শিরোনাম
◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস ◈ দেশের শিশুস্বাস্থ্যে গবেষণার কেন্দ্র বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, তবু শয্যা ও প্রযুক্তি সংকট ◈ কাল শুরু হচ্ছে সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন, বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ◈ 'অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছে' কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নিয়ে আসিফের কড়া মন্তব্য; দিলেন বরাদ্দের ব্যাখ্যা ◈ তুরস্ক কেন বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে? ◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান ◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের

প্রকাশিত : ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০:২০ দুপুর
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গাজা শহরের কেন্দ্রে দুই দিক থেকে প্রবেশ করছে ইসরায়েলি সেনারা

সূত্র-আল-জাজিরা: গাজা শহরের কেন্দ্রের দিকে দুই দিক থেকে অগ্রসর হচ্ছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। এতে শহরবাসীরা বাধ্য হচ্ছেন উপকূলের দিকে সরে যেতে।

বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র নাদাভ শোশানি জানান, হামাসের ওপর চাপ বাড়াতে সেনাবাহিনীর পদাতিক, ট্যাংক ও গোলন্দাজ ইউনিট বিমান বাহিনীর সহায়তায় শহরের অভ্যন্তরে অগ্রসর হচ্ছে।

ইসরায়েলি সেনারা শহরের উত্তর-পশ্চিম এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে অগ্রসর হচ্ছে, ফলে সাধারণ মানুষ মাঝখানে ফেঁসে গিয়ে পশ্চিম দিকে সরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন—যেখানে অবস্থিত আল-রশিদ উপকূলীয় সড়ক, যা দক্ষিণের দিকে চলে গেছে।

তাছাড়া অতিরিক্ত জনবহুল এলাকাগুলোর ওপর চালানো হামলায় আতঙ্ক ও ভয় ছড়িয়ে পড়েছে। মানুষ জীবন বাঁচাতে দৌড়ে পালাচ্ছেন। এখন আমরা মানুষের ঢল দেখছি যারা বাঁচার জন্য ছুটে চলেছেন।

গাজা শহরের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সেখানে ড্রোন ও যুদ্ধবিমান থেকে অব্যাহত বিমান হামলা হচ্ছে। এ ছাড়া ইসরায়েলি বাহিনী নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরকবোঝাই রোবট যান ব্যবহার করে এলাকা ধ্বংস করছে।

চিকিৎসা সূত্র জানিয়েছে, শুধু বৃহস্পতিবার গাজা শহরে কমপক্ষে ৪০ জন নিহত হয়েছেন।

এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে অনেক পরিবার আবারও বাস্তুচ্যুত হওয়ার শঙ্কায় আছেন—এবার এমন এক পরিস্থিতিতে, যেখানে ‘নিরাপদ অঞ্চল’ বলে কিছু নেই এবং তারা হয়তো আর কখনো ঘরে ফিরতে পারবেন না।

তবে এতকিছুর পরও অনেকেই নিজেদের জায়গা ছাড়েননি। ফিলিস্তিনি পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যমতে, মঙ্গলবার পর্যন্ত গাজার উত্তরাঞ্চলে এখনো প্রায় ৭ লাখ ৪০ হাজার মানুষ অবস্থান করছেন—যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩৫ শতাংশ। 

অনুবাদ: জাগো নিউস ২৪ 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়