স্পোর্টস ডেস্ক : পাঁচবারের আইপিএল জয়ী দল, তারওপর তারকাখচিত, সামলানো সহজ নয়। সঙ্গে আনুষঙ্গিক অনেক চ্যালেঞ্জ থাকে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের দায়িত্ব নেওয়ার আগে নিশ্চয়ই এই বিষয়ে অবগত ছিলেন হার্দিক পাণ্ডিয়া। তার দুই মরশুম আগে, ২০২২ সালে গুজরাট টাইট্যান্সকে চ্যাম্পিয়ন করেন হার্দিক। পরের বছর তাঁর নেতৃত্বে রানার্স হয়। তাই তাঁকে অধিনায়ক করে মুম্বই। তবে রোহিত শর্মার থেকে ব্যাটন নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ধাক্কা খান। ১০ দলের মধ্যে শেষে শেষ করে মুম্বই। হোম গ্রাউন্ড ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে তাঁকে কটাক্ষ করা হয়।
২০২৫ সালে কিছুটা ভাল জায়গায় শেষ করে মুম্বই। কিন্তু এবছর আবার যে কে সেই! ১০ ম্যাচে মাত্র তিনটে জয়। প্লে অফে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই। লাগাতার খারাপ পারফরম্যান্সের জেরে হার্দিককে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি ওঠে। কিন্তু হার্দিকের পাশেই থাকছে ম্যানেজমেন্ট।
একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, হার্দিককে নিয়ে কোনও সমস্যা নেই ম্যানেজমেন্টের। তাঁর নেতৃত্বকে মুম্বইয়ের ব্যর্থতার কারণ হিসেবে দেখছে না। বরং মনে করা হচ্ছে, মুম্বই টুর্নামেন্টের নতুন ধরনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছে না। ব্যাটারদের থেকে শুরুতেই সেই আগ্রাসী ব্যাটিং পাওয়া যাচ্ছে না। বোলাররাও পাওয়ার প্লে এবং ডেথ ওভারে উইকেট পাচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে পরের মেগা নিলামের আগে কোন প্লেয়ারকে ছেড়ে দেওয়া উচিত প্রসঙ্গে, হার্দিকের নাম নেন সাইমন ডুল।
তিনি বলেন, 'পরের বছর মুম্বইয়ের অধিনায়ক কে? যদি কোনও পরিবর্তন করা হয়, তাহলে পরের অধিনায়ক কে হবে? যদি সেটা হার্দিক পাণ্ডিয়া না হয়, তাঁকে ছেড়ে দেওয়া উচিত। গত তিন বছরে ওর দল ভাল খেলতে পারছে না। তাই ভেবে দেখা উচিত।
নিউজিল্যান্ডের প্রাক্তন তারকা মনে করছেন, নেতৃত্বের চাপ কমলে আবার স্বমহিমায় পাওয়া যাবে তারকা অলরাউন্ডারকে। আগের দিন রোহিত দলে ফেরায়, জয়ে ফেরে মুম্বই। রোববার মুম্বইয়ের পরের ম্যাচ বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে।