শিরোনাম
◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে ◈ আফগান লিগে নাম লেখালেন তাসকিন

প্রকাশিত : ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০:২০ দুপুর
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গাজা শহরের কেন্দ্রে দুই দিক থেকে প্রবেশ করছে ইসরায়েলি সেনারা

সূত্র-আল-জাজিরা: গাজা শহরের কেন্দ্রের দিকে দুই দিক থেকে অগ্রসর হচ্ছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। এতে শহরবাসীরা বাধ্য হচ্ছেন উপকূলের দিকে সরে যেতে।

বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র নাদাভ শোশানি জানান, হামাসের ওপর চাপ বাড়াতে সেনাবাহিনীর পদাতিক, ট্যাংক ও গোলন্দাজ ইউনিট বিমান বাহিনীর সহায়তায় শহরের অভ্যন্তরে অগ্রসর হচ্ছে।

advertisement

ইসরায়েলি সেনারা শহরের উত্তর-পশ্চিম এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে অগ্রসর হচ্ছে, ফলে সাধারণ মানুষ মাঝখানে ফেঁসে গিয়ে পশ্চিম দিকে সরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন—যেখানে অবস্থিত আল-রশিদ উপকূলীয় সড়ক, যা দক্ষিণের দিকে চলে গেছে।

তাছাড়া অতিরিক্ত জনবহুল এলাকাগুলোর ওপর চালানো হামলায় আতঙ্ক ও ভয় ছড়িয়ে পড়েছে। মানুষ জীবন বাঁচাতে দৌড়ে পালাচ্ছেন। এখন আমরা মানুষের ঢল দেখছি যারা বাঁচার জন্য ছুটে চলেছেন।

advertisement

গাজা শহরের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সেখানে ড্রোন ও যুদ্ধবিমান থেকে অব্যাহত বিমান হামলা হচ্ছে। এ ছাড়া ইসরায়েলি বাহিনী নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরকবোঝাই রোবট যান ব্যবহার করে এলাকা ধ্বংস করছে।

চিকিৎসা সূত্র জানিয়েছে, শুধু বৃহস্পতিবার গাজা শহরে কমপক্ষে ৪০ জন নিহত হয়েছেন।

advertisement

এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে অনেক পরিবার আবারও বাস্তুচ্যুত হওয়ার শঙ্কায় আছেন—এবার এমন এক পরিস্থিতিতে, যেখানে ‘নিরাপদ অঞ্চল’ বলে কিছু নেই এবং তারা হয়তো আর কখনো ঘরে ফিরতে পারবেন না।

তবে এতকিছুর পরও অনেকেই নিজেদের জায়গা ছাড়েননি। ফিলিস্তিনি পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যমতে, মঙ্গলবার পর্যন্ত গাজার উত্তরাঞ্চলে এখনো প্রায় ৭ লাখ ৪০ হাজার মানুষ অবস্থান করছেন—যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩৫ শতাংশ। 

অনুবাদ: জাগো নিউস ২৪ 

  • সর্বশেষ