শিরোনাম
◈ ১১ বছর পর নতুন পে-স্কেল, বর্ধিত বেতন কবে হাতে পাবেন চাকরিজীবীরা ◈ জাহাজ পুনর্ব্যবহার শিল্পে বিশ্বমঞ্চে শীর্ষে বাংলাদেশ, বছরে আয় ২.১ বিলিয়ন ডলার ◈ স্বামী-স্ত্রীর ডিভোর্স হতে পারে, প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে নয়: সংসদে জিএম সিরাজ ◈ বাংলাদেশের ভেতরে স্থলমাইন পুঁতছে কারা? সীমান্তবাসীর আতঙ্ক বাড়ছে ◈ মমতাকে সরিয়ে তৃণমূলের নতুন চেয়ারম্যান অরূপ রায় ◈ আয়ের চেয়ে ৩২ গুণ বেশি খরচ বিটিভির ◈ ‌বিশ্বকা‌পে ইরা‌নের এই খেলোয়াড়দের মনে রাখবে ইতিহাস এবং ভবিষ‍্যৎ প্রজন্ম, বল‌লেন কোচ ◈ খেলার দুই অ‌র্ধে হাইড্রেশন ব্রেকের কারণে ছন্দ নষ্ট হয়, বল‌লেন আ‌র্জেন্টিনার কোচ স্ক্যালোনি  ◈ বাংলাদেশ–মালয়েশিয়া এফটিএ: বাণিজ্য সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরু ◈ ইরা‌নের মর্যাদা‌ রক্ষায় বিশ্বকা‌পে ফুটবলাররা যুক্তরাষ্ট্রে লড়াই করছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত : ২২ জুন, ২০২৬, ০৭:৫৯ বিকাল
আপডেট : ২২ জুন, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৭১,৮৫০ কোটি ব্যয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্প, অর্থায়নে বিদেশি ঋণ খুঁজছে সরকার

দেশের অর্থনৈতিক লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত করার লক্ষ্যে বৈদেশিক ঋণ নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার। 

ইতোমধ্যে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো প্রাথমিক প্রকল্প প্রস্তাবে ২৩২ দশমিক ৭৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এই জাতীয় মহাসড়ক উন্নয়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ৭১ হাজার ৮৫০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৫৫ হাজার ৮০ কোটি টাকা বৈদেশিক ঋণ থেকে জোগানের প্রস্তাব করা হয়েছে। বাকি ১৬ হাজার ৭৭০ কোটি টাকা সরকারি তহবিল থেকে জোগান দেওয়া হবে।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, বৈদেশিক অর্থায়ন নিশ্চিত হওয়া সাপেক্ষে ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে ২০৩২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

পিডিপিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ক্রমবর্ধমান যানবাহনের চাপ সামাল দিতে এবং সরকারের অর্থনৈতিক নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ঢাকা-চট্টগ্রাম জাতীয় মহাসড়ককে উপযুক্ত সক্ষমতায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর ইতোমধ্যে বিদ্যমান ৪ লেনের এই মহাসড়কটিকে উভয় পাশে সার্ভিস লেনসহ ৬ লেনের নিয়ন্ত্রিত প্রবেশাধিকারবিশিষ্ট মহাসড়কে উন্নীত করার সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ নকশা সম্পন্ন করেছে।

প্রস্তুতকৃত নকশা অনুযায়ী, মহাসড়কটিতে স্থানীয় ও ধীরগতির যানবাহন চলাচলের জন্য মূল লেনের দুই পাশে আলাদা সার্ভিস লেন থাকবে, যার সঙ্গে পার্শ্ববর্তী সড়কগুলো যুক্ত হবে। চালকেরা শুধু নির্দিষ্ট এন্ট্রি ও এক্সিট পয়েন্ট ব্যবহার করে সার্ভিস লেন থেকে মূল এক্সপ্রেসওয়েতে প্রবেশ করতে বা বের হতে পারবেন।

মহাসড়কজুড়ে নিরবচ্ছিন্ন যান চলাচল নিশ্চিত করতে বিদ্যমান সব ইন্টারসেকশন বা মোড়কে সিস্টেম বা সার্ভিস ইন্টারচেঞ্জ অথবা উপযুক্ত গ্রেড-সেপারেটেড কাঠামোতে, যেমন ফ্লাইওভার বা আন্ডারপাসে, রূপান্তর করা হবে।

যানজট এড়াতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের আওতাধীন সব শহরাঞ্চলে মূল অ্যাক্সেস-কন্ট্রোলড হাইওয়েটি এলিভেটেড আকারে নির্মাণ করা হবে।

পুরো মহাসড়কটি পরিচালনার জন্য আধুনিক ইন্টেলিজেন্ট ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর আশা করছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে বন্দরনগরী ও রাজধানীর মধ্যে যাতায়াতের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে, দুর্ঘটনা হ্রাস পাবে এবং দেশের প্রধান বাণিজ্য করিডোরে বিশ্বমানের যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।

