শিরোনাম
◈ ভারতে ব্রা‌জি‌লের ম্যাচ বয়কটের ডাক বাইচুংয়ের, পালটা কী জবাব ব্রাজিলের ফুটবল কর্তার? ◈ বিদেশে উচ্চশিক্ষায় এসএসসির রেজাল্টের গুরুত্ব কতটা?  ◈ ‘ইসলামিক ন্যাটোতে’ বাংলাদেশের যোগদানের সম্ভাবনা, ভারত কেন এত উদ্বিগ্ন : ফার্স্টপোস্টের প্রতিবেদন ◈ ঢাকার চীনা দূতাবাসে ইমেইলে হামলার হুমকি, শুরু হয়েছে তদন্ত ◈ ‘বিয়ের ফাঁদে’ চীনে পাচার : ৫ বছরে গেছেন ৪২২৬ বাংলাদেশি নারী, অনেকের স্বপ্ন পরিণত হয়েছে ‘অভিশপ্ত নরকে’ ◈ খাটের নিচে ছেলে, ছাদে স্ত্রী-মেয়ে; অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের বাড়িতে ৪ লাশ ◈ এআইয়ের কাছে কখনোই চাইবেন না এই ৫ পরামর্শ ◈ সকালের মধ্যে দেশের ৭ জেলায় ঝরতে পারে বৃষ্টি ◈ সৌদি-তুর্কি-পাকিস্তানের জোটে যোগ দেয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ‘ইতিবাচক’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ◈ ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা, বৃটেনে পুলিশ কর্মকর্তাসহ সাতজন নিহত

প্রকাশিত : ০৬ জুন, ২০২৬, ০৭:৪৫ বিকাল
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

'অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছে' কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নিয়ে আসিফের কড়া মন্তব্য; দিলেন বরাদ্দের ব্যাখ্যা

কুমিল্লা প্রতিনিধি: কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসকের একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া। তিনি প্রশাসকের মন্তব্যের সমালোচনা করে সরকারি বরাদ্দ বণ্টন প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া বলেছেন, খোঁজ নিয়ে জেনেছেন কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছেন। শনিবার দুপুরে কুমিল্লার দেশপ্রিয় কনভেনশন হলে দলটির ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আসিফ মাহমুদ বলেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত কেউ নিজের কাজ যথাযথভাবে করতে ব্যর্থ হলে অনেক সময় অন্যের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করেন। তিনি দাবি করেন, জেলা পরিষদের বরাদ্দ নিয়ে প্রশাসকের বক্তব্য বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

প্রশাসকের সমালোচনা আসিফ মাহমুদ করে বলেন, যখন কেউ নিজের কাজ করতে ব্যর্থ হয়, তখন সে অন্যদের ওপর দোষ চাপাতে শুরু করে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশাসকের ওই বক্তব্যের পর তিনি তার ব্যাপারে খোঁজ নিয়েছেন। আসিফ নজরুল দাবি করেন, "আমি জানতে পারলাম উনি অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছেন। এর থেকে বেশি প্রত্যাশাও আমরা রাখতে পারি না"।

আসিফ মাহমুদের ভাষ্য, জেলা পরিষদের বিশেষ ও সাধারণ বরাদ্দ নিয়ম মেনে সব উপজেলা ও সংসদীয় আসনে বিতরণ করা হয়েছে। প্রকল্পভিত্তিক এই বরাদ্দের সব তথ্য প্রশাসকের দপ্তর এবং সরকারি ওয়েবসাইটে উন্মুক্ত রয়েছে।

তিনি জানান, কুমিল্লা সদর উপজেলায় ১১ কোটি টাকারও বেশি বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সিটি করপোরেশনের মাধ্যমেও পৃথক বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে।

জেলা পরিষদ প্রশাসকের সমালোচনা করে আসিফ মাহমুদ বলেন, গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও প্রশিক্ষণের অভাব থাকলে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দেওয়ার ঝুঁকি থাকে। তিনি অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক বিবেচনায় অনেককে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যাদের পর্যাপ্ত প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা নেই।

বরাদ্দে বৈষম্যের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে বিভিন্ন এলাকায় উন্নয়ন বরাদ্দ বণ্টন নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। কর আদায়ের ক্ষেত্রে কোনো বৈষম্য না থাকলে উন্নয়ন বরাদ্দের ক্ষেত্রেও সমতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, পূর্বে অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর কাজ দ্রুত বাস্তবায়নের দায়িত্ব বর্তমানে জেলা পরিষদ প্রশাসনের। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে কোনো ধরনের গাফিলতি হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তার জবাবদিহি করতে হবে।

আসিফ মাহমুদের এই বক্তব্যের পর কুমিল্লার স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন ও প্রশাসনিক মহলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে জেলা পরিষদ প্রশাসকের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়