শিরোনাম
◈ এবার যৌথভাবে কাজ করার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন সালমান মুক্তাদির ◈ বন উজাড় বাড়ছে, খাদ্য ও জলবায়ু নিরাপত্তা নিয়ে এফএওর বড় সতর্কবার্তা! ◈ এবার যুক্তরাজ্যকে সরাসরি পারমাণবিক হামলার হুমকি দিলো রাশিয়া! ◈ প্রধানমন্ত্রীর ১০ বছরের মেয়াদসীমা নিয়ে যে মতামত এলো ◈ রাজস্ব আদায় কম, ব্যাংক ঋণে সরকারের নির্ভরতা বাড়ছে ◈ অভিমান করে লাপাত্তা ৩ কিশোরী অতঃপর... ◈ এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সি‌লের পরবর্তী সভাপতি তামিম ইকবাল?  ◈ কারাগারে কয়েক বন্দির জন্য লাক্সারি ফ্ল্যাটের সন্ধান পাওয়ায় ৫ কর্মকর্তা বরখাস্ত ◈ তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে নতুন করে কী হচ্ছে ◈ ২০২৭ সালের হজে নতুন প্যাকেজ, এক চুক্তিতেই থাকা-খাওয়া-যাতায়াত

প্রকাশিত : ১০ জুন, ২০২৬, ১১:৪২ রাত
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘থানা পুড়িয়ে দিয়েছি’ বলা সেই নেতা এবার আশ্রয় নিলেন থানায়

ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ধাওয়ার অভিযোগ তুলে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় আশ্রয় নিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য সচিব মাহদী হাসান।

আজ বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে নিজের ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে এসে তিনি ধাওয়ার অভিযোগ করেন।

লাইভে মাহদী বলেন, ‘ছাত্রদল আমার ওপর হামলা করতে আসতেছে। আমার কি ব্যক্তিগত কোনো মতামত দেওয়ার অধিকার নাই?’

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে মাহদী দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘আমি ফেসবুকে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে সমালোচনা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রশংসা করে একটি পোস্ট দিয়েছি। বিষয়টি জেলা ছাত্রদলের কিছু নেতাকর্মী সহজভাবে নেননি।’

advertisement

‘আজ সকালে হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট স্টেশন এলাকায় ড্রাইভিং পরীক্ষা দিয়ে অটোরিকশায় কোর্ট মসজিদ এলাকায় যাচ্ছিলাম। পথে বৃন্দাবন সরকারি কলেজের সামনে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী আমাকে ধাওয়া দেন। পরে আমি দ্রুত হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় আশ্রয় নিই,’ বলেন তিনি।

মাহদী হাসান আরও বলেন, ‘আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি আইনি ব্যবস্থা নেব।’  

তবে ধাওয়া দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন।

ডেইল স্টারকে তিনি বলেন, ‘মাহদীর ফেসবুক লাইভেই তার অভিযোগের অসারতা প্রমাণ হয়েছে। লাইভে তিনি যখন রিকশার পেছনের অংশ দেখাচ্ছিলেন, তখন সেখানে কাউকে দেখা যায়নি। ছাত্রদলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও সাজানো। এটি শুধু ভাইরাল হওয়ার একটি অপচেষ্টা।’

জানতে চাইলে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ হোসেন দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘মাহদী হাসান থানায় এসে অভিযোগ করেছেন, তাকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ধাওয়া করেছেন। তবে তার ফেসবুক লাইভের ভিডিও ফুটেজে কাউকে দেখা যায়নি। এরপরও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

প্রসঙ্গত, গত ২ জানুয়ারি এনামুল হাসান নয়ন নামে একজনকে শায়েস্তাগঞ্জ থানার পুলিশ আটক করলে তাকে ছাড়াতে থানায় যান মাহদী হাসানের নেতৃত্বে একদল শিক্ষার্থী।

ওসির কক্ষে ঢুকে মাহদী হাসানকে বলতে শোনা যায়, ‘আমরা জুলাই আন্দোলনকারীরা সরকারকে ক্ষমতায় বসিয়েছি। আপনি প্রশাসনের লোক হয়ে আমাদের ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছেন। হবিগঞ্জে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন হয়েছিল, এখানে ১০ জন নিহত হয়েছেন। বানিয়াচং থানা আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে আমরা আগুনে জ্বালিয়ে দিয়েছিলাম। আমাদের এতগুলো ছেলে কি এমনি এমনি ভেসে এসেছে?'

এ ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে তিনি আলোচনায় আসেন। উৎস: ডেইলি স্টার।

 ্

  • সর্বশেষ