শিরোনাম
◈ শেখ হাসিনাকে কথা বলার সুযোগ কেন দিল ভারত, প্রশ্ন বিএনপির ◈ প্রথম দিনেই জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে ভিড়, শেষ ৯০০ টিকিট ◈ আওয়ামী লীগ আমলে অর্থ লোপাটে বিপাকে ২ কোটি আমানতকারী: গভর্নর ◈ বিকেলেই গ্যাস সঞ্চালন শুরু, সংকট কাটবে তিন দিনের মধ্যে: জ্বালানি মন্ত্রী ◈ ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৮১৮ ◈ ট্রাইব্যুনালে কল রেকর্ড: সাদ্দাম-ইনানকে ফোনে হামলার নির্দেশ দেন ওবায়দুল কাদের ◈ ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন ১৬ আগস্ট, বাদ পড়বে না যোগ্য কেউ ◈ শেখ হাসিনাকে বক্তব্যের সুযোগ দেওয়ায় দিল্লির বিষয়ে যা বললেন মাহদী আমিন ◈ ঢাকার চারপাশের নদীদূষণ রোধে কর্মপরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা

প্রকাশিত : ০৬ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:৪১ দুপুর
আপডেট : ০৬ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মাত্র ১৮ বছর বয়সে অধ্যাপক, ৩০৬ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন নাথান

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের ১৮ বছর বয়সি তরুণ নাথান থমাস বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ কলেজ অধ্যাপক হিসেবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছেন। 

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের আগস্টে মাত্র ১৮ বছর ৩৪৬ দিন বয়সে নাথান ফ্লোরিডার ‘মিয়ামি ডেড কলেজ’-এ শিক্ষক পদে নিযুক্ত হন।

নাথান একজন অসাধারণ মেধাবী প্রকৌশল শিক্ষার্থী। তিনি মাত্র ১০ বছর বয়সে ‘ডুয়াল-এনরোলমেন্ট’ প্রোগ্রামের মাধ্যমে কলেজে ভর্তি হন এবং ১৪ বছর বয়সে ফ্লোরিডা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে স্থানান্তরিত হন। এরপর মাত্র ১৮ বছর বয়সেই তিনি তড়িৎ প্রকৌশলে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।

নাথানের আগে পুরুষদের মধ্যে বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ অধ্যাপক হওয়ার রেকর্ডটি দীর্ঘ ৩০৬ বছর ধরে স্কটিশ গণিতবিদ কলিন ম্যাকলরিনের দখলে ছিল, যিনি ১৭১৭ সালে ১৯ বছর বয়সে অধ্যাপক হয়েছিলেন। 

এ ছাড়া নারী-পুরুষ মিলিয়ে আগের রেকর্ডধারী আলিয়া সাবুরের চেয়ে নাথান ১৬ দিন ছোট। আলিয়া ২০০৮ সালে ১৮ বছর ৩৬২ দিন বয়সে সর্বকনিষ্ঠ নারী অধ্যাপক হওয়ার কীর্তি গড়েছিলেন। 

বর্তমানে নাথান মিয়ামি বিশ্ববিদ্যায়ালের ‘স্কুল অব ল’-তে ‘জুরিস ডক্টর’ ডিগ্রির জন্য পড়াশোনা করার পাশাপাশি অনলাইনে কোর্স পড়াচ্ছেন। ২০২৮ সালে তার এই আইন বিষয়ক ডিগ্রি সম্পন্ন করার কথা রয়েছে। 

নাথান জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে তিনি বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল এবং গণিত খাতের ওপর জোর দিয়ে মেধা স্বত্ব আইন নিয়ে কাজ করতে চান। 

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের সঙ্গে আলাপকালে নাথান বলেন, প্রকৌশল বিদ্যা তাকে জটিল সমস্যাগুলোকে ছোট ছোট ও সুসংগঠিত অংশে ভাগ করে সমাধান করতে শিখিয়েছে। আইন সংক্রান্ত পড়াশোনাতেও তিনি একই পদ্ধতি প্রয়োগ করছেন।  সূত্র: সামা টিভি 

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়