শিরোনাম
◈ সংসদে চার গুরুত্বপূর্ণ স্থায়ী কমিটি গঠন, নেতৃত্বে অভিজ্ঞদের প্রাধান্য ◈ বাংলাদেশের ট্রেনে স্টারলিংক: ৬০ রাউটারের ৪৫টিই চুরি, উপবন এক্সপ্রেসের অ্যানটেনাও উধাও ◈ যে কারণে হিজড়া ‘গুরুমাকে’ হত্যা করা হয়, জানালেন হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকা ওই যুবক ◈ বহিষ্কৃত এমপিকে কমিটিতে রাখা নিয়ে সংসদে তর্ক-বিতর্ক, শেষমেশ নাম বাদ ◈ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক রফতানিতে কমছে দাম, বাড়ছে ব্যয় ◈ অন্তর্বর্তী সরকারের হামের টিকার ভুল দরপত্র নীতিতেই শিশুদের প্রাণহানি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ বন্ধ নয়, নিয়ন্ত্রণে জোর: অটোরিকশায় আসছে কিউআর কোড ও ডিজিটাল ট্র্যাকিং ◈ ‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নারের’ নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব সংসদে ◈ আগস্টে মূল্যস্ফীতি কমে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ ◈ এবার রৌমারীতে ডিলারের গুদাম ভেঙে সার নিয়ে গেলেন কৃষকেরা

প্রকাশিত : ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৭:৪৪ বিকাল
আপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৭:৪৪ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কক্সবাজারে পুলিশ কর্মকর্তার বাসা থেকে ৯০ হাজার ইয়াবা ও নগদ ৩৬ লাখ টাকাসহ তিনজন আটক

সরওয়ার আজম মানিক,কক্সবাজার : কক্সবাজার সদর উপজেলার হাজী পাড়া এলাকায় এক পুলিশ কর্মকর্তার বাসায় অভিযান চালিয়ে ৯০ হাজার পিস ইয়াবা ও নগদ ৩৬ লাখ টাকাসহ তিনজনকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর (ডিএনসি)।

আজ সোমবার সকালে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। 

ডিএনসি কক্সবাজার কার্যালয়ের উপ পরিচালক সৌমেন মন্ডল জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হাজীপাড়া এলাকায় চট্টগ্রাম জজ আদালতে কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তা শহীদের বাসায় তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় ওই বাসা থেকে ৯০ হাজার পিস ইয়াবা ও নগদ ৩৬ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়।

অভিযানকালে পুলিশ কর্মকর্তার শ্যালক মোমেন মেহেদী আশিক তার স্ত্রী সাদিয়া ও এক সহযোগীকে আটক করা হয়েছে।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ৯০ হাজার পিস ইয়াবা এবং ৩৬ লাখ ২০ হাজার ৮৫০ টাকা নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক তদন্তে ডিএনসি জানতে পেরেছে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা কক্সবাজার হয়ে ইয়াবা পাচারের উদ্দেশ্যে ওই বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। তারা টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

তবে পুলিশ কর্মকর্তা শহিদুল্লার মাদক কারবারের সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

কক্সবাজার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক সৌমেন মন্ডল আরো জানান , উদ্ধারকৃত ইয়াবা ও নগদ অর্থের উৎস এবং আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কিনা, সে বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরসহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ডিএনসি কর্মকর্তারা জানান, কক্সবাজারকে মাদক চোরাচালানের অন্যতম রুট হিসেবে ব্যবহার করে বিভিন্ন এলাকায় ইয়াবা সরবরাহের চেষ্টা দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • সর্বশেষ