শিরোনাম
◈ পাবনায় ইস্কন মন্দিরে প্রতিমা ভাংচুরের সময় হাতেনাতে আটক সনাতনী শিক্ষার্থী প্রান্থ কুমার দাস! ◈ নারী থেকে পুরুষ হওয়ার স্বপ্নে ‘বান্ধবীকে বিয়ের আশায়’ স্তন অপসারণ, তরুণীর মৃত্যু ◈ সিটিজেনশিপ টেস্টে ফেল করার ৪টি কারণ জানাল মার্কিন সরকার ◈ যুক্তরাষ্ট্রে সোশ্যাল সিকিউরিটি আপডেট, সর্বোচ্চ ৫,১৮১ ডলারের পেমেন্ট আসছে এই সপ্তাহে! ◈ দালালের ফাঁদ এড়িয়ে বৈধ পথে ইতালি যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন ১০ হাজার বাংলাদেশি ◈ সুখবর পেলেন ৬১৮ বিসিএস ক্যাডার, দেখুন তালিকা ◈ নবম পে-স্কেলে সব গ্রেডের প্রথমবারের মতো সরকারি চাকরিজীবীরা পাবেন মোবাইল ভাতা, কোন গ্রেডে কত ◈ গ্যাস সংকট তীব্র, ২৬ অফশোর ব্লকে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে বাংলাদেশের নতুন আশা ◈ আকুর ১৩৯ কোটি ডলারের বিল পরিশোধ, রিজার্ভ আবার ৩৬ বিলিয়ন ডলারে ◈ কনটেইনারে কোনো পণ্য নেই, কাগজপত্রে দেখানো সাড়ে ৫ কোটি টাকার রপ্তানি

প্রকাশিত : ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০৪ রাত
আপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১১ রাত

প্রতিবেদক : আর রিয়াজ

সিটিজেনশিপ টেস্টে ফেল করার ৪টি কারণ জানাল মার্কিন সরকার

ইউএসসিআইএস, লেজিট.এনজি: যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রক্রিয়ায় ইংরেজি ভাষার লিখিত পরীক্ষায় কিছু নির্দিষ্ট ভুল করলে আবেদনকারীকে ব্যর্থ হিসেবে গণ্য করা হতে পারে। দেশটির নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা সংস্থা ইউএসসিআইএসের (ইউএসসিআইএস) সরকারি নির্দেশিকায় লিখিত পরীক্ষায় কোন ধরনের উত্তর গ্রহণযোগ্য হবে না, তা স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

ইউএসসিআইএসের স্কোরিং নির্দেশিকা অনুযায়ী, লিখিত পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীকে কর্মকর্তার বলা একটি বাক্য লিখতে হয়। নির্ধারিত বাক্যটি সঠিকভাবে এবং বোঝা যায় এমনভাবে লিখতে পারলেই লিখিত ইংরেজির দক্ষতা প্রদর্শন করা সম্ভব। তবে উত্তরটি যদি নির্দেশিত বাক্যের অর্থ স্পষ্টভাবে প্রকাশ না করে, সেটি ব্যর্থ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

লিখিত পরীক্ষায় প্রথম যে ভুলটি ব্যর্থতার কারণ হতে পারে, সেটি হলো কর্মকর্তার বলা বাক্য বা শব্দের পরিবর্তে অন্য কোনো বাক্য বা শব্দ লেখা। অর্থাৎ পরীক্ষার্থীকে যে বাক্যটি লিখতে বলা হয়েছে, সেটির পরিবর্তে নিজের মতো করে অন্য কিছু লিখলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।

দ্বিতীয়ত, নির্দেশিত কোনো শব্দের পরিবর্তে সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহার করলেও উত্তরটি ব্যর্থ হিসেবে গণ্য হতে পারে। ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, কর্মকর্তার বলা শব্দের জায়গায় সংক্ষিপ্ত রূপ লিখলে সেটি ভুল উত্তর হিসেবে বিবেচিত হবে।

তৃতীয়ত, পরীক্ষার্থী কিছু না লিখলে অথবা মাত্র এক-দুটি বিচ্ছিন্ন শব্দ লিখলে সেটিও ব্যর্থতার কারণ হতে পারে। তাই পরীক্ষার্থীর উচিত কর্মকর্তার নির্দেশনা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য লেখার চেষ্টা করা।

চতুর্থত, হাতের লেখা এতটাই অস্পষ্ট হলে যে কর্মকর্তা সেটি পড়তে বা বুঝতে না পারেন, সেই উত্তরও ব্যর্থ হিসেবে গণ্য হবে। ইউএসসিআইএসের সরকারি স্কোরিং গাইডলাইনে সম্পূর্ণ অপাঠ্য লিখিত উত্তরকে সরাসরি ব্যর্থতার কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর পাশাপাশি, লিখিত বাক্যটি এমনভাবে লেখা হলে যাতে নির্দেশিত বাক্যের অর্থ বোঝা না যায়, সেটিও ব্যর্থতার কারণ। ফলে শুধু বানান বা লেখার সৌন্দর্য নয়, পরীক্ষার্থীর লেখা বাক্যটি কর্মকর্তার কাছে অর্থবোধক ও বোধগম্য কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

ইউএসসিআইএসের তথ্য অনুযায়ী, নাগরিকত্বের ইংরেজি পরীক্ষার তিনটি অংশ রয়েছে, কথা বলা, পড়া এবং লেখা। লিখিত পরীক্ষায় সর্বোচ্চ তিনটি বাক্য দেওয়া হতে পারে এবং এর মধ্যে একটি বাক্য সঠিকভাবে লিখতে পারলেই এই অংশে ইংরেজিতে লেখার সক্ষমতা প্রমাণ করা যায়। পরীক্ষার জন্য ইউএসসিআইএস একটি নির্দিষ্ট লিখিত শব্দভান্ডারের তালিকাও প্রকাশ করে, যার শব্দগুলো নাগরিকত্ব ও যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের বিভিন্ন বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত।

নাগরিকত্বের সাক্ষাৎকারের সময় আবেদনকারীকে ইংরেজি ও নাগরিকত্ববিষয়ক পরীক্ষা দিতে হয়, যদি তিনি কোনো ছাড় বা অব্যাহতির যোগ্য না হন। ইংরেজি পরীক্ষার ফলাফলের পাশাপাশি নাগরিকত্ব পরীক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাস ও সরকারব্যবস্থা সম্পর্কিত জ্ঞানও যাচাই করা হয়।

ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকা অনুযায়ী, কেউ প্রথম পরীক্ষায় ইংরেজি বা নাগরিকত্ব পরীক্ষার কোনো অংশে ব্যর্থ হলে তাকে সাধারণত দ্বিতীয়বার পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হয়। প্রথম পরীক্ষার পর ৬০ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে দ্বিতীয় পরীক্ষার আয়োজন করা হয় এবং আগেরবার যে অংশে ব্যর্থ হয়েছেন, সাধারণত সেই অংশেই আবার পরীক্ষা নেওয়া হয়।

তাই নাগরিকত্বের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া আবেদনকারীদের শুধু প্রশ্নের উত্তর মুখস্থ করার পাশাপাশি কর্মকর্তার বলা বাক্য মনোযোগ দিয়ে শোনা, পূর্ণ বাক্য লেখা এবং হাতের লেখা স্পষ্ট রাখার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। ইউএসসিআইএসের প্রকাশিত প্রস্তুতি উপকরণ ব্যবহার করে আগে থেকেই লিখিত অংশের অনুশীলন করাও গুরুত্বপূর্ণ।

  • সর্বশেষ