বৈদেশিক অর্থায়নের ব্যবস্থা 

সওজ কর্মকর্তারা জানান, বৈদেশিক ঋণ নিশ্চিত করার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পিডিপিপি নীতিগত অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশনের নীতিগত অনুমোদনের পর এই প্রকল্পে বৈদেশিক অর্থায়ন নিশ্চিত করতে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের মাধ্যমে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক উন্নয়নে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক অর্থায়নে আগ্রহী। তবে বড় প্রকল্প হওয়ায় এডিবির পক্ষে এককভাবে অর্থায়ন করা কঠিন হতে পারে। এ কারণে এডিবির নেতৃত্বে সহ-অর্থায়নের মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হতে পারে। এক্ষেত্রে এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক অথবা জাপান সরকারের আন্তর্জাতিক সহযোগী সংস্থাকে সহ-অর্থায়নকারী হিসেবে প্রস্তাব দেওয়া হতে পারে। তবে বিষয়টি চূড়ান্ত করবে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ।

পিপিপিতে দীর্ঘমেয়াদি সুবিধা মিলতে পারে

এদিকে পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, নীতিগত অনুমোদনের অংশ হিসেবে শিগগিরি একটি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় বড় ব্যয়ের প্রকল্পটি প্রথমে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপে (পিপিপি) বাস্তবায়ন করা যায় কিনা, তা পর্যালোচনা করা হবে। বিশ্বে এ ধরনের প্রকল্প সাধারণত পিপিপি মডেলে বাস্তবায়ন করা হয়।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. শামসুল হক বলেন, "বাংলাদেশে আমরা সাধারণত সড়ক অবকাঠামো নির্মাণ করতে পারি, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে তা যথাযথভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করতে ব্যর্থ হই।"

তিনি বলেন, "এর বিপরীতে পিপিপি মডেলে সাধারণত ২৫ থেকে ৩০ বছরের অপারেশন ও রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি থাকে। ফলে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান নিজস্ব স্বার্থে সড়কের মান সবসময় উচ্চ পর্যায়ে বজায় রাখে এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করে।"

ড. শামসুল হক আরও বলেন, "বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে সড়ক অবকাঠামো উন্নত ও কার্যকর হওয়ার অন্যতম কারণ হলো এই দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা। বাস্তবতা হলো, সরকারি জনবল দিয়ে নিবিড় ও ধারাবাহিক রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা কঠিন। এই সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় পিপিপি মডেল একটি কার্যকর সমাধান, যেখানে বিনিয়োগ ঝুঁকি ও অপারেশন সমন্বিতভাবে পরিচালিত হয়।"

তিনি বলেন, "পিপিপি মডেলে অর্থায়ন বহুপক্ষীয় ব্যাংকঋণের তুলনায় অধিক কার্যকর। কারণ, ব্যাংকঋণ শুধু নির্মাণ পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকে, কিন্তু পিপিপি বিনিয়োগকারী নির্মাণের পাশাপাশি পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বও নেয়। ফলে বিনিয়োগকারীর সরাসরি স্বার্থ থাকে সেবার মান বজায় রাখার মধ্যে, যা প্রকল্পের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে।"

ছয় লেনের সড়ক ব্যবহারের জন্য দিতে হবে টোল

সওজ কর্মকর্তারা জানান, টোল আদায়ের ব্যবস্থা রেখে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সম্প্রসারণের নতুন নকশা করা হয়েছে। 

নকশা অনুযায়ী, কোনো গাড়ি ইচ্ছা করলেই মূল সড়ক থেকে সার্ভিস লেনে বা সার্ভিস লেন থেকে মূল সড়কে উঠতে পারবে না। এতে যানজট কমবে এবং ভ্রমণ সময় কমবে। ফলে যাত্রীদের যাতায়াত আরও দ্রুত, আরামদায়ক ও নিরাপদ হবে। একই সঙ্গে বাস সার্ভিস আরও সময়নিষ্ঠ ও আধুনিক হতে পারবে।

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম বন্দরভিত্তিক পণ্য পরিবহন দ্রুততর হওয়ায় সরবরাহ শৃঙ্খলা আরও কার্যকর হবে এবং পরিবহন ব্যয় কমতে পারে, যা দেশের শিল্প ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে সহায়ক হবে। মহাসড়ককে কেন্দ্র করে নতুন শিল্পাঞ্চল, গুদাম ও লজিস্টিক হাব গড়ে ওঠার সম্ভাবনাও বাড়বে।

