শিরোনাম
◈ ভারতের বাংলা‌দেশ সফর নিশ্চিতে সরকারের সহায়তা চাইলো বিসিবি ◈ ফজলুর রহমানের কাঁধে এবার নতুন দায়িত্ব ◈ তারেক রহমানের ব্রিকস আমন্ত্রণ নিয়ে প্রশ্ন, এড়িয়ে গেলেন জয়সওয়াল ◈ প্রতিমন্ত্রীর ভিডিও ভাইরাল, মুখ খুললেন সেই তরুণী (ভিডিও) ◈ সিলেটে এনসিপির গাড়িবহরে ফের হামলা, আহত নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী (ভিডিও) ◈ ছুটির দিনে নিজেই গাড়ি চালিয়ে রাজধানীর সড়ক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ ডলারের শক্তিতে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন ◈ গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু নিশ্চিত ভেবেছিলেন, ‘মায়ের নাম্বারটা লেখেন’ বলার পর যা ঘটল ◈ শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টি পর্যালোচনা করা হচ্ছে, জানাল ভারত সরকার ◈ ‘গো বিগ’ কৌশলে ইরানে বড় অভিযানের ছক যুক্তরাষ্ট্রের, দাবি ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের

প্রকাশিত : ০১ আগস্ট, ২০২৬, ০১:০৪ রাত
আপডেট : ০১ আগস্ট, ২০২৬, ০২:০৫ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইতালির নতুন আইন: প্রায় ১৪ হাজার বন্দি থাকবেন বাড়িতে, জানুন কী আছে এই আইনে

কারাগারের ক্রমবর্ধমান চাপ কমাতে এবং আসক্ত বন্দিদের পুনর্বাসনের সুযোগ বাড়াতে নতুন আইন পাস করেছে ইতালি। নতুন আইনের আওতায় প্রায় ১৩ হাজার ৭০০ জন মাদক ও অ্যালকোহলাসক্ত বন্দি কারাগারের পরিবর্তে বাড়িতে থেকেই সাজা ভোগের সুযোগ পাবেন।

বুধবার ইতালির পার্লামেন্টে আইনটি ১৫৩ ভোটে পাস হয়। এর বিপক্ষে ভোট দেন ৪২ জন আইনপ্রণেতা, আর ভোটদানে বিরত থাকেন ৮২ জন।

ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি এই সিদ্ধান্তকে 'একাধিক ফ্রন্টে বিজয়' হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর ভাষ্য, এতে একদিকে কারাগারের অতিরিক্ত চাপ কমবে, অন্যদিকে আসক্ত বন্দিদের পুনর্বাসনের সুযোগও বাড়বে।

ইতালির বিচারমন্ত্রী কার্লো নর্দিও জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশটির কারাগারগুলোতে প্রায় ৬৫ হাজার বন্দি রয়েছেন। নতুন আইনের ফলে ১০ হাজারের বেশি মাদকাসক্ত এবং প্রায় ৩ হাজার ৭০০ অ্যালকোহলাসক্ত বন্দি এর আওতায় আসতে পারেন।

অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানের জন্য পরিচিত মেলোনি সরকারের এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক বিতর্কও তৈরি করেছে। তাঁর জোটের বাইরে থাকা ডানপন্থী দলগুলো অভিযোগ করেছে, সরকার অপরাধ দমনে আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছে। অন্যদিকে বামপন্থী দলগুলো নীতিগতভাবে আইনের প্রতি সমর্থন জানালেও পুনর্বাসন কর্মসূচির জন্য বরাদ্দ তহবিলকে অপর্যাপ্ত বলে মন্তব্য করেছে।

এদিকে বন্দি অধিকারবিষয়ক সংস্থা 'অ্যান্টিগোন' সরকারের হিসাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। সংস্থাটির দাবি, আইনে থাকা বিভিন্ন শর্ত এবং সীমিত অর্থায়নের কারণে ঘোষিত সংখ্যক বন্দি বাস্তবে এই সুবিধা নাও পেতে পারেন।

তবে ক্ষমতাসীন জোটের শরিক লিগ দলের এমপি সিমোনেত্তা মাতোনে বলেন, এই আইনের লক্ষ্য কারাগার খালি করা নয়। বরং আসক্তির চিকিৎসার মাধ্যমে অপরাধে পুনরায় জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কমানোই এর মূল উদ্দেশ্য। সোর্সঃ রয়টার্স

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়