শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্রে নিঝুম মজুমদারকে হেনস্তা করে যুক্তরাষ্ট্র যুবদল, ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দের সামনে (ভিডিও) ◈ প্রধানমন্ত্রীর দেখা না পেয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের ওপর ক্ষু'ব্ধ নেতাকর্মীরা, হেনস্তার চেষ্টা (ভিডিও) ◈ উপজেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন ৮ ইউএনও ◈ কুমিল্লায় সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আটক ◈ বাংলাদেশের মাটিতে আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ◈ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ নির্দেশনা সারাদেশের বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে ◈ মোহাম্মদপুরে কয়েকশ’ লোকের হামলা-ভাঙচুর, ১৫ লাখ টাকা ও জমির দলিল লুটের অভিযোগ ◈ টিকটক পরিচয়ে কুমিল্লায় দেখা করতে গিয়ে কিশোরী ধর্ষণের শিকার, অভিযুক্ত পলাতক ◈ গাইবান্ধায় যেভাবে কণ্ঠ নকল করে মোবাইল ব্যাংকিং প্রতারণার ফাঁদ পাতেন প্রতারক (ভিডিও) ◈ যুক্তরাজ্যে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি, আগস্টে প্রবৃদ্ধি ১০.৫৩%

প্রকাশিত : ০৯ জুন, ২০২৬, ০৫:৫১ বিকাল
আপডেট : ০২ আগস্ট, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

উড়োজাহাজ আকৃতির দুই গ্রহাণু ছুটে আসছে পৃথিবীর পাশ দিয়ে

উড়োজাহাজ আকৃতির দুটি বড় গ্রহাণু মঙ্গলবার (৯ জুন) পৃথিবীর খুব কাছাকাছি চলে আসছে। মহাকাশবিজ্ঞানীরা ইতোমধ্যে এই গ্রহাণু দুটির গতিপথের ওপর নজর রাখছেন। তবে জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায় ‘কাছাকাছি আসা’ শব্দবন্ধটি শুনতে কিছুটা উদ্বেগজনক মনে হলেও বিজ্ঞানীরা আশ্বস্ত করেছেন যে, এই মহাজাগতিক বস্তু দুটি নিয়ে পৃথিবীর ভয়ের কোনও কারণ নেই। দুটি গ্রহাণুই পৃথিবী থেকে লাখ লাখ কিলোমিটার নিরাপদ দূরত্ব দিয়ে পার হয়ে যাবে।

২০২৬ এলডি নামের গ্রহাণুটি আকারে প্রায় ৫২ মিটার (১৭০ ফুট) বড়। মঙ্গলবার এটি পৃথিবী থেকে আনুমানিক ১১ লাখ ৪০ হাজার কিলোমিটার (৭ লাখ ১০ হাজার মাইল) দূর দিয়ে অতিক্রম করবে। জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাবে এই দূরত্বকে কাছাকাছি বলা হলেও, এটি মূলত পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্বের চেয়েও তিন গুণেরও বেশি দূরে। ফলে আমাদের গ্রহের সঙ্গে এর সংঘর্ষের কোনও ঝুঁকি নেই।

দিনের দ্বিতীয় গ্রহাণুটির নাম ২০২৬ কেএম৩। এটি প্রথমটির চেয়ে আকারে কিছুটা ছোট, যার ব্যাস প্রায় ৩৪ মিটার (১১০ ফুট)। এটি পৃথিবী থেকে আরও দূর দিয়ে, প্রায় ২৩ লাখ ৫০ হাজার কিলোমিটার (১৪ লাখ ৬০ হাজার মাইল) দূরত্ব বজায় রেখে পার হবে। বিজ্ঞানীরা এর গতিপথ হিসাব করে জানিয়েছেন, এই যাত্রায় পৃথিবীর ওপর এর আঘাত হানার সম্ভাবনা শূন্য শতাংশ।

মহাকাশ গবেষণা সংস্থাগুলো পৃথিবীর কাছাকাছি থাকা এই ধরনের বস্তুর কক্ষপথ ভালোভাবে বুঝতে এবং ভবিষ্যতের সম্ভাব্য হুমকিগুলো চিহ্নিত করতে ক্রমাগত এগুলোর ওপর নজরদারি চালায়। গ্রহাণুগুলো বিপজ্জনক না হলেও, প্রতিটি পর্যবেক্ষণ বিজ্ঞানীদের ভবিষ্যৎ পূর্বাভাসের মডেল উন্নত করতে এবং গ্রহ প্রতিরক্ষা কৌশলকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। সাধারণত ৩০ থেকে ৬০ মিটার আকারের বস্তুগুলোর ওপর বিজ্ঞানীদের বিশেষ আগ্রহ থাকে; কারণ এগুলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে ভূপৃষ্ঠে আঘাত হানলে আঞ্চলিকভাবে বড় ধরণের ক্ষয়ক্ষতি করতে পারে।

তবে ৯ জুনের এই গ্রহাণু দুটিকে একেবারেই ক্ষতিকর নয় বলেই গণ্য করা হচ্ছে, কারণ এগুলো নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে চলছে এবং কোনও সংঘর্ষের ঝুঁকি নেই। বরং এই গ্রহাণুগুলো জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের জন্য সৌরজগতের এই প্রাচীন অবশিষ্টাংশগুলো নিয়ে পড়াশোনা ও গবেষণার একটি দারুণ সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে। সূত্র: উইয়ন নিউজ

 

  • সর্বশেষ