শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ০৬ মে, ২০২৬, ১০:৫৯ দুপুর
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মমতাকে ‘শাড়ি পরা ট্রাম্প’ বলে কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের

বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে বড় ব্যবধানে হারের পরও পদত্যাগ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের বিজেপির সাবেক সভাপতি ও খড়্গপুর সদরের বিধায়ক দিলীপ ঘোষ। মমতাকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি।

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনযায়ী, বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথা খড়্গপুর সদরের বিধায়ক দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিতলেই নৈতিক। বাকি অনৈতিক। জনতার আশীর্বাদকে যিনি স্বীকার করেন না, রাজনীতিতে তার কোনও জায়গা নেই। তিনি হচ্ছেন শাড়ি পরা ট্রাম্প। 

advertisement

তিনি বলেন, ট্রাম্প যেমন হারার পরও সরেননি, লোকজনকে রাস্তায় নামিয়ে ঝামেলা করার চেষ্টা করেছিলেন। ইলেকশন কমিশন কড়া না হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনতাকে (রাস্তায়) নামিয়ে জোর করে দখল করতেন।’

সাধারণত নির্বাচনের পরে মুখ্যমন্ত্রী ইস্তফা দেন। যদি বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় এবং তাকেই পরিষদীয় দলের নেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়, তাহলে তিনি ফের শপথ নেন। নাহলে কুর্সি ছেড়ে দিতে হয়। 

advertisement

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

এসময় তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে তিনি রাজভবনে যাবেন কিনা? সাধারণত নির্বাচনের পরে মুখ্যমন্ত্রী ইস্তফা দেন। যদি বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় এবং তাকেই পরিষদীয় দলের নেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়, তাহলে তিনি ফের শপথ নেন। নাহলে কুর্সি ছেড়ে দিতে হয়।

advertisement

সে প্রসঙ্গে মমতা বলেন, ‘কেন, কীসের জন্য? আমরা তো হারিনি যে যাব। হারলে আমি যদি শপথ নিতে যেতাম, তাহলে আমি রেজিগশনটা করতাম। এখন তো কোয়েশ্চেন ডাস নট অ্যারাইজ। জোর করে দখল করে যদি কেউ মনে করে যে আমি গিয়ে রেজিগশনটা দিতে হবে - নো, নট দ্যাট। আমি এখনও বলতে চাই, আমরা নির্বাচনে হারিনি। জোর করে আমাদের হারানোর জন্য ওদের চেষ্টা এটা।’

  • সর্বশেষ