শিরোনাম
◈ মোগলহাট স্থলবন্দর চালুর সুসংবাদ দিলেন দুই মন্ত্রী, পরিদর্শনে মিলল নতুন আশার আলো ◈ রাজধানীতে আগামীকাল ৭ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায় ◈ প্রতিটি সিটি কর্পোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ◈ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ ◈ অটোগ্যাসে বড় মূল্যবৃদ্ধি, লিটারে বাড়ল প্রায় ১১ টাকা ◈ আখতারুজ্জামানের জামিন নাকচ, আদালত প্রাঙ্গণে বিএনপি-জামায়াতপন্থী আইনজীবীদের হাতাহাতি ◈ ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ৩০০ ◈ দিল্লিতে রিয়াজ-জয়শঙ্কর বৈঠক, অমীমাংসিত সংকট নিরসনে আলোচনায় জোর ◈ তৃণমূলের রাজ্যসভা আসনে এবার বিজেপির প্রার্থী কোয়েল মল্লিক ◈ ডেঙ্গুতে আরো ৬ প্রাণহানি, হাসপাতালে ২০৮৯

প্রকাশিত : ০৪ অক্টোবর, ২০২৬, ০৭:০৮ বিকাল
আপডেট : ০৪ অক্টোবর, ২০২৬, ০৭:০৮ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাগেরহাটে তিন দিনের ব্যবধানে এলপি গ্যাসের দাম বেড়েছে ৪০০ টাকা

এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার : বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ,রামপালসহ ৯ উপজেলায় মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে রান্নার তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপি গ্যাস) এর দাম সিলিন্ডারপ্রতি প্রায় ৩০০ টাকা বেড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভোক্তারা। ১২ কেজির একটি সিলিন্ডার কয়েক দিন আগেও ১ হাজার ৭০০ থেকে ১ হাজার ১৭৫০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ২ হাজার ১ থেকে ২ হাজার ২৫০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে। কোনো কোনো দোকানে এর চেয়েও বেশি দাম নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

হঠাৎ করে এ মূল্যবৃদ্ধির সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে না পারায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ ভোক্তারা। একই সঙ্গে চা দোকান, হোটেলসহ গ্যাসনির্ভর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও বাড়তি দামের কারণে আর্থিক চাপের মুখে পড়েছেন।

জেলার মোরেলগঞ্জ,রামপালসহ বিভিন্ন  উপজেলা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এলপি গ্যাসের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপস্থিতি থাকলেও বাড়তি দাম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন তারা। ভোক্তাদের অভিযোগ, দোকানভেদে গ্যাসের দামে পার্থক্য রয়েছে এবং অনেক ক্ষেত্রে মূল্যতালিকা দৃশ্যমান স্থানে টাঙানো নেই।

মোরেলগঞ্জের গৃহিণী শিউলি বেগম বলেন, হঠাৎ করে গ্যাসের দাম এত বাড়ল কেন, কেউ কিছু বলতে পারে না। দোকানদাররা বলেন কোম্পানি দাম বাড়িয়েছে। কিন্তু সরকারি কোনো ঘোষণা তো শুনিনি। সংসার চালানো খুব কষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

advertisement

মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপরও। চা দোকানি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমাদের ব্যবসা গ্যাস ছাড়া চলে না। তিন দিনে ৩০০ টাকা দাম বাড়লে লাভ তো দ‚রের কথা, দোকান চালানোই কঠিন হয়ে যায়।

হোটেল ব্যবসায়ী উজ্জল গাজী বলেন, এভাবে হঠাৎ দাম বাড়া আগে দেখিনি। অনেক দোকানে দামের কোনো রশিদ দেওয়া হয় না। সরকারি মনিটরিংও চোখে পড়ে না। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি আমরা ব্যবসায়ীরা।

এলপি গ্যাস বিক্রেতাদের দাবি, তারা নিজেরাও অনেকটা নিরুপায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ডিলার জানান, পরিবহন ব্যয় ও সরবরাহ পর্যায়ের বিভিন্ন খরচের কথা বলে কোম্পানির পক্ষ থেকে দাম বাড়ানো হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে তাদের হাতে লিখিত কোনো নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে না বলে দাবি করেন তারা।

এ বিষয়ে রামপাল উপজেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তা বলেন, এলপি গ্যাসের দাম সরকার নির্ধারিত। কেউ নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করলে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভোক্তাদের অভিযোগ, সরকারি ম‚ল্য নির্ধারণের ব্যবস্থা থাকলেও বাস্তবে তা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে না। বাজারে একেক দোকানে একেক দামে এলপি গ্যাস বিক্রি হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।

সচেতন মহলের মতে, এলপি গ্যাসের বাজারে নিয়মিত মনিটরিং জোরদার করা, দোকানে দৃশ্যমান স্থানে ম‚ল্যতালিকা টাঙানো এবং নির্ধারিত মূল্যের বেশি দামে বিক্রির অভিযোগে দ্রæত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। এতে ভোক্তাদের ভোগান্তি কমানোর পাশাপাশি বাজারে মূল্য স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক হবে।

  • সর্বশেষ