শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ২৬ অক্টোবর, ২০২৫, ০৯:১৮ সকাল
আপডেট : ০১ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বায়ুদূষণ রুখতে দিল্লিতে এবার কৃত্রিম বৃষ্টি

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির ভয়াবহ ধোঁয়াশা ও মারাত্মক বায়ুদূষণ মোকাবিলায় সরকার প্রথমবারের মতো কৃত্রিম বৃষ্টি নামানোর উদ্যোগ নিয়েছে। ‘ক্লাউড সিডিং’ বা মেঘে বীজ বপন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বৃষ্টিপাত ঘটিয়ে বাতাস থেকে ক্ষতিকারক ধুলিকণা ও দূষণ কমানোর লক্ষ্যে এই পরীক্ষামূলক পদক্ষেপ হাতে নেওয়া হয়েছে।

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা জানিয়েছেন, আবহাওয়ার পরিস্থিতি অনুকূল থাকলে আগামী ২৯ অক্টোবর দিল্লিতে প্রথম কৃত্রিম বৃষ্টিপাত ঘটানো হবে। আবহাওয়া দপ্তর ২৮, ২৯ ও ৩০ অক্টোবর দিল্লির আকাশে মেঘ থাকার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে। ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (আইআইটি) কানপুরের সহযোগিতায় শহরের উত্তর বুরারি এলাকায় এরইমধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে কৃত্রিম বৃষ্টিপাত ঘটানো হয়েছে।

ক্লাউড সিডিং কী এবং কেন এই উদ্যোগ?

ক্লাউড সিডিং হলো আবহাওয়া পরিবর্তনের একটি কৌশল, যেখানে বিমান থেকে মেঘের ওপর সিলভার আয়োডাইড, পটাশিয়াম আয়োডাইড বা শুষ্ক বরফের মতো রাসায়নিক স্প্রে করা হয়। এই রাসায়নিক কণাগুলো মেঘের জলকণাকে একত্রিত হতে সাহায্য করে এবং দ্রুত বৃষ্টিপাত ঘটাতে পারে।

প্রায় ৩ কোটি মানুষের মহানগরী দিল্লি নিয়মিতভাবে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত রাজধানীগুলোর মধ্যে স্থান পায়। প্রতি শীতেই খড় পোড়ানো, শিল্প কারখানা ও যানবাহনের নির্গমন থেকে সৃষ্ট তীব্র ধোঁয়াশা আকাশ ঢেকে ফেলে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই দূষণে পিএম ২.৫ কণার মাত্রা অনেক সময় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত সীমার কয়েক গুণ ছাড়িয়ে যায়। সম্প্রতি হিন্দুদের উৎসব দীপাবলি উপলক্ষ্যে আতশবাজি ছোড়ার পর দূষণের মাত্রা আরও বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। সূত্র: ঢাকা পোস্ট 

 

  • সর্বশেষ