শিরোনাম
◈ দেশে নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ◈ চট্টগ্রামের বন্যাদুর্গত ৩ উপজেলা সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশিদের নতুন সতর্কবার্তা দিল মার্কিন দূতাবাস ◈ ‘অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে’ ◈ সম্পত্তি দান করলেও জীবদ্দশায় ভোগদখলের অধিকার থাকবে, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ◈ উৎপাদন সক্ষমতা ২৯ হাজার মেগাওয়াট, তবু লোডশেডিংয়ে নাকাল দেশ ◈ দক্ষিণ ইরানে মার্কিন বাহিনীর ৯০০ কেজি ওজনের শক্তিশালী বোমা হামলা: নিউইয়র্ক টাইমস ◈ জ্বালানি সংকটে ডিবিএল গ্রুপের সব পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা ◈ চলতি আগস্ট মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১২ দিনের ছুটি! ◈ গুম প্রতিরোধ আইন অনুমোদন, মৃত্যুর ঘটনায় শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন

প্রকাশিত : ১৬ জুন, ২০২৬, ০৩:৫৩ দুপুর
আপডেট : ০২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় এবার এআই নজরদারি: টহলে নামছে রোবট, ড্রোন ও স্মার্ট ফাইবার সেন্সর!

সীমান্তের সম্পূর্ণ অংশে স্মার্ট ফেন্সিং টেকনোলজি সমৃদ্ধ কাঁটাতারের বেড়া তৈরির পাশাপাশি ভারত সীমান্ত নজরদারিতে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করেছে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সুরক্ষাকে সাম্প্রতিক সময়ে ভারত বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। যেভাবেই হোক অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান বন্ধে সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে। ইতিমধ্যেই সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ ফেসিয়াল-আইবল স্ক্যানিং প্রযুক্তি সমৃদ্ধ সিসিটিভি ক্যামেরা এবং আইএসআর কিউয়ার্ড কপ্টার ড্রোনের ব্যবহার শুরু করেছে। 

জানা গেছে, সীমান্তে নজরদারিতে ব্যবহার করা হবে রোবটও। তবে সাধারণ কোনও রোবট নয়। এগুলো হবে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এআই এবং ডোমেইন ভিত্তিক রোবট। এখন থেকে সীমান্তে চাকা অথবা পায়ে চলাচলে সক্ষম রোবট টহল দেবে। প্রতিকূল আবহাওয়াতেও সেগুলো কাজ করবে।

সূত্রের খবর, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সংশ্লিষ্ট তিন রাজ্য ত্রিপুরা, আসাম এবং পশ্চিমবঙ্গে কাঁটাতারের বেড়ার এলাকায় বিএসএফ ফেসিয়াল-আইবল স্ক্যানিং প্রযুক্তি সমৃদ্ধ সিসিটিভি ক্যামেরা এবং আইএসআর কিউয়ার্ড কপ্টার ড্রোন ব্যবহার শুরু করেছে। ফলে সীমান্তে নজরদারি অনেক বেশি আঁটসাঁট এবং নিরাপত্তা নিশ্ছিদ্র হয়েছে। এই প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে সীমান্তে যে কোনও প্রাণীর গতিবিধি খুব সহজে বিএসএফের নজরে পড়ছে।

স্বয়ংক্রিয় ড্রোনগুলো সীমান্ত এলাকায় আকাশ থেকে পুরো অঞ্চলের রিয়েল টাইম ভিডিও এবং থার্মাল ইমেজ সরবরাহ করবে। এআই এবং কম্পিউটার ভিশন ড্রোনের ক্যামেরায় ধরা পড়া ছবি ও ভিডিও এআই অ্যালগরিদম বিশ্লেষণ করে মানুষ, গাড়ি অথবা পশুর পার্থক্য করবে।

ফেসিয়াল রিকগনিশনের মাধ্যমে অনুপ্রবেশকারীর মুখমণ্ডল বিশ্লেষণ করে আগে থেকে ডাটাবেজে থাকা অপরাধীদের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে। ইনফ্রারেড এবং রাডার প্রযুক্তির জন্য কুয়াশা, বৃষ্টি অথবা রাতেও সিস্টেম নিখুঁতভাবে কাজ করবে।

এছাড়া সীমান্তে মাটির নিচে থাকবে ফাইবার অপটিক সেন্সর। বসানো হচ্ছে ইনফ্রারেড লেজার। মানুষের পায়ের চাপ অথবা কম্পন টের পেলেই সেন্ট্রাল কন্ট্রোল রুমে সেটি সংকেত পাঠাবে। একবার কোনও সন্দেহভাজন ব্যক্তি অথবা যানবাহন শনাক্ত হলে, এআই সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে গতিবিধি ট্র্যাক করবে। এছাড়াও একটি রোবট অথবা ড্রোন থেকে অন্য ড্রোন ও ক্যামেরা নিজে থেকেই অনুপ্রবেশকারীর লোকেশন নিশ্চিত করবে। সীমান্তের প্রতিটি রোবট, ড্রোন এবং সেন্সর সুরক্ষিত সাইবার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সেন্ট্রাল কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। সূত্র: মানবজমিন ও রিপাবলিক বাংলা

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়