শিরোনাম
◈ ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলবে ইলেকট্রিক ট্রেন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ◈ রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ◈ শেখ হাসিনা আপিলের সুযোগ পাবেন কি না, আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত : আইনমন্ত্রী ◈ চট্টগ্রামে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনকালে দুর্ঘটনায় ২ সেনাসদস্য নিহত, আহত ১ ◈ বিআরটিএর অনুমতি ছাড়া স্লিপার বাস চালানো যাবে না: হাইকোর্ট ◈ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দিতে ইসি প্রস্তুত : সিইসি ◈ পলিথিন-প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ ডেঙ্গুর প্রকোপ সেপ্টেম্বরের শেষে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ◈ দুর্গাপূজায় বাংলাদেশ থেকে ইলিশ চায় ভারত, রপ্তানির বিষয়ে ইতিবাচক সরকার ◈ ১০০ ডলার ছুঁইছুঁই তেলের দাম, বাড়তে পারে আরও

প্রকাশিত : ১১ নভেম্বর, ২০২৫, ০৯:৪৪ সকাল
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এক যুগ পর শ্রীপুর সাফারি পার্কে সফল প্রজনন করল গ্রে ক্রাউনক্যান

গাজীপুরের শ্রীপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে এক যুগ পর উগান্ডার জাতীয় পাখি গ্রে ক্রাউনক্যান সফলভাবে বাচ্চা ফুটিয়েছে। বাংলাদেশের মাটিতে এ পাখির এটি প্রথম সফল প্রজনন, যা পার্ক কর্তৃপক্ষের কাছে বিশেষ আনন্দের বিষয়।

পার্কের ক্রাউন ধনেশ অ্যাভিয়ারিতে জন্ম নিয়েছে বাচ্চাটি। বেশ কিছু দিন আগে ডিম থেকে ফুটলেও মা–বাবা পাখি নিরাপত্তার জন্য ছানাকে ঝোপের আড়ালে লুকিয়ে রেখেছিল। এখন মা, বাবা ও ছানাকে একত্রে বিচরণ করতে দেখা যাচ্ছে।

সাফারি পার্কের ওয়াইল্ডলাইফ সুপারভাইজার সরোয়ার হোসেন খান জানান, ২০১৩ সালে আফ্রিকার উগান্ডা থেকে আনা হয় গ্রে ক্রাউনক্যানের এই জুটি। এর আগেও কয়েক দফা ডিম পাড়লেও বাচ্চা টিকেনি। এবারই প্রথম সফলভাবে ছানা ফুটেছে। তিনি বলেন, ‘এটি পার্কের জন্য আনন্দের খবর। মা–বাবা ও ছানাটিকে বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়েছে।’

গ্রে ক্রাউনক্যান পাখি বুদ্ধিমান ও সুর নকল করতে সক্ষম হওয়ায় পৃথিবীজুড়ে তাদের আলাদা পরিচিতি রয়েছে। এরা আজীবন এক সঙ্গীর সাথেই থাকে এবং সাধারণত ২-৫টি ডিম পাড়ে। ২৮ থেকে ৩১ দিনের মধ্যে ডিম থেকে বাচ্চা ফোটে।

সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারেক রহমান বলেন, ‘এটি পার্কের জন্য বড় অর্জন। আমরা ছানার নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছি। আশা করছি বাচ্চাটি ভালোভাবে বেড়ে উঠবে।’

পার্কে কর্মরতরা জানান, দুপুরের দিকে মা–বাবা পাখির মাঝে ছানাটিকে হাঁটতে দেখা যায়, যা দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করছে। বর্তমানে নির্দিষ্ট স্থানের চারপাশে বেড়া দিয়ে দর্শনার্থীদের প্রবেশ সীমিত করা হয়েছে, যাতে রাজকীয় এই পাখির পরিবার নিরাপদ থাকে।

সূত্র: যুগান্তর 

  • সর্বশেষ