শিরোনাম
◈ মোংলায় বন্দরে এআইয়ে যেভাবে ধরা পড়ে যন্ত্রাংশের নামে আসা খণ্ডিত বিলাসবহুল গাড়ি! ◈ নেপালে আকস্মিক বন্যার কারণ কী? সেখানে এত পর্যটক কেন গিয়েছিলেন? ◈ আমিনবাজারের ময়লা থেকে ৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে চীন, বস্তিবাসীর আবাসনে ১০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে সম্মতি ◈ হঠাৎ শোঁ শোঁ শব্দ, নিমিষেই পানির স্রোত-কাদা-পাথরের ঢল; আমগাছ আঁকড়ে বেঁচে গেলেন নেপালি শ্রমিক ◈ দে‌শে সার সংকট আছে নাকি নেই? ◈ ভূমিকম্প, হিমবাহ নাকি ভারী বৃষ্টি : ভয়াবহ বন্যার কারণ খুঁজতে দিশাহারা নেপাল ◈ ইরানে আরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নির্মাণ ও স্থাপনের কাজ পুরোদমে চলছে ◈ দুই ক্রিকেটারের সঙ্গে কোচ গম্ভীরের ব্যবহার নিয়ে মুখ খুললেন প্রাক্তন তারকা ◈ নেপালে পাহাড়ি ঢলে নিখোঁজ ৩৮৪ পর্যটক, তালিকায় নেই কোনো বাংলাদেশি ◈ জ্বালানি সংকটে শিল্পকারখানায় সৌরবিদ্যুতের দিকে ঝুঁকছেন উদ্যোক্তারা, উৎপাদনক্ষমতা ছাড়িয়েছে ৬০০ মেগাওয়াট

প্রকাশিত : ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ০৫:৫০ বিকাল
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হাওরে কাজ করতে গিয়ে বজ্রপাতে নিহত ৫

সুনামগঞ্জের চার উপজেলায় বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়-বৃষ্টির সময় দিরাই, তাহিরপুর, জামালগঞ্জ ও ধর্মপাশা উপজেলার বিভিন্ন হাওরে এ বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন— ধর্মপাশা উপজেলার হাবিবুর রহমান (২২) ও রহমত উল্লাহ (১৩), জামালগঞ্জ উপজেলার নাজমুল হোসেন (২৬), তাহিরপুর উপজেলার আবুল কালাম (২৫) এবং দিরাই উপজেলার লিটন মিয়া (৩৮)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুরে হঠাৎ আকাশ কালো হয়ে প্রবল ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে হাওরে কাজ করা কৃষকরা বিপদের মুখে পড়েন। এ সময় তাহিরপুর উপজেলার মাটিয়ান হাওরে হাঁস পাহারা দেওয়ার সময় বজ্রপাতে আবুল কালাম গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে ধর্মপাশা উপজেলার টগার হাওর এলাকায় বজ্রাঘাতে কলেজ শিক্ষার্থী হাবিবুর রহমান নিহত হন। তিনি পাইকুরাটি ইউনিয়নের বড়ইহাটি গ্রামের ফজলু রহমানের ছেলে এবং বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। একই এলাকায় আরও একজন কিশোরসহ হতাহতের ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

দিরাই উপজেলার কালিয়াগোটার (আতরার) হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে লিটন মিয়া গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি উপজেলার পেরুয়া আশনাবাজ গ্রামের চান্দু মিয়ার ছেলে।

তাহিরপুর থানার ওসি আমিনুল ইসলাম জানান, বজ্রপাতে নিহতদের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে।

স্থানীয় প্রশাসন ও সচেতন মহল হাওরে কাজ করার সময় কৃষকদের আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেখে নিরাপদ স্থানে থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

 

  • সর্বশেষ