শিরোনাম
◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে ◈ আফগান লিগে নাম লেখালেন তাসকিন ◈ ইউপি নির্বাচনে ইসির নতুন বিধান, জামানত বাড়ল পাঁচ গুণ ◈ বিদ্যুতায়নে বছরে কোটি কোটি ডলারের জ্বালানি আমদানি ব্যয় কমানোর সুযোগ বাংলাদেশের : আইইএর প্রতিবেদন ◈ ১১টি বোয়িং বিমান কেনার চুক্তি চূড়ান্তের পথে, এয়ারবাস নিয়ে ফ্রান্সের চাপ ◈ ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ, বাতিল ১০৩ অনাপত্তি সনদ ◈ ঢাকার আশপাশের বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নে বাংলাদেশকে ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি ◈ জ্বালানি তেলের পর এবার বাড়ল লঞ্চ ভাড়া, কিলোমিটারে সর্বোচ্চ ২৩ পয়সা ◈ জ্যাকসের ঝড়ে লঙ্কা বিধ্বস্ত

প্রকাশিত : ০৪ জুন, ২০২৬, ০৯:৩৮ রাত
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জাপানি কনসোর্টিয়ামের সাথে চুক্তি ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে, ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল

বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (সিএএবি) এবং জাপানি একটি কনসোর্টিয়ামের মধ্যে চুক্তিটি ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে স্বাক্ষরিত হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হবে। আমরা এর আগেই চুক্তিটি সম্পন্ন করার চেষ্টা করব। আমরা আশা করছি, চলতি বছরের ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনালটি চালু হয়ে যাবে।’

advertisement

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাপানি কনসোর্টিয়ামটি টার্মিনালটির জন্য দ্বিতীয় গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলারও নিয়োগ করবে। সিএএবি এবং জাপানি কনসোর্টিয়ামের মধ্যে ব্যবস্থাপনা ও রাজস্ব ভাগাভাগি সংক্রান্ত ব্যবস্থা নিয়ে মতবিরোধের কারণে তৃতীয় টার্মিনালটি প্রায় দেড় বছর ধরে অকার্যকর রয়েছে।

advertisement

এই কনসোর্টিয়ামে রয়েছে- জাপান এয়ারপোর্ট টার্মিনাল কোম্পানি, সুমিতোমো করপোরেশন, নিপ্পন কোয়েই এবং নারিতা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট করপোরেশন। টার্মিনালটির পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত বিষয়গুলো চূড়ান্ত করতে সিএএবি এবং কনসোর্টিয়ামের মধ্যে বুধবার শুরু হয়ে আজ (বৃহস্পতিবার) দুই দিনব্যাপী এক আলোচনা সভা শেষ হয়েছে।

বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মতে, জাপানি পক্ষের জমা দেওয়া একটি সংশোধিত প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে আলোচনা হয়েছে, যার মূল বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল আরোহণ ফি, অগ্রিম অর্থ প্রদান এবং রাজস্ব ভাগাভাগি সংক্রান্ত ব্যবস্থা। 

advertisement

এর আগে টার্মিনালটির পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে আলোচনা করতে বাংলাদেশ ও জাপান গত ৩ এপ্রিল একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছিল, যদিও সে সময় কোনো চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি।

শিল্প সংশ্লিষ্টরা টার্মিনালটি চালু হতে বিলম্বের জন্য বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের দীর্ঘ নীতিগত সিদ্ধান্তহীনতাকে দায়ী করেছেন, যার ফলে নির্মাণকাজ সম্পন্ন হওয়া সত্ত্বেও দেশের একটি প্রধান অবকাঠামোগত সম্পদ অব্যবহৃত রয়ে গেছে।

দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানি পক্ষের সঙ্গে আলোচনা পুনরায় শুরু করার জন্য কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন, যা নতুন করে আলোচনার পথ প্রশস্ত করেছে। এর মধ্যে ১৩ মার্চ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

৫৪২ হাজার বর্গমিটার জুড়ে বিস্তৃত তৃতীয় টার্মিনালটি বছরে অতিরিক্ত ১২ থেকে ১৬ মিলিয়ন যাত্রী এবং প্রায় ৫ লাখ টন পণ্যসম্ভার সামলানোর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, যা বিমানবন্দরের ধারণক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে।

সূত্র: বাসস

  • সর্বশেষ