শিরোনাম
◈ নিউইয়র্কে অপ্রীতিকর ঘটনার পর এখন কেমন আছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস, যা জানালেন লামিয়া মোর্শেদ ◈ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি নীতিমালা প্রকাশ: প্রথম শ্রেণিতে লটারি, দ্বিতীয়-নবম শ্রেণিতে লিখিত পরীক্ষা ◈ সংবিধান সংশোধনে বিরোধী দলকে আবারও আলোচনায় আসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ◈ বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে দরপত্রের নথি কিনেছে ৩ বিদেশি কোম্পানি ◈ জমি জটিলতায় দুই বছরেও খনন হয়নি সিলেটের ২ গ্যাস কূপ, ঝুঁকিতে ৫৬ বিসিএফ গ্যাস উৎপাদন! ◈ ঢাকা-কুমিল্লা উড়াল রেলপথে ব্যয় ৮৪ হাজার কোটি টাকা, কমবে চট্টগ্রামের দূরত্ব ◈ এসএসসিতে দুই বিষয়ে ফেল করলেই ১৫ দিনের মধ্যে আবার পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী ◈ হামলার ভয়ে এক প্রাসাদ থেকে অন্য প্রাসাদে ছুটছেন সৌদি যুবরাজ ◈ জা‌র্সিতে থাকা সৌদি আরবের পতাকায় চুমু খেলেন ক্রিশ্চিয়া‌নো রোনালদো  ◈ সৌদি-হুথি সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বড় অর্থনৈতিক সংকটে পড়তে পারে বাংলাদেশ

প্রকাশিত : ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২১ দুপুর
আপডেট : ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পেয়ারা নাকি দামি আপেল, কোনটা বেশি উপকারী

আপেল ও পেয়ারা দুটিই পরিচিত ফল। এই দুটির মধ্যে কোনো ফল বেশি উপকারী তা নিয়ে বিতর্ক কিন্তু কম হয় না। পেয়ারা এবং আপেল দুটিই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। দুটি ফলই সারাবছর পাওয়া যায়। তবে পেয়ারার তুলনায় আপেলের দাম প্রায় দ্বিগুণেরও বেশি থাকায় অনেকের ধারণা আপেল বেশি পুষ্টিকর। আসলেই কি তাই?

পুষ্টিবিদদের মতে, পুষ্টিগুণে আপেল বা পেয়ারা কোনোটাই কম নয়। তবে পেয়ারাতে ভিটামিন সি-এর পরিমাণ আপেলের তুলনায় বহুগুণে বেশি। প্রোটিনের পরিমাণও দুই ফলে ভিন্ন। একটি মাঝারি আকারের আপেলে প্রোটিন থাকে ১ গ্রামের কম, কিন্তু একই আকৃতির পেয়ারায় প্রোটিনের পরিমাণ প্রায় ২.৬ গ্রাম।

আপেল ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, কপার, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভান্ডার। এ কারণে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ থাকলে বা হাঁপানির সমস্যা থাকলে আপেল খাওয়ারই পরামর্শ দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, পেয়ারায় আয়রন, ক্যালশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো খনিজ উপাদান থাকায় রক্তল্পতা, হজমের সমস্যা, ডায়াবিটিসের রোগীদের পেয়ারা খেতে বলেন পুষ্টিবিদেরা। দিনে একটি পেয়ারা খেলেই দৈনিক ভিটামিন সি-এর চাহিদা পূরণ হয়ে যাবে। তাই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য এই ফলের জুড়ি নেই।

দুটি ফলই শরীরের জন্য উপকারী। তবে খালি পেটে ফল খাওয়া ঠিক নয়। অনেক ক্ষেত্রে অন্তঃসত্ত্বা থাকার সময় হবু মায়ের ডায়াবেটিস ধরা পড়ে। হরমোনের ভারসাম্য ঠিক না থাকায় এমনটা হয় বলে মত চিকিৎসকদের। এই ধরনের সমস্যা থাকলে সকাল সকাল বেশি পরিমাণে ফল খাওয়া ভালো নয়। বিশেষ করে খালি পেটে ফল খেলে হঠাৎ করে বেড়ে যেতে পারে রক্তের শর্করার মাত্রা। এজন্য সবসময়ে দুটি মিলের মাঝখানে ফল খেতে হবে।

  • সর্বশেষ