শিরোনাম
◈ মোংলায় বন্দরে এআইয়ে যেভাবে ধরা পড়ে যন্ত্রাংশের নামে আসা খণ্ডিত বিলাসবহুল গাড়ি! ◈ নেপালে আকস্মিক বন্যার কারণ কী? সেখানে এত পর্যটক কেন গিয়েছিলেন? ◈ আমিনবাজারের ময়লা থেকে ৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে চীন, বস্তিবাসীর আবাসনে ১০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে সম্মতি ◈ হঠাৎ শোঁ শোঁ শব্দ, নিমিষেই পানির স্রোত-কাদা-পাথরের ঢল; আমগাছ আঁকড়ে বেঁচে গেলেন নেপালি শ্রমিক ◈ দে‌শে সার সংকট আছে নাকি নেই? ◈ ভূমিকম্প, হিমবাহ নাকি ভারী বৃষ্টি : ভয়াবহ বন্যার কারণ খুঁজতে দিশাহারা নেপাল ◈ ইরানে আরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নির্মাণ ও স্থাপনের কাজ পুরোদমে চলছে ◈ দুই ক্রিকেটারের সঙ্গে কোচ গম্ভীরের ব্যবহার নিয়ে মুখ খুললেন প্রাক্তন তারকা ◈ নেপালে পাহাড়ি ঢলে নিখোঁজ ৩৮৪ পর্যটক, তালিকায় নেই কোনো বাংলাদেশি ◈ জ্বালানি সংকটে শিল্পকারখানায় সৌরবিদ্যুতের দিকে ঝুঁকছেন উদ্যোক্তারা, উৎপাদনক্ষমতা ছাড়িয়েছে ৬০০ মেগাওয়াট

প্রকাশিত : ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১২:২৮ রাত
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভারতে কম দামে ইলিশ রফতানি, বৈদেশিক আয় কমবে ১২০ কোটি টাকা!

আইরিন হক, বেনাপোল (যশোর): বাজারমূল্যের অর্ধেক দামে ইলিশ রফতানির কারণে প্রায় ১২০ কোটি টাকার বৈদেশিক আয় থেকে বঞ্চিত হবে সরকার—এমন আশঙ্কা করছে সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে আশঙ্কা রয়েছে এ অর্থ অবৈধ লেনদেনে ব্যবহার হওয়ার।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রতি কেজি ইলিশের রফতানি মূল্য ১২ ডলার ৫০ সেন্ট (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১,৫৫০ টাকা) নির্ধারণ করায় তারা এ সুযোগ নিচ্ছেন। অথচ স্থানীয় বাজারে এক কেজি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২,৫০০ থেকে ২,৬০০ টাকায়। অর্থাৎ কেজিপ্রতি প্রায় ১,০০০ টাকা কম দেখিয়ে রফতানি হচ্ছে।

বাণিজ্যিক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশে ইলিশ উৎপাদন হয়েছে ৫ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৭ মেট্রিক টন। চাহিদা কম থাকলেও ২০১৯ সাল থেকে প্রতিবছর দুর্গাপূজায় বিশেষ বিবেচনায় ভারতে ইলিশ রফতানি হচ্ছে। এ বছর ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত ৩৭ জন রফতানিকারককে ১,২০০ টন ইলিশ রফতানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে ৯ দিনে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে মাত্র ১০২ টন ইলিশ ভারতে গেছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, কম মূল্যে রফতানির ফলে বৈদেশিক আয় কমছে, আবার অবৈধ লেনদেনের সুযোগ বাড়ছে। বাজারেও সংকট তৈরি হচ্ছে।

বেনাপোল স্থলবন্দর মৎস্য ও মাননিয়ন্ত্রণ অফিসের ইন্সপেক্টর আসওয়াদুল ইসলাম বলেন, “বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রতি কেজি ১২.৫০ ডলার নির্ধারণ করায় আমরা আটকাতে পারি না। বাজারমূল্য কম হলেও নিয়ম অনুযায়ী রফতানি চলছে।”

গতবারের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, অনুমতি পাওয়া ৪৯ জন রফতানিকারকের মধ্যে মাত্র ২০ জন ইলিশ রফতানি করতে পেরেছিলেন। এবারের ১,২০০ টন রফতানির লক্ষ্য নিয়েও সংশয় দেখা দিয়েছে।

  • সর্বশেষ