সওজ সূত্র জানায়, পুরো সড়কের যাত্রাবাড়ী থেকে মদনপুর পর্যন্ত প্রায় ১৩ দশমিক ৫ কিলোমিটার এলিভেটেড সড়ক থাকবে। এছাড়া চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সলিমপুর থেকে সাগরিকা পর্যন্ত আট কিলোমিটারের আরেকটি এলিভেটেড সড়ক থাকবে চট্টগ্রাম শহরের প্রবেশমুখে। পাশাপাশি ব্যস্ততম ছয়টি ইন্টারসেকশনেও ছয়টি ফ্লাইওভার নির্মাণের বিষয়টি বিস্তারিত নকশায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

যে ছয়টি স্থানে ফ্লাইওভার হবে, সেগুলো হলো—নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড, শিমরাইল ও মদনপুর এবং চট্টগ্রামের বারইয়ারহাট, আবুতোরাব বাজার ও সলিমপুর।

সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, পুরো মহাসড়কটি ছয় লেন করা হলেও শহর অঞ্চলে সার্ভিস লেনসহ ১০ লেনের নকশা করা হয়েছে।

সওজ কর্মকর্তারা জানান, অর্থায়নের চাপ কমাতে এই মহাসড়কের যাত্রাবাড়ী থেকে মদনপুর এবং সলিমপুর থেকে সাগরিকা পর্যন্ত এলিভেটেড সড়ক পিপিপি বা সম্পদ নগদায়ন পদ্ধতিতে অর্থায়নের কথা ভাবা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।

কোন খাতে কত ব্যয় হবে?

সওজের প্রাথমিক প্রকল্প প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রকল্পের অন্যতম প্রধান অংশ হলো মূল সড়ক অবকাঠামো তৈরি। ২৩২ দশমিক ৭৬ কিলোমিটার সড়কজুড়েই এই ভৌত নির্মাণকাজ পরিচালিত হবে। এই রোড ওয়ার্কস খাতে মোট বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২৪ হাজার ৭০০ কোটি টাকা।

সেতু, কালভার্ট কিংবা ফ্লাইওভারের মতো ৭৫ দশমিক ৬২ মিটার দীর্ঘ ফাউন্ডেশনসহ মূল অবকাঠামোগত কাজের জন্য বড় অঙ্কের বাজেট রাখা হয়েছে। এই খাতে মোট ব্যয়ের পরিমাণ ৩৫ হাজার ১৭৯ কোটি টাকা।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য মোট ৩৫৮ দশমিক ৪০ একর জমি অধিগ্রহণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই খাতে মোট ব্যয়ের প্রাক্কলন করা হয়েছে ৩ হাজার ৫৯০ কোটি টাকা। এ ছাড়া ভূমি অধিগ্রহণের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষতিপূরণ এবং তাদের যথাযথ পুনর্বাসনের জন্য থোক বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এই মানবসম্পদ ও সামাজিক সুরক্ষামূলক খাতে মোট ১ হাজার ৪৭৯ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে।

২৩২ দশমিক ৭৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রকল্প এলাকায় কাজের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি, সাইট ম্যানেজমেন্ট এবং প্রকৌশলীদের গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ সুবিধা নিশ্চিত করতে মোট ১ হাজার ৩১৬ দশমিক ৭৪ কোটি টাকা ব্যয় প্রস্তাব করা হয়েছে।

মহাসড়কটিতে স্বয়ংক্রিয় ও সুশৃঙ্খল টোল আদায়ের জন্য চারটি প্রধান এবং ১০০টি স্যাটেলাইট টোল প্লাজাসহ মোট ১০৪টি টোল প্লাজা নির্মাণ করা হবে।

মহাসড়কজুড়ে প্রযুক্তিনির্ভর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বা ইন্টেলিজেন্ট ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম এবং ওএফসি-ভিত্তিক আধুনিক টোল কালেকশন সিস্টেম স্থাপন করা হবে। ডিজিটাল ও নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতকরণের এই প্রযুক্তিগত খাতে মোট ১ হাজার ২৯ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে।

দেশের মোট আমদানি-রপ্তানি পণ্যের প্রায় ৯৬ শতাংশ এই মহাসড়ক দিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে যাতায়াত করে। এটি ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যে একমাত্র প্রধান সড়ক এবং নেপাল, ভুটান ও ভারতের জন্য সমুদ্রবন্দরে প্রবেশের বড় মাধ্যম।

সওজ কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে চার লেনের এই সড়কে দৈনিক প্রায় ৩০ হাজার যানবাহন চলাচল করে, যার ৩০-৪০ শতাংশ পণ্যবাহী ট্রাক। মহাসড়কে ধীর ও দ্রুতগতির গাড়ি একসঙ্গে চলা, অসংখ্য ফিডার রোডের সংযোগ এবং শিল্পাঞ্চলে ট্রাক দাঁড়িয়ে থাকার কারণে নিয়মিত তীব্র যানজট ও দুর্ঘটনা ঘটছে।

সূত্র; দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়