শিরোনাম
◈ জাতীয় কবি কাজী নজরুলের মৃত্যুবার্ষিকী আজ ◈ দুদিন পরেই বিরল চন্দ্রগ্রহণ, দেখা যাবে যেসব অঞ্চলে ◈ স্কুলশিক্ষার্থী অন্তঃসত্ত্বা, বিএনপি নেতাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলা ◈ মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ ◈ নেপালে আকস্মিক বন্যায় ভূমিধসে নিহত অন্তত ১৬০, নিখোঁজ ৮ শতাধিক ◈ ১৯ বছর ধরে পালাতক ‘পিচ্চি হান্নানের’ সহযোগী ‘কিলার মাসুদ’ গ্রেপ্তার ◈ নেপালের ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে শোক, সহায়তায় প্রস্তুত বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি ◈ শ্রীলঙ্কার বিরু‌দ্ধে সিরিজ জয়ের পথে ভারত ◈ গ্রামের নিম্নবিত্তের সবজি কচু-লতি এখন রপ্তানি হচ্ছে ইউরোপ-আমেরিকায় ◈ ৪৫ বছর পর জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় নতুন মোড়, গ্রেপ্তার মোজাফফরকে নিয়ে হবে তদন্ত

প্রকাশিত : ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৯:৩২ সকাল
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রক্টর অফিসের সামনে ভ্রাম্যমাণ দোকান বসালেন ডাকসু সদস্য সর্বমিত্র

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) আশেপাশের এলাকায় ভ্রাম্যমাণ দোকান তুলে না দিয়ে প্রক্টর অফিসের সামনে রেখে ‘প্রতীকী প্রতিবাদ’- এর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং তা অব্যাহত রাখবেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমা।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে প্রক্টর অফিসের সামনে ভ্রাম্যমাণ দোকান রেখেছিলেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ প্রক্টরিয়াল টিমকে সেগুলো সরাতে বললে দোকানিরা সেগুলো নিয়ে যায় বলে বাংলা ট্রিবিউনকে জানান সর্বমিত্র চাকমা।

সর্বমিত্র চাকমা বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, তিনি বুধবার সন্ধ্যায় টিএসসি দিয়ে যাওয়ার সময় ভ্রাম্যমাণ দোকান দেখলে টিএসসিতে অবস্থানরত প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যকে বলেন দোকান তুলে দিতে। কিন্তু প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যরা জানান, তারা তুলে দিলে আবার ৫ মিনিটের মধ্যে ফিরে আসে।

এরপর সর্বমিত্র তাদের দোকানগুলো জব্দ করার পরামর্শ দিলে প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যরা জানান, তাদের ‘ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা’রা তাদের নির্দেশনা দিয়েছেন ‘কোনোভাবেই দোকান জব্দ না করে শুধুমাত্র ফিরিয়ে দিতে’।

‘এই যে ফিরিয়ে দেওয়া, আবার ৫ মিনিট পর ধাওয়া দেওয়া, এরপর ৫ মিনিট পর আবার এসে বসা এইটা তো স্থায়ী কোনও সমাধান না। আমরা যতই প্রশাসনকে একটা স্থায়ী সমাধানের দিকে তাগাদা দিচ্ছি, তারা খুব একটা বেশি এগুলোতে কর্ণপাত করছে না। তাই এইটা অনেকটা প্রতীকী একটা প্রতিবাদ,’ যোগ করেন সর্বমিত্র। 

সর্বমিত্র বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আলোচনা করবেন এবং তারা কোনও স্থায়ী সমাধান না দিলে সব ভ্রাম্যমাণ দোকান প্রক্টর অফিসের সামনে রেখে প্রতীকী প্রতিবাদ চালিয়ে যাবেন বলেও জানান।

তিনি বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীরা যে বিড়ম্বনার মুখোমুখি হই, সেটা প্রক্টর এবং সহকারী প্রক্টরসহ দায়িত্বশীল যারা আছেন তাদের এটা বোঝা দরকার।’

ডাকসুর এ সদস্য বলেন, ‘ভ্রাম্যমাণ দোকানগুলো কোনও একক ব্যক্তির নয় বরং বিভিন্ন সিন্ডিকেট দ্বারা পরিচালিত। প্রক্টরিয়াল টিমের কাজ শুধু ভ্রাম্যমাণ দোকান তাড়ানো নয়। আমার মনে হয়, প্রশাসন এক্ষেত্রে একদম উদাসীন এবং স্থায়ী কোনও সমাধানের দিকে তাদের আগানোর কোনও স্বদিচ্ছা নেই।’

  • সর্বশেষ