শিরোনাম
◈ পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনী প্রচারে ‘বাংলাদেশ কার্ড’ যেভাবে ব্যবহার করল বিজেপি! ◈ আইপিএলের দল রাজস্থান রয়্যালসের মালিকানা নিয়ে উঠলো বিতর্ক  ◈ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগ সংঘবদ্ধ হচ্ছে, গুজব ছড়িয়ে ছাত্রদল-শিবিরের মধ্যে দ্বন্দ্বের চেষ্টা ◈ চীন ও ভারতের ফুটবল প্রেমীরা বিশ্বকাপ দেখ‌তে পা‌বেন না! সম্প্রচার নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা  ◈ টানা ৫ দফা কমার পর দেশের বাজারে আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম ◈ টিকিটের জন্য পাঁচ কোটি টাকা চেয়েছিল, তৃণমূল ছাড়ার ঘোষণা সা‌বেক ক্রিকেটার ম‌নোজ তিওয়ারির ◈ পাকিস্তান সিরিজে টি‌কিট ছাড়াই খেলা দেখতে পারবে শিক্ষার্থীরা ◈ সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন তেল নিয়ে জাহাজ পৌঁছাল, সচল হচ্ছে ইস্টার্ন রিফাইনারি ◈ ৬ হাজার কিমি পাল্লার প্রথম আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র উন্মোচন করে বিশ্বকে তাকে লাগিয়ে দিল তুরস্ক ◈ লিমন-বৃষ্টির সম্মানে মরণোত্তর ডক্টরেট ডিগ্রি দিচ্ছে মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশিত : ০৬ মে, ২০২৬, ১০:৫৯ দুপুর
আপডেট : ০৬ মে, ২০২৬, ১২:৩১ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মমতাকে ‘শাড়ি পরা ট্রাম্প’ বলে কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের

বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে বড় ব্যবধানে হারের পরও পদত্যাগ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের বিজেপির সাবেক সভাপতি ও খড়্গপুর সদরের বিধায়ক দিলীপ ঘোষ। মমতাকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি।

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনযায়ী, বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথা খড়্গপুর সদরের বিধায়ক দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিতলেই নৈতিক। বাকি অনৈতিক। জনতার আশীর্বাদকে যিনি স্বীকার করেন না, রাজনীতিতে তার কোনও জায়গা নেই। তিনি হচ্ছেন শাড়ি পরা ট্রাম্প। 

তিনি বলেন, ট্রাম্প যেমন হারার পরও সরেননি, লোকজনকে রাস্তায় নামিয়ে ঝামেলা করার চেষ্টা করেছিলেন। ইলেকশন কমিশন কড়া না হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনতাকে (রাস্তায়) নামিয়ে জোর করে দখল করতেন।’

সাধারণত নির্বাচনের পরে মুখ্যমন্ত্রী ইস্তফা দেন। যদি বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় এবং তাকেই পরিষদীয় দলের নেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়, তাহলে তিনি ফের শপথ নেন। নাহলে কুর্সি ছেড়ে দিতে হয়। 

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

এসময় তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে তিনি রাজভবনে যাবেন কিনা? সাধারণত নির্বাচনের পরে মুখ্যমন্ত্রী ইস্তফা দেন। যদি বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় এবং তাকেই পরিষদীয় দলের নেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়, তাহলে তিনি ফের শপথ নেন। নাহলে কুর্সি ছেড়ে দিতে হয়।

সে প্রসঙ্গে মমতা বলেন, ‘কেন, কীসের জন্য? আমরা তো হারিনি যে যাব। হারলে আমি যদি শপথ নিতে যেতাম, তাহলে আমি রেজিগশনটা করতাম। এখন তো কোয়েশ্চেন ডাস নট অ্যারাইজ। জোর করে দখল করে যদি কেউ মনে করে যে আমি গিয়ে রেজিগশনটা দিতে হবে - নো, নট দ্যাট। আমি এখনও বলতে চাই, আমরা নির্বাচনে হারিনি। জোর করে আমাদের হারানোর জন্য ওদের চেষ্টা এটা।’

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়