শিরোনাম
◈ বিমানবন্দরে স্যুটকেসে শ্যাম্পু-ক্রিমের বোতলে মিলল ৯২টি জীবিত সাপ-টিকটিকি, মেক্সিকান নাগরিক আটক ◈ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে আগ্রহ দেখাল নেদারল্যান্ডস, চীনের পর নতুন সম্ভাবনা বাংলাদেশের সামনে ◈ আমিরাতে সক্রিয় ছিল ইরানি ‘স্লিপার সেল’, নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের তথ্য প্রকাশ! ◈ 'ইরান কখনও যুদ্ধ চায় না, তবে যেকোনো আগ্রাসনের কঠোর জবাব দি‌তে প্রস্তুত' ◈ নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের যে কারণে ৭০ শতাংশ ভিসা বাতিল ◈ বাংলাদেশের মতো ক্ষমতার পালাবদল চায় কংগ্রেস, বিস্ফোরক অভিযোগ রাজনাথ সিংয়ের ◈ মোটরসাইকেলের সামনেও নম্বরপ্লেট বাধ্যতামূলক, ১৫ নভেম্বরের মধ্যে লাগানোর নির্দেশ বিআরটিএর ◈ রাশিয়ার কামচাতকায় ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামির শঙ্কা নেই ◈ বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে থমকে যাচ্ছে ঢাকার অগ্রগতি ◈ পাকিস্তান, ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা‌কে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ ১৮ অ‌ক্টোবর শুরু 

প্রকাশিত : ০৯ মে, ২০২৬, ০৮:৫৫ রাত
আপডেট : ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কিশোরগঞ্জে রোদে ঝলমলে ফিরেছে প্রাণ, হাওরে বইছে বৈশাখী ব্যস্ততা

ফারুকুজ্জামান, কিশোরগঞ্জ : অতিবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার পর গত তিনদিন ধরে আকাশে ঝলমলে রোদ আর হালকা বাতাস থাকায় হাওরাঞ্চলের কৃষক-কৃষাণিদের মাঝে ফিরে এসেছে স্বস্তি। এখন মুখর হয়ে উঠেছে হাওরপাড়ের কৃষক। সড়ক, খলা ও বাড়ির উঠানে ভেজা ধান শুকানো, মাড়াই ও ধান ঘরে তোলার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক পরিবারের সব বয়সী মানুষ।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, কিশোরগঞ্জের হাওর  ইটনা, মিঠামইন, নিকলীর সড়ক জুড়ে একপাশে রোদে ধান নাড়ছেন কৃষাণিরা, কোথাও বাতাসে ধান উড়িয়ে চিটা আলাদা করছেন কৃষকরা। শুকানো ধান কেউ ট্রাক্টরে, কেউ ঠেলাগাড়িতে করে বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছেন। একইসঙ্গে হাওরের তীরবর্তী জমি থেকে কাটা ধান এনে স্তূপ করে রাখা হচ্ছে এবং সেখানেই মেশিন দিয়ে মাড়াই চলছে। কয়েকদিন পর রোদের দেখা মেলায় হাওরে বৈশাখের এই কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে দুর্ভোগে পড়া কৃষকদের কাছে এই রোদ যেন স্বস্তির বার্তা হয়ে এসেছে। নিকলী এলাকার কৃষক কামরুল হাসান  বলেন- এক সপ্তাহ আগে যদি-এমন রোদ থাকতো, তাহলে জলাবদ্ধতার কারণে ধানের এত ক্ষতি ও কষ্ট হতো না। তবে গত তিনদিনের রোদে কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। 

এভাবে কয়েকদিন রোদ থাকলে হাওরের ধান ও খড় সহজেই ঘরে তোলা যাবে। কৃষক জাহাঙ্গীর আলম বলেন- জেলার সবচেয়ে বড় নিকলীর হাওর এই হাওরের হাজার হাজার জমির পাকা ধান তলিয়ে গেছে। কিন্তু বৃষ্টির পানির কারণে ধান কাটতে ভীষণ চাপে আছে কৃষক পাচ্ছে না শ্রমিক। 

নিকলীর লতিফা বেগম বলেন, গত কয়েকদিন ধরে রোদ থাকায় যতটুকু ধান কাটা হয়েছে তা নিয়ে হাওরে বৈশাখী আমেজ ফিরে এসেছে। আমরা এখন ধান শুকিয়ে ঘরে তুলতে পারছি।

Advertisement

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. সাদিকুর রহমান জানান,  মাঠপর্যায়ের তথ্যমতে জেলায় ১০ হাজার ৫০ হেক্টর জমি পানির নিচে চলে গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ইটনা ও অষ্টগ্রাম উপজেলায়।

তিনি আরও বলেন, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করছেন আমাদের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা। তবে কৃষকদের দাবি অনুযায়ী, বাস্তবে পানিতে তলিয়ে যাওয়া জমির প্রকৃত পরিমাণ সরকারি হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি।

কৃষি বিভাগের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত হাওরে ৬০ ভাগ জমির ধান কাটা শেষ হয়েছে। তবে বাকি ৪০ ভাগ ধান নিয়ে এখন চরম শঙ্কায় দিন কাটছে হাওরবাসীর।

  • সর্বশেষ