কারণে সারা দেশে এলপিজি গ্যাসের দোকান বন্ধ ঘোষণা ◈ অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে খুন করে ৯৯৯–এ কল, ঘটনাস্থলে পুলিশ দেখল লাশের পাশে ধূমপান করছেন স্বামী ◈ জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশের কয়লা উত্তোলনে জোর, অগ্রাধিকার পাচ্ছে ফুলবাড়ী খনি ◈ চুয়েটে নতুন উপাচার্যকে ভবনের ভেতরে রেখে বাইরে থেকে তালা দিলেন শিক্ষার্থীরা ◈ প্রথম ভোট শুরু ২১ জানুয়ারি, পাঁচ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: ইসি ◈ ‘নাশতা করার সময় চারদিক থেকে বাসায় ঢিল ছোড়া শুরু হয়’, উত্তরায় জি এম কাদেরের বাসায় হামলা-ভাঙচুর ◈ অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার নিয়ে যা জানালেন ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার ◈ জ্বালানি খাতের বাড়তি ব্যয় সামলাতে বিশ্বব্যাংকের সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ

প্রকাশিত : ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৯ দুপুর
আপডেট : ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ০৬:৩৪ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কয়েদিদের দিয়ে বাসার কাজ করানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার নারী জেলার

দুই সন্তানের দেখভাল ও বাসার কাজের জন্য জেল থেকে দুই কয়েদিকে নিয়ে গিয়েছিলেন এক নারী জেলার। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। আইনি অপরাধে চাকরি হারানোর পাশাপাশি এখন তাকেও ওই একই কারাগারে কয়েদি হিসেবে বন্দি হতে হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের রাজস্থান রাজ্যের আজমির কেন্দ্রীয় কারাগারে। অভিযুক্ত সাবেক জেলা‌রের নাম দিব্যা চৌধুরী। তিনি ৩৭ বছর বয়সী। 

এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, দিব্যা চৌধুরী আজমিরে একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। তার বাসাটি আজমির সেন্ট্রাল জেল থেকে প্রায় আট কিলোমিটার দূরে। সেখানে তিনি দুই ছোট সন্তানকে নিয়ে বসবাস করতেন। তার স্বামীও রাজস্থানের কোটায় একজন কারারক্ষী হিসেবে কাজ করেন।

অফিস ও সংসারের চাপ সামলাতে গিয়ে আজমির সেন্ট্রাল জেলের অধীনে থাকা মহিলা সংশোধনাগার থেকে কয়েদিদের সাহায্য নেওয়ার পরিকল্পনা করেন দিব্যা চৌধুরী। গত ১২ জুলাই তিনি দুই নারী বন্দিকে নিজের বাসায় কাজের জন্য বের করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এদের মধ্যে একজন ছিলেন যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদি কিরণ ওরফে সেঠা। অন্যজন ছিলেন বিচারাধীন কয়েদি সানা।

Advertisement

কারাগারের প্রধান ফটকে অন্য কারারক্ষীরা এতে বাধা দেন। কিন্তু দিব্যা চৌধুরী ও তার সহকর্মী কনস্টেবল সোনিয়া চৌধুরী তাদের কথা শোনেননি। তারা মূল ফটকে থাকা কর্মচারীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে দুই কয়েদিকে নিয়ে বের হয়ে যান।

ঘটনাটি জানাজানি হয়ে যায়। তাই মাত্র এক বা দুই ঘণ্টার মধ্যে কয়েদিদের আবার কারাগারে ফিরিয়ে আনা হয়। রাজস্থান কারাবিধি ২০২২ অনুযায়ী এই কাজ সম্পূর্ণ বেআইনি। আদালতের নিরাপত্তায় থাকা বন্দিদের ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

ঘটনার পর বিভাগীয় তদন্ত করা হয়। তদন্তে দিব্যা চৌধুরীর অপরাধ প্রমাণিত হয়। গত ৫ আগস্ট আজমিরের সিভিল লাইন্স থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা করেন জেলের এক প্রহরী। মামলা হওয়ার পর থেকে দিব্যা চৌধুরী আত্মগোপনে চলে যান।

তাকে ধরার জন্য আজমির পুলিশ একটি বিশেষ দল গঠন করে। এতে সাইবার সেলের সদস্যরাও যুক্ত হন। তারা সিসিটিভি ফুটেজ ও কল রেকর্ড বিশ্লেষণ করেন। গত ৬ অক্টোবর কোটা জেলায় দিব্যার স্বামীর ফ্ল্যাটে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদে দিব্যা নিজের সাফাই গেয়েছেন। তিনি দাবি করেন, ওপেন জেল থেকে কয়েদি আনার নির্দেশ তিনি দিয়েছিলেন। কারণ ওপেন জেলের বন্দিরা বাইরে যেতে পারেন। কিন্তু তার সহকর্মী সোনিয়া ভুল করে ভেতরের দুই বন্দিকে নিয়ে আসেন।

  • সর্বশেষ