শিরোনাম
◈ জাতীয় কবি কাজী নজরুলের মৃত্যুবার্ষিকী আজ ◈ দুদিন পরেই বিরল চন্দ্রগ্রহণ, দেখা যাবে যেসব অঞ্চলে ◈ স্কুলশিক্ষার্থী অন্তঃসত্ত্বা, বিএনপি নেতাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলা ◈ মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ ◈ নেপালে আকস্মিক বন্যায় ভূমিধসে নিহত অন্তত ১৬০, নিখোঁজ ৮ শতাধিক ◈ ১৯ বছর ধরে পালাতক ‘পিচ্চি হান্নানের’ সহযোগী ‘কিলার মাসুদ’ গ্রেপ্তার ◈ নেপালের ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে শোক, সহায়তায় প্রস্তুত বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি ◈ শ্রীলঙ্কার বিরু‌দ্ধে সিরিজ জয়ের পথে ভারত ◈ গ্রামের নিম্নবিত্তের সবজি কচু-লতি এখন রপ্তানি হচ্ছে ইউরোপ-আমেরিকায় ◈ ৪৫ বছর পর জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় নতুন মোড়, গ্রেপ্তার মোজাফফরকে নিয়ে হবে তদন্ত

প্রকাশিত : ১১ জানুয়ারী, ২০২৬, ১২:১০ দুপুর
আপডেট : ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চবিতে ৯ ঘণ্টা পর মুক্ত অবরুদ্ধ সেই শিক্ষক, পরে প্রক্টরের গাড়িতে ক্যাম্পাস ত্যাগ

জুলাই আন্দোলনের বিরোধিতার অভিযোগে শিক্ষার্থীদের হাতে আটক হওয়া চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) আইন বিভাগের শিক্ষক হাসান মোহাম্মদ রোমান শুভ প্রায় ৯ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর মুক্ত হয়েছেন। শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে প্রশাসনিক ভবন থেকে বেরিয়ে প্রক্টরের গাড়িতে করে তিনি ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন।

এর আগে দুপুরে ভর্তি পরীক্ষার হওয়ার সময় চাকসুর প্রতিনিধিরা তাকে আটক করতে এগিয়ে যান। এসময় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি আইন বিভাগের সামনের পথ এড়িয়ে পেছনের একটি রাস্তা দিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পালানোর সময় শিক্ষার্থীরা দৌড়ে তাকে ধরে ফেলেন। এরপর তাকে ধরে রিকশায় তুলে প্রক্টর অফিসে নেয়া হয়।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, জুলাই আন্দোলনের সময় সংঘটিত হত্যাকে সমর্থন তিনি করেন ও আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তির সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষক হাসান মোহাম্মদ রোমান শুভ বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে আমি বিরোধিতা করেছি বা এ কাজে সহযোগিতা করেছি এর কোনো প্রমাণ নেই। যদি থাকে তাহলে প্রমাণসহ আমাকে বলুন। আমি কোনো অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না। আমাকে অন্যায়ভাবে আটকে রাখা হয়েছে।’

এ বিষয়ে মামলা হয়েছে কি না জানতে চাইলে চাকসুর জিএস সাঈদ বিন হাবিব বলেন, ‘চাকসুর নেতারা হাটহাজারী থানায় মামলা করতে গেলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুমতি ছাড়া মামলা নেয়া যাবে না বলে জানানো হয়। আমরা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে বিষয়টি তুলেছি। প্রশাসন জানিয়েছে, তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী বলেন, ‘আমরা তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ পেয়েছি। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে একটি তদন্ত চলমান রয়েছে। আগামী সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।’

  • সর্বশেষ