শিরোনাম
◈ ‘অত্যন্ত শক্তিশালী’ এআই মডেল নিয়ে সতর্ক যুক্তরাষ্ট্র, চ্যাটজিপিটির প্রতিদ্বন্দ্বী ‘ক্লড ফেবল ৫’ স্থগিত, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন! ◈ বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর, অবসর-পরবর্তী আর্থিক নিরাপত্তা জোরদার করতে পাবেন পেনশন! ◈ চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্তে বিএসএফের ১১ জনের পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ করল বিজিবি ◈ গণমাধ্যম এখন বিজনেস হাউসের প্রতিনিধি হয়ে গেছে: মির্জা ফখরুল ◈ আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ছে, সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন কত? যা জানাগেল ◈ এবার পরিবর্তন হচ্ছে যে উপজেলার নাম ◈ ফজরের নামাজের সময় খুলনায় মসজিদে দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুই মুসল্লি গুলিবিদ্ধ ◈ ‘অনিচ্ছাকৃতভাবে ঘটেছে’, রামিসা হত্যা মামলায় হাইকোর্টে প্রধান আসামির দাবি ◈ রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের ৮১ শতাংশই ঝুঁকিতে, লোকসানের ভারে চাপে অর্থনীতি, ৮ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকার দায় ◈ এমপি ঘিরে বলয়, প্রার্থী নিয়ে বিরোধ: জামায়াতে বাড়ছে বিদ্রোহী প্রবণতা, শাস্তি দিয়েও থামছে না প্রার্থিতা-লবিং

প্রকাশিত : ২৯ মার্চ, ২০২৬, ০৮:২২ সকাল
আপডেট : ৩০ মে, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের পর ইসরায়েলেও যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ, চাপে নেতানিয়াহু

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরান যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে তেলআবিবের রাস্তায় নামলেন বিক্ষোভকারীরা। অপর দিকে যুক্তরাষ্ট্রেও চলছে যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ। একদিকে গাজায় চলমান অভিযান, অন্যদিকে ইরানে যুদ্ধের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল। ইহুদিবাদীরা রাস্তায় নামায় নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পাড়েছে নেতানিয়াহু সরকার।

শনিবার রাতে হাবিমা স্কোয়ারে আয়োজিত এক বিশাল যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে অন্তত ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে ইসরাইলি পুলিশ।

বিক্ষোভের আয়োজক তথা আইনের ছাত্র ইতমার গ্রিনবার্গ। কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি জানান, গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে শুরু হওয়া এই আন্দোলনের মধ্যে শনিবারের জমায়েতটি ছিল এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড়, যেখানে প্রায় ১২০০ মানুষ সমবেত হয়েছিলেন।

বিক্ষোভকারীদের দাবি, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর প্রথম দিকে মাত্র ২০ জন নিয়ে আন্দোলন শুরু হলেও বর্তমানে সাধারণ মানুষের সমর্থন কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। 

গ্রিনবার্গের মতে, আগে কেবল ইসরাইলের কট্টর বামপন্থিরাই এই যুদ্ধে বিরোধিতা করতেন, কিন্তু বর্তমানে উদারপন্থি ইহুদিবাদীরাও এই আন্দোলনে শামিল হতে শুরু করেছেন। ইসরাইলি জনমত সাধারণত যুদ্ধের পক্ষে থাকলেও, শনিবারের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণকে এক ব্যতিক্রমী ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

আন্দোলনকারীদের দাবি, তারা কোনো রাজনৈতিক দলের হয়ে নয়, বরং অঞ্চলে শান্তি ফেরানোর লক্ষ্যেই এই আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। পুলিশের ধরপাকড় সত্ত্বেও তারা আগামী দিনে আরও বড় কর্মসূচির ডাক দিয়েছেন।

এতদিন ইসরাইলের যুদ্ধপন্থি মনোভাব প্রায় একপাক্ষিক থাকলেও, এখন উদারপন্থি ইহুদিবাদীদের রাস্তায় নামা প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামি নেতানিয়াহু সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুদ্ধের ব্যয়ভার, রিজার্ভ সেনাদের দীর্ঘ অনুপস্থিতি এবং জিম্মিদের ফিরিয়ে আনার অনিশ্চয়তা সাধারণ ইসরাইলিদের মধ্যে ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে দিচ্ছে। এই বিক্ষোভ প্রমাণ করে যে, যুদ্ধের প্রশ্নে ইসরাইলি সমাজ এখন আর একক অবস্থানে নেই, যা আগাম নির্বাচনের দাবিকে আরও জোরালো করতে পারে।

বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশের ‘সহিংস’ আচরণের অভিযোগ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর নজর কেড়েছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মতো সংস্থাগুলো এই গ্রেফতার মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর আঘাত হিসেবে দেখছে।

সূত্র: সিএনএন ও আলজাজিরা